অতীত ভুলে সুখেই আছি সানি লিওন

Published by Unknown on  | No comments


সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হিসেবে বলিউডের অন্যসব নায়িকাকে পেছনে ফেলে একাই দাঁড়িয়ে গেছেন পর্নোস্টার সানি লিওন।পর্নো ছবি থেকে মহেশ ভাটের জিসম-২ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ তার। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ কানাডীয় পর্নোতারকা হিসেবেও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু সে অতীত পেছনে ফেলে একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।ভারতের বাইরে থেকে এসে বলিউডে অভিনয়ের সঙ্কটগুলো কী কী বলে আপনার কাছে মনে হয়?অন্যদের কথা বলতে পারবো না। তবে আমি আমার কথা যদি বলি তবে বলবো, আমি ভারতে এসে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। আমি আমার স্বপ্নকে সফল করতেই সব পেছনে ফেলে চলে এসেছি।কীভাবে আপনি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতে পারছেন?আমার জীবনে আমি দুইজন মানুষকে পেয়েছি যারা নিজেকে ধীর স্থির রাখতে এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বুঝি যে আমার জীবনে আরো অনেক খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। জীবনবদল করে আমার এ অনুভূতি হয়েছে যে, পরিবার এবং আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমার জীবনটা এখন অনেক সুন্দর এবং পরিপূর্ণ।অবশ্য কালকেই যদি আমি এগুলো হারিয়ে ফেলি তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে কারণ, আমি বিশ্বাস করি জীবনে প্রত্যেকটা পরিবর্তনই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় কীভাবে করা উচিৎ? এ ব্যাপারে অন্যদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?নিশ্চয়ই আপনার কিছু শখ থাকা উচিৎ। এই বিনোদনের জগতে কখনো এমন হয় যে, আপনাকে একটানা প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। আবার কখনো হয়তো কয়েক সপ্তাহ কোনো কাজ থাকে না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে উত্তাল কিছু সময় কাটান। তবে অতিরিক্ত পান এবং ড্রাগ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা আপনার মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় কাজে দেবে।আপনি কি মনে করেন একজন অভিনেত্রীর পারিবারিক সমর্থন দরকার, নাকি তাদের উপেক্ষা করেই কাজ করা সম্ভব?প্রত্যেকের জীবনই আলাদা। তাই আমি শুধু আমার নিজের কথাই বলতে পারি। আমি সবচেয়ে সচ্ছন্দে কাজ করতে পারি যখন আমার স্বামী আমার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু আমি একা থাকলেও যে খারাপ থাকি তা কিন্তু না। আমি প্রচন্ড চাপের মধ্যেও কাজ করতে পারি এবং তাৎক্ষণিক সমাধান বের করে ফেলতে পারি। জীবনের এ পর্যাবয়ে এসে আমি আর কখনোই নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট নই।আমি ভারতে এসে দারুণ কিছু মানুষকে পেয়েছি যাদের আমি বিশ্বাস করতে পারি। বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য যেমন নিজস্বতা থাকতে হয় তেমনি এ জগতটাকে পরিবারের মতো করেই নিতে হয়। কিন্তু অবশ্যই এটা স্বীকার করতে হবে যে, আমার স্বামী আমার জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে আমার মতো হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হিসেবে বলিউডের অন্যসব নায়িকাকে পেছনে ফেলে একাই দাঁড়িয়ে গেছেন পর্নোস্টার সানি লিওন।
পর্নো ছবি থেকে মহেশ ভাটের জিসম-২ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ তার। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ কানাডীয় পর্নোতারকা হিসেবেও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু সে অতীত পেছনে ফেলে একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।ভারতের বাইরে থেকে এসে বলিউডে অভিনয়ের সঙ্কটগুলো কী কী বলে আপনার কাছে মনে হয়?
অন্যদের কথা বলতে পারবো না। তবে আমি আমার কথা যদি বলি তবে বলবো, আমি ভারতে এসে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। আমি আমার স্বপ্নকে সফল করতেই সব পেছনে ফেলে চলে এসেছি।কীভাবে আপনি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতে পারছেন?আমার জীবনে আমি দুইজন মানুষকে পেয়েছি যারা নিজেকে ধীর স্থির রাখতে এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বুঝি যে আমার জীবনে আরো অনেক খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। জীবনবদল করে আমার এ অনুভূতি হয়েছে যে, পরিবার এবং আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমার জীবনটা এখন অনেক সুন্দর এবং পরিপূর্ণ।অবশ্য কালকেই যদি আমি এগুলো হারিয়ে ফেলি তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে কারণ, আমি বিশ্বাস করি জীবনে প্রত্যেকটা পরিবর্তনই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় কীভাবে করা উচিৎ? এ ব্যাপারে অন্যদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?
নিশ্চয়ই আপনার কিছু শখ থাকা উচিৎ। এই বিনোদনের জগতে কখনো এমন হয় যে, আপনাকে একটানা প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। আবার কখনো হয়তো কয়েক সপ্তাহ কোনো কাজ থাকে না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে উত্তাল কিছু সময় কাটান। তবে অতিরিক্ত পান এবং ড্রাগ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা আপনার মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় কাজে দেবে।
আপনি কি মনে করেন একজন অভিনেত্রীর পারিবারিক সমর্থন দরকার, নাকি তাদের উপেক্ষা করেই কাজ করা সম্ভব?প্রত্যেকের জীবনই আলাদা। তাই আমি শুধু আমার নিজের কথাই বলতে পারি। আমি সবচেয়ে সচ্ছন্দে কাজ করতে পারি যখন আমার স্বামী আমার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু আমি একা থাকলেও যে খারাপ থাকি তা কিন্তু না। আমি প্রচন্ড চাপের মধ্যেও কাজ করতে পারি এবং তাৎক্ষণিক সমাধান বের করে ফেলতে পারি। জীবনের এ পর্যাবয়ে এসে আমি আর কখনোই নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট নই।আমি ভারতে এসে দারুণ কিছু মানুষকে পেয়েছি যাদের আমি বিশ্বাস করতে পারি। বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য যেমন নিজস্বতা থাকতে হয় তেমনি এ জগতটাকে পরিবারের মতো করেই নিতে হয়। কিন্তু অবশ্যই এটা স্বীকার করতে হবে যে, আমার স্বামী আমার জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে আমার মতো হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন।সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হিসেবে বলিউডের অন্যসব নায়িকাকে পেছনে ফেলে একাই দাঁড়িয়ে গেছেন পর্নোস্টার সানি লিওন।
পর্নো ছবি থেকে মহেশ ভাটের জিসম-২ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ তার। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ কানাডীয় পর্নোতারকা হিসেবেও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু সে অতীত পেছনে ফেলে একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।ভারতের বাইরে থেকে এসে বলিউডে অভিনয়ের সঙ্কটগুলো কী কী বলে আপনার কাছে মনে হয়?
অন্যদের কথা বলতে পারবো না। তবে আমি আমার কথা যদি বলি তবে বলবো, আমি ভারতে এসে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। আমি আমার স্বপ্নকে সফল করতেই সব পেছনে ফেলে চলে এসেছি।কীভাবে আপনি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতে পারছেন?আমার জীবনে আমি দুইজন মানুষকে পেয়েছি যারা নিজেকে ধীর স্থির রাখতে এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বুঝি যে আমার জীবনে আরো অনেক খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। জীবনবদল করে আমার এ অনুভূতি হয়েছে যে, পরিবার এবং আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমার জীবনটা এখন অনেক সুন্দর এবং পরিপূর্ণ।অবশ্য কালকেই যদি আমি এগুলো হারিয়ে ফেলি তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে কারণ, আমি বিশ্বাস করি জীবনে প্রত্যেকটা পরিবর্তনই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় কীভাবে করা উচিৎ? এ ব্যাপারে অন্যদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?
নিশ্চয়ই আপনার কিছু শখ থাকা উচিৎ। এই বিনোদনের জগতে কখনো এমন হয় যে, আপনাকে একটানা প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। আবার কখনো হয়তো কয়েক সপ্তাহ কোনো কাজ থাকে না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে উত্তাল কিছু সময় কাটান। তবে অতিরিক্ত পান এবং ড্রাগ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা আপনার মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় কাজে দেবে।
আপনি কি মনে করেন একজন অভিনেত্রীর পারিবারিক সমর্থন দরকার, নাকি তাদের উপেক্ষা করেই কাজ করা সম্ভব?প্রত্যেকের জীবনই আলাদা। তাই আমি শুধু আমার নিজের কথাই বলতে পারি। আমি সবচেয়ে সচ্ছন্দে কাজ করতে পারি যখন আমার স্বামী আমার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু আমি একা থাকলেও যে খারাপ থাকি তা কিন্তু না। আমি প্রচন্ড চাপের মধ্যেও কাজ করতে পারি এবং তাৎক্ষণিক সমাধান বের করে ফেলতে পারি। জীবনের এ পর্যাবয়ে এসে আমি আর কখনোই নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট নই।আমি ভারতে এসে দারুণ কিছু মানুষকে পেয়েছি যাদের আমি বিশ্বাস করতে পারি। বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য যেমন নিজস্বতা থাকতে হয় তেমনি এ জগতটাকে পরিবারের মতো করেই নিতে হয়। কিন্তু অবশ্যই এটা স্বীকার করতে হবে যে, আমার স্বামী আমার জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে আমার মতো হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন।

About the Author

Write admin description here..

0 মন্তব্য:

    If you would like to receive our RSS updates via email, simply enter your email address below click subscribe.

Discussion

Blogger template. Proudly Powered by Blogger.
back to top