Showing posts with label টিপস. Show all posts
Showing posts with label টিপস. Show all posts
thumbnail

মেয়েদের বয়স বাড়ার সাথে

Posted by Unknown  | No comments

মেয়েদের প্রস্রাবে সংক্রমণ একটি সাধারণ সমস্যা। এর প্রধান কারণ মেয়েদের শারীরিক গঠন। মেয়েদের মূত্রনালী খুবই ছোট এবং মূত্রনালীর দ্বার, যোনিদ্বার ও মলদ্বার এত কাছাকাছি যে জীবাণু সহজেই ঢুকে যেতে পারে। প্রস্রাব সংক্রমণের জীবাণু ই-কলাই মলের সাথে নির্গত হয়ে মলদ্বার থেকে মূত্রদ্বারের আশপাশের কোষকলায় বসতি স্থাপন করে এবং সুযোগ বুঝে মূত্রনালী দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে প্রস্রাবে সংক্রমণ ঘটায়।
মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রে মল মূত্রদ্বারের সংস্পর্শে আসে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জ্ঞানের অভাবে জীবাণু মূত্রনালীতে ঢুকে পড়ে। মেয়েদের বয়স বাড়ার সাথে এর সংক্রমণের হারও বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে যৌনক্রিয়া থেকে। সহবাসের পর জীবাণু মূত্রনালী দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে। প্রস্রাবের মধ্যে এরা অতি দ্রুত সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় ও প্রদাহের সৃষ্টি করে।কারণ

শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ করে ই-কোলাই। অন্যগুলোর মধ্যে প্রোটিয়াস, কেবসিয়েলা, সিউডোমনাস অন্যতম।

উপসর্গ

- প্রস্রাবে ভীষণ জ্বালাপোড়া করা

- বারবার প্রস্রাবে বেগ হওয়া

- প্রস্রাবের রঙ হলুদ হওয়া

- ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া

- প্রস্রাব দুর্গন্ধযুক্ত ও পরিমাণে কম হওয়া

- তলপেটে ব্যথা অনুভূত হওয়া

- জ্বর আসা

প্রদাহ তীব্র হলে কিডনি আক্রান্ত হতে পারে। তখন সমস্যা তীব্রতর হতে পারে।

- জ্বর কেঁপে আসা

- রক্তবর্ণ প্রস্রাব হওয়া

- নাভির ওপরে পেছন দিকে দু’পাশে তীব্র ব্যথা হওয়া

- বমি বমি লাগা

- প্রস্রাব খুব কম হওয়া বা কয়েক ঘণ্টা প্রস্রাব না হওয়া।

বিয়ের পর সহবাসের সাথে সম্পর্কিত প্রদাহকে হানিমুন সিস্টাইটিস বা মধুচন্দ্রিমা মূত্রসংক্রমণ বলা হয়।

চিকিৎসা

সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়। জ্বর ও তলপেটে ব্যথার জন্য ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া হয়। সাধারণত যেসব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয় সেসব হলো সেফ্রাডিন, সিপ্রোফক্সাসিন, পিফক্সাসিন সেফালোস্পরিন, লিভোফক্সাসিন, গ্যাটিফক্সাসিন প্রভৃতি।

গর্ভবতীদের প্রস্রাবে প্রদাহ : জীবাণুসংক্রমণ না-ও হতে পারে। বারবার উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এমক্সিলিন, সেফ্রাডিন, সেফালোস্পরিন, ইরাইথ্রোমাইসিন দেয়া হয়।

ইউরেথ্রাল সিনড্রোম : খুব ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়। প্রস্রাব পরীক্ষায় শুধু পাস-সেল পাওয়া যায়। তলপেটে ব্যথা থাকে।

হানিমুন সিস্টাইটিস : প্রস্রাবে প্রদাহ বারবার হলে দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। প্রথমে পূর্ণমাত্রায় সাত থেকে ১০ দিন, পরে স্বল্পমাত্রায় দীর্ঘ দিন চিকিৎসা দেয়া হয়।

প্রতিরোধ ব্যবস্থা

- প্রতিদিন প্রচুর পানি (১০-১২ গ্লাস) পান করতে হবে

- কখনো প্রস্রাব আটকে রাখা উচিত নয়

- প্রতি দুই-তিন ঘণ্টায় একবার প্রসাব করা উচিত

- সহবাসের পর প্রস্রাবের রাস্তা ধুয়ে ফেলা উচিত
ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। প্রস্রাবের পর টিসুপেপার দিয়ে সামনে থেকে পেছনের দিকে পরিষ্কার করতে হবে। পরে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে। সহবাসের আগে প্রস্রাবের রাস্তা ও যোনিদ্বার ভালোভাবে ধুয়ে নিলে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

জটিলতা
খুব তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহে কিডনি আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হতে যেতে পারে। কিডনিতে যক্ষ্মাও হতে পারে।
লেখক : ডা: মিজানুর রহমান কল্লোল, আবাসিক সার্জন, সার্জারি বিভাগ ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।
চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
২ ইংলিশ রোড, ঢাকা।
Read More»

thumbnail

নিয়মিত যৌন সম্পর্ক তারুণ্য ধরে রাখে

Posted by Unknown  | No comments

 যৌন সম্পর্ক মানুষের তারুণ্য কে ধরে রাখে এবং যারা নিয়মিত যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় তাদের কে কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ বছর কম বয়স্ক বলে মনে হয়।’ এক গবেষণায় এই দাবি করেছেন লন্ডনের রয়েল এডিনবার্গ হাসপাতালের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. ডেভিড উইকস।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর যৌন জীবনের সুবিধা সম্পর্কে জনগণের সতর্ক হওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, একটা পরিতৃপ্ত যৌন সম্পর্ক মানুষের দুশ্চিন্তা দূর করে, মানসিক অস্থিরতা রোধ করে এবং তার হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখে।
ড.উইকস বলেন, এক্ষেত্রে ভালোবাসাপূর্ণ পারস্পরিক সম্পর্কটা খুবই গুরুক্তপূর্ণ। যারা বয়স্ক এবং চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন তারা অনেকেই যৌন সম্পর্কে প্রতি আগ্রহ দেখান না। যা সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন

ড. ইইকস তার গবেষণায় উল্লেখ করেন, জীবনকে সফল এবং পরিপূর্ণ করার জন্য যৌন সম্পর্কের অবদান অপরিহায।

পরিপক্ক বয়সে বৈধ এবং ধর্মানুযয়ী যৌন সম্পর্ক মানুষের জীবনে ইতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
Read More»

thumbnail

êñjøý নয় t¡mê pä$s,ভালোবাসার গল্প

Posted by Unknown  | No comments


Løvër'কে ভাব দেখানোর লাইগ্গা কয়জন হাত কাইটা নাম লেখার আকাম করছেন.....?
কমবেশি সবাই...!
কিন্তু আপনি কি জানেন, হাত কেটে কিংবাবিল্ডিং থেকে ঝাপ দিয়ে, জীবনের ঝুকি নিয়ে ভাব দেখানো কোনো কাজ করলে কখনো ভালোবাসা পাওয়া যায় না......!
ভালোবাসতে গেলে দরকার ভালো মন।
নয় চেহারা নয় আপনার ঐশ্বর্য।
আপনার প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটি কখনোই আপনার এ দুটি জিনিষের প্রতি কখনোই লক্ষ রাখবে না।
চাইবেনা মোবাইলে লোড, চাইবেনা আপনার শপিং এ যেতে, চাইবেনা আপনার সাথে দৈহিক সম্পর্ক করতে।
শুধু আপনার সাথে একটি বার দেখা করার জন্য, এক মুহুর্ত আপনার মুখটি দেখার জন্য তার মন ছটফট করবে.........
ও কষ্ট পেলে শুধু আপনাকেই মনে করবে, আর ভাববে;
"আজ ও পাশে থাকলে হয়তোবা এমনটা হত না।"
এটাই না প্রকৃত ভালোবাসা....... !
কাওকে ভালোবাসলে ভালোবাসার মতই বাসুন। নয় êñjøý নয় t¡mê pä$s।
এমন ভাবে ভালোবাসুন যাতে এমন মনে হয়,
"তোমাকে শুধু আমি আমার জীবনে ভালোবাসবোনা, মরণের পরেও আল্লাহ্ যেনতোমাকে আমার সঙ্গে রাখে"
Read More»

thumbnail

গার্লফ্রেন্ডকে ভালবাসার প্রপোজ করার নানান ধরন, ভালবাসার টিপস

Posted by Unknown  | No comments

প্রপোজ করবেন কি ভাবে নিজেই নির্বাচনকরুন!!!! ;)
১. ব্ল্যাকমেইল স্টাইলঃ আমি তোমাকে ভালবাসি।
তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন
অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে!! ;)
২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ শোনো মেয়ে,
আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমকা
না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই।
- আমি তোমাকে ভালোবাসি। :P
৩. মাস্তানি স্টাইলঃ ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি-
না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে) :O
৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ আমি তোমার ছোট
ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই
তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার
নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল!! :lol:
৫. চালাক স্টাইলঃ তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয়
সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি?? ;)
৬. রসিক স্টাইলঃ Excuse me!
আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please
অনুমতি দাও। :(
৭. হিজড়া স্টাইলঃ এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু
করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়।
আবার তোমাকে না দেখলে অস্থিরতা মরে যাই।
তুমি কি জানো?
আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি। :P
৮. ডিজুস স্টাইলঃ Hi,whatsup sweet
heart ? , wanna be maa
lavaa,actually I am in love with u ! :P :D
৯. ভীতু স্টাইলঃ ইয়ে মানে!! ইয়ে মানে !!!
আমি মানে ! আমি মানে তোমাকে ,……। ( আর
বলা হয় না ) :P
১০. গায়ক স্টাইলঃ গানের
গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন…
“এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে?
ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি,
তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!” :)
১১. দেবদাস স্টাইলঃ কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ
জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায়
বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন) :P
১২. কাব্যিক স্টাইলঃ কবি কবি ভাব থাকলে ২
লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !!
আশা করি এই টুকলিফাই এর যুগে কবিতার অভাবহবে না!! :D
১৩. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ তোমাকে আমার খুব পছন্দ
হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও
আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও
মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়,
তাহলে বল। ;)
তো আপনি কোন স্টাইলে করবেন? ;)
(পোষ্টটি এখানে থেকে সংগ্রহীত)
Read More»

thumbnail

যদি তুমি হও

Posted by Unknown  | No comments



নিজেকে যখন সুখী মনে করি তখন আমি সেই মানুষটির কাছেই
যেতে চাই, যাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।
নিজেকে যখন দুঃখী মনে করি
তখন আমি সেই মানুষটির কাছেই
যেতে চাই যে সবচেয়ে বেশি আমাকে ভালবাসে।
কিন্তু সেই দুইজন মানুষই যদি তুমি হও
তাহলে নিজেকে সবচেয়ে বেশি ভাগ্যবান মনে করব।
Read More»

thumbnail

আমি ভালবাসি তাকে

Posted by Unknown  | No comments

আমি ভালবাসি তাকে, 
যে আমাকে কষ্ট দিতে গিয়ে নিজে কষ্ট পায় ...
আমি ভালবাসি তাকে,
যে আমার চোঁখের জল দেখতে গিয়ে নিজে চোঁখের জল ফেলে ....
Read More»

thumbnail

ভালবাসা জীবনের আলো,ভালবাসার টিপস

Posted by Unknown  | No comments



ভালবাসা জীবনের আলো। ভালবাসা জীবন যাপনের মানকে উন্নত করে, মানুষকে করে স্মার্ট। একথাটি যারা না মানে,তাদের জ্ঞাতার্থে বৈজ্ঞানিক মজার কিছু তথ্য তুলে ধরা হল:
১. যখন মানুষ প্রিয়জনক ঠোট চুম্বন করে তখন সে মাথা বাম দিকে না নুইয়ে ডান দিকে বাকিয়ে নিয়ে যায় (৬০% ব্যক্তির ক্ষেত্রেই এরকম হয়)
২. বিজ্ঞরা বলে থাকে দুটি নদীর সংযোগ স্থলে ০৪ হাজার বছর আগে ভালবাসার গান লিখে রাখা হয়েছিল।
৩. ৫ ভাগের ১ ভাগ ভালবাসা একতরফা হয় পরবর্তীতে দুজনদুজনাতে জড়িয়ে যায়।
৪. ভালবাসায় পতিত হলে মানুষের মন ও দেহ শান্ত থাকে। তাদের নার্ভস লেবেল উন্নয়ন হয় এবং স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৫. সম্প্রতি একটি জরীপে ভালবাসার কেন্দ্র সংযোজক Philadelphia International Airport সব চেয়ে ভাল বিমান বন্দর হিসাবে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে।
৬. ভালবাসা হার্টরেট বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের ভিতরের ভয় দূর করে।
৭. যে সকল লোক নিয়মিত প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে কিস করে তারা ৫ বছর বেশি বাচে যারা করে না তাদের চেয়ে।
৮. প্রেমিকাকে ডায়মন্ড প্রদান দুজনের মধ্যে ভালবাসা বৃদ্ধি করে।
৯. নতুন প্রেমিক প্রেমিকাদের হরমোন ডিসঅরডার সমাধানে প্রেমের ভূমিকা অত্যধিক।
১০. ভালবাসার মানুষকে খুজে নিতে কমপক্ষে ১২ জন মানুষের সাথে ডেট করা উচিত তাতে প্রকৃত জুটি মেলার সম্ভাবনা বেশি।
Read More»

thumbnail

বুঝতে দেন না..ভালোবাসার টিপস

Posted by Unknown  | No comments



কিছু জিনিস খেয়াল করে দেখেছেন??
○ ভালবাসার মানুষ যত খারাপই হোক আপনারকাছে সে সব সময়ই ভালো.....
○ তার সাথে আপনার সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরও কেউ যদি তাকে নিয়ে খারাপ কোন মন্তব্য করে তখন আপনি খুব রেগে যান হয়তো কাউকে বুঝতে দেন না.....
○ আপনার বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে কথা বলার সময় খুজে বের করার চেষ্টা করেন তার সাথে আপনারভালবাসার মানুষটার কি কি মিল আছে.....
○ হঠাৎ তার পছন্দের কোন জিনিস যদি আপনারসামনে পরে যায় আপনিচেষ্টা করলেও তার কথা মনে না করে থাকতে পারবেন না.....
○ তার সাথে যে জায়গা গুলোতে আপনি বসে থাকতেন ঐ জায়গাগুলোতে গেলে সব সময়সে জায়গাটাই বসার চেষ্টা করবেন যেখানে আপনার ভালবাসার মানুষ বসতো.....
○ তার কাছ থেকে পাওয়া যে কোন জিনিসএখনও আপনার কাছে আছেযা আপনার পড়ার বই গুলোর চেয়ে ভাল অবস্থায় আছে..... (যদি ফেরত না দিয়ে থাকেনআর ফেলে না দিলে)
○ ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাকে ভুলে হলেও একবার
মনে করেন.....
Read More»

thumbnail

ধর্ম

Posted by Unknown  | No comments

জন্ম গত আধুনিক একটা ধর্মে আমি অবস্তান করতেছি ,
যাকে আলিঙ্গন করেই আমি সুখ পাই ।
যার ছায়া তলে আমার গন্তব্য ,
যার সৃষ্টি কর্তার কাছে পোঁছানো আমার অদম্য ইচ্ছে ।
এসো প্রতিদিন সিজদায় লুটিয়ে পড়ি ।
তার পর শুরু হোক আমাদের অপুরন্ত গতি ।
Read More»

thumbnail

এক অজানা অপেক্ষা

Posted by Unknown  | No comments

এখনও নির্ঘুম রাত গুলো শুধু তোমায় ভেবে ভেবে কেটে যায় ।
নীরবতায় একাকী নিজেকে হারিয়ে তোমায়
ভেবে ভেবে রাতের অন্ধকার শেষ হয় ,
সকালের সোনালী আলোর দেখি
কিন্তু এ মনের আকাশে অন্ধকার গুলো
কোন সোনালী আলোর স্পর্শ পায় না সেই কবে থেকে ।
জানি না কেন আজও একাকী
রাত জাগি অন্ধকার কে এতটা ভালোবেসে
আজও পরে আছি ?
হয়তো কোন প্রাপ্তি নয় !
ভুলে করে তোমার
ফিরে আসার কাঙ্ক্ষিত এক অপেক্ষা ,
জানিই তো হয়তো ভুল করে
আমার স্বপ্নের পথে তুমি হেঁটে যাবে না ,
জানি আমি কোন দিনও
আমার পৃথিবী রাঙ্গিয়ে তুমি আর আসবে না ।
তবুও এক অপেক্ষা .......... এ অপেক্ষা অজানা ।
হয়তো সময় গুলো কেটে যাচ্ছে
থেমে থাকেনি , কিন্তু চলছেই বা কেমন করে ??
যেখানে আনন্দের স্পর্শ নেই , নেই বেঁচে থাকার
কোন স্বপ্ন ...... এটা কি বেঁচে থাকা ?? বল তুমি
বল তুমি কি পারতে এভাবে বেঁচে থাকতে ??
তবুও মাঝে মাঝে অট্ট হাসিতে কষ্ট উড়ায়
কষ্ট নামের তীব্র যন্ত্রণা কে ভুলে থাকি ।
ভুলতে চাই তোমাকে , মুছে দিতে চাই
এক ফেলে আসা অতীতের কিছু স্মৃতি কে ।
কিন্তু হেরে যাই, জানি না কেন বার বার আমি
হেরে যাই সেই অতীতের কাছে ।
চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে ফিরে দিয়ে যাও
আমার সোনালী সময় টুকু , শুধু একবার ভুলিয়ে দিয়ে যাও তোমায় ।
আমি যে তোমায় ভুলতে চাই । সত্যিই তোমায় ভুলতে চাই ।।

জানিই তো তুমি আর আসবেনা তবুও শুধু অপেক্ষা ............ এক অজানা অপেক্ষা ।।
Read More»

thumbnail

ভালবাসার এস এম এস

Posted by Unknown  | No comments

মনে প্রাণে চাই একটা নাম্বার থেকে ফোন কিংবা এস এম এস আসুক।প্রতিদিনই ভাবি আজ বুঝি সেই নাম্বারটা থেকে ফোন কিংবা এস এম এস আসবে।কিন্তু আসে না।

রাতে বারান্দায় বসে মোবাইলের পুরোনো এস এম এস গুলো পড়তে থাকি।একসময় মোবাইল স্ক্রিনটা চোখের পানিতে ভিজে যায়।

তবুও সেই নাম্বারটা থেকে ফোন বা এস এম এস আসে না।জানি না কখনো আসবে কিনা ,তবুও সারাক্ষণ মোবাইলটা হাতে নিয়ে প্রতীক্ষায় থাকি।
Read More»

thumbnail

হৃদয়স্পর্শী একটি প্রেমের গল্প

Posted by Unknown  | No comments

 


এক ছেলে এক মেয়েকে খুব ভালোবাসত কিন্তু এক দুর্ঘটনাতে
মেয়েটি মারা যায় !

ছেলেটি খুব কষ্ট পায় সে দিন রাত অবিরাম কেঁদে যায়:’(
অনেকেই তাকে সান্ত্বনা দেয় কিন্তু কেউ তার কান্না থামাতে পারেনা !

এক দিন এক স্বপ্নে সে দেখেতার সেই প্রিয়তমা সম বয়সী অনেক মেয়ের সাথে স্বর্গে আছে সেটা দেখে সে খুশি হয় ;কিন্তু সে এটা দেখে অবাক হয় সবার হাতে একটা জ্বলন্ত মোমবাতি আছে কিন্তু তার প্রিয়তমার হাতে মোমবাতি থাকলেও তা নেভানো…!!

ছেলেটি তাকে বলে তোমার মোমবাতি নেভানো কেন?
মেয়ের উত্তর : আমি যখন ই এটা জ্বালাতে যাই তোমার কান্না এসে এটি ভিজিয়ে দেয় ; প্লীজ আর কেদনা !
Read More»

thumbnail

প্রেমের গল্প

Posted by Unknown  | No comments


“একটি বাস্তব ঘটনা”
আজ অনেক দিন পরে লিখতে বসলাম তার গল্প।যাকে নিয়ে প্রায় লিখে থাকি তার কথা। আবার দেখা হয়ে গেল গত কাল কিন্তু দু:খের বিষয় হল,তাকে দেখে খুব কষ্ট লাগছিল । জানেন তার কারণ কি? আমি অনুভব করতে পারলাম যে তার মুখে একধরণের কষ্টের ছাপ। আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম তোমার কি হয়েছে সে আমাকে জবাবে কিছু বলল না। আমি তখন বুঝতে পারলাম সে আমার কাছে কিছু একটা লুকাচ্ছে।তখন আমি তাকে আর কিছু বললাম না।কিছু সময় চুপ থাকার পর, সে যখন আমাকে বলল তার পর কিছু বল, তখন আমি বললাম তখন তোমার মন খারাপ বুঝতে পেরেছি আজ কোন কথা বলার নেই আমি চলে যাচ্ছি ।তাই বলে ফিরে এলাম। কিন্তু কে জানে, সেদিন সে কেন এত কষ্টে ছিলো।কেন তার মুখ দিকে তাকানো যাচ্ছিলনা।কিসের কষ্ট তাকে এমন করে রেখেছে।যার মুখের হাসি দেখতে মন সব সময় ব্যকুল থাকতাম,কিন্তু সেই মুখে কোন হাসি নেই শুধু কষ্ট। মুখটি যেন ফুলদানিতে অযন্তে রাখা ফুলের মতন শুকিয়ে গেছে।মনে হয় কত বছর যে তার যন্ত নেওয়া হয়না কে জানে।এর কারণ কি? জানেন, আমার মনে হয় আপনারাও জানতে চান । হ্যা আমিও জানতে চেয়েছিলাম কিন্তু সে আমাকে বলেছিল না।কিছু দিন পরে একদিন বন্ধুরা আমাকে বলল। তোর একটা খবর আছে যা শুনলে তোর খুব কষ্ট লাগবে। আমি বললাম না ,আমার কষ্ট পাবার মতন কোন কথা নেই ।ওরা বলল ঠিক তো আমি বললাম ঠিক। হাসতে হাসতে ওরা বলল কথাটা ।আমি বললাম মজা করার আর বিষয় নেই তোদের কাছে। তখন বলল সত্যি।বলার সাথে সাথে আমার মাঝে কি যেন হয়ে গেল।আমি তো বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।ওরা আমাকে বলল জানি তুই কষ্ট পাচ্ছিস । কিন্তু আসলে চলতে গেলে অনেক সময়ে অনেক কিছু ঘটে। আর এই সব কিছু মেনে নিয়েই সামনে দিকে চলতে হয়।……………………………চলবে।   
এর মুল চরিত্র যাকে নিয়ে তার নাম ‍‌‌‌‌‌“ভোমবোল”
Read More»

thumbnail

বাদলবেলার নিয়ন সাজ

Posted by Unknown  | No comments


সকাল সকাল একটা নিমন্ত্রণ এসে গেছে… প্রিয় বান্ধবীর পার্টিতে বিকেল বেলার মধ্যে সেজে-গুজে পৌঁছে যেতে হবে আপনাকে? অথচ আকাশের মুখ ভার; আর তাই ভাবছেন কী পরবেন? ঠিক কতটা সাজ আপনার দরকার এই মরসুমে? কোন ফ্যাব্রিকেই বা থাকতে পারবেন সবচেয়ে কমফর্টেবল? পোশাকের রঙ-ই বা বেছে নেবেন কীভাবে? এই সব কিছু ঠিক করার আগে বর্ষা কালে সাজগোজের পুরনো ধারণাকে পাল্টে ফেললে কেমন হয়? আসলে বর্ষাদিন মানেই মনখারাপিয়া আবেশ নিয়ে ঘরবন্দী হয়ে থাকার সময় তো এখন শেষ; মেঘ-বৃষ্টির অমোঘ খেলায় থমকে গিয়ে চুপটি করে বসে কাজ বাতিল করার দিন গা-ঢাকা দিয়েছে সেই কবেই! তার বদলে প্রকৃতি যখন বারিধারায় চারপাশ ধুয়ে-মুছে প্রদান করছে এক ঝরঝরে নতুন লুক, ঠিক তখনই আপনিও কিছুটা ট্রেন্ডি সাজে স্বাগত জানান বর্ষাকালকে।ভেলভেট, লাইক্রা মেটিরিয়ালের পোশাক বাদ দিয়ে সকালে হাল্কার মধ্যে সুতি বা মলমলের পোশাক আর সন্ধে নামার সঙ্গে সঙ্গেই শিফন বা নাইলনের শাড়ি অথবা অন্য যে কোনও পোশাক- বাদলবেলার জন্য একেবারে জুতসই; অন্তত এমনটাই মনে করছেন শহরের নামজাদা ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পাল। ‘চারদিকের প্রকৃতির মধ্যে বর্ষাকালে একটা গ্রেয়িশ, ডাল, গ্লুমিভাব থাকে বলেই রঙটিও বেছে নিন সন্তর্পণে। ব্রাইট নিয়ন রঙে সাজান নিজেকে’, বললেন ঝলমলে এই ফ্যাশনিস্তা। এবার প্রশ্ন হল, কেমন নিয়ন রঙে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে বাদল বেলা?নিয়নের মধ্যে ফ্লুরোসেন্ট হলুদ-গোলাপি-কমলা-সবুজ; যে কোনওটি বেছে নিতে পারেন আপনি। অবশ্য সাজগোজের সময় মন্ত্রমুগ্ধের মতন বলে দেওয়া রঙ পরার সময়ও একটু বিবেচনা প্রয়োজন, কেমন? কেন না, ব্রাইট বা নিয়ন রঙের পোশাক ও অ্যাক্সেসরিজে মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে ফেলার বদলে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করতে। এই যেমন ফ্লুরোসেন্ট গোলাপি কুর্তি পরলে লেগিংসটি পরুন ন্যুড বা হাল্কা কোনও রঙের আর পাশাপাশি নেল-পলিশ বা জুতোয় ফ্লুরোসেন্টের এক শেডের ম্যাচিং করুন। এতে মানাবে তো বটেই, একই রঙে হাবুডুবু খাওয়ার মোনোটনিটাও কাটানো যাবে। এছাড়া নেট বা শিফনের আনারকলি চুড়িদার বা শাড়িতেও সেজে ফেলতেন পারেন সান্ধ্য পার্টিতে। আর পশ্চিমি পোশাকে সাজতে চাইলে এই বর্ষায় পরতে পারেন শর্ট লেংথের ম্যাক্সি ড্রেস- জাম্প স্যুট অথবা শর্ট প্যান্ট। এতে লাভ? দেখতে ট্রেন্ডি লাগার পাশাপাশিই বাঁচাতে পারবেন নিজেকে বৃষ্টি দিনের জল কাদা থেকেও।আর অ্যাক্সেসরিজ? এক্ষেত্রে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করতে পারেন বিভিন্ন প্যাটার্নের হেয়ার ব্যান্ড ও জুতোর সঙ্গে আপনার স্টাইল স্টেটমেন্টটিকে। ‘সোয়েড, চামড়ার জুতো বা হাই পয়েন্টেড স্টিলেটো অ্যাভয়েড করে ব্যবহার করুন রবারের পাম্প শ্যু আর ফ্লিপ ফ্লপ’, জানাচ্ছেন অগ্নিমিত্রা।এ তো গেল মহিলাদের সাজের কথা! তাঁরা ঝলমলে হয়ে উঠলে পুরুষরাই বা পিছিয়ে থাকেন কেন? পুরুষদের ক্ষেত্রে পরামর্শ- ‘পাতলা লিনেন জাতীয় মেটিরিয়ালের পোশাক পরুন’। গ্রাফিক প্রিন্টেড টি-শার্টের ওপরে সামার জ্যাকেট পরতে পারেন ছেলেরা; সঙ্গে হাঁটু অবধি হাফ প্যান্ট ইনফর্মাল আউটিং-এর জন্য পরলে পুরুষরাও হয়ে উঠতে পারেন ভিড়ের মাঝে নজরকাড়া এক স্টাইল আইকন।এত কিছুর পর বাকি থাকে কেবল একটাই কাজ- ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেজে ফেলা! তাতেই যে বাদলবেলা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, সন্দেহ কী!


Read More»

thumbnail

আমি তোমার ভাললাগা হব

Posted by Unknown  | No comments



তুমি আমার না পাওয়াগুলোকে জোঁড়া দাও ,
আমি তোমার ভাললাগা হব ।
তুমি আমার নিরাশার ঢেউ হও ,
আমি তোমার আশার শ্রাবন হব ।
তুমি আমার রাতের তারা হও ,
আমি তোমার স্নিগ্ধতা হব ।

Read More»

thumbnail

ধর্ষণের কারণ খুঁজুক বিজ্ঞান

Posted by Unknown  | No comments



 বেশ কিছুদিন ধরেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে লাগাতার উঠে আসছে ধর্ষণের একের পর এক নৃশংস উদাহরণ। বহু মানুষের মনেই জমা হচ্ছে প্রশ্ন, কেন ঘটে এমন? একটি নাট্যদলের মনেও প্রশ্নটা পাক খাচ্ছিল। তাঁরা খুঁজতে শুরু করেছিলেন, ধর্ষণের কোনও জৈব-রাসায়নিক ভিত্তি আছে কি না।
অন্বেষণটা এমনিতে নতুন নয়। পৃথিবী জুড়েই ধর্ষণ-প্রবৃত্তির উৎস নিয়ে নানা গবেষণা হয়েছে। ‘আ ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রেপ’ বইতে যেমন র্যান্ডি থর্নহিল এবং ক্রেগ টি পামার ধর্ষণকে ডারউইনীয় তত্ত্বের সঙ্গে মেলাতে চেয়েছিলেন। প্রত্যুত্তরে বিভিন্ন মহল আপত্তি তুলে বলে, ধর্ষণকে বিবর্তনের অঙ্গ বলে মানলে তাকে একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে মেনে নিতে হয়। সামাজিক পরিবেশের প্রসঙ্গ সেখানে পিছনে চলে যায়। তা ছাড়া অনেকেই তর্ক তোলেন, শিশু ও বৃদ্ধাদের ধর্ষণের পিছনে ধর্ষকের কী জৈব চাহিদা কাজ করছে, তার উত্তর এখানে নেই।
নাট্যকার সংগ্রাম গুহর ভাবনাটা ছিল খানিকটা অন্য রকম। বিজ্ঞানী বন্ধু-র কাছে তিনি এক দিন শুনছিলেন সার্নে ঈশ্বর কণা অন্বেষণের কাহিনি। তিনি সংগ্রামকে বলছিলেন, মূল পরীক্ষার আগে পাঁচ জন নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী কী বলেছিলেন, সেই বৃত্তান্ত। সেই প্রসঙ্গেই ওঠে বিজ্ঞানী জ্যাক স্টেইনবার্গার-এর বক্তৃতার কথা। সেটা শুনতে শুনতে সংগ্রামের মাথায় খেলে যায় চিন্তা তবে কি ধর্ষণের সময় মানুষের শরীরে সক্রিয় হয়ে ওঠে কোনও অজানা কণা? কোনও অদৃশ্য প্রবাহ? বন্ধুর সাহায্যে স্টেইনবার্গারের ই-মেল জোগাড় করে সংগ্রাম ওঁকে চিঠি লেখেন।
এরই মধ্যে সংগ্রামের নজরে আসে প্যারিস থেকে প্রকাশিত একটি বই। নাৎসি হলোকস্টের ৭০ বছরের স্মৃতি, লিখেছেন লেনা ব্রেন নামক এক মহিলা। যিনি নিজে আউশউইৎইজ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বন্দি ছিলেন। লেনা লিখেছেন কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে ধর্ষণের বর্ণনা। সেখানে তিনি স্টেসি স্টেইনবার্গার বলে এক জন তরুণীর কথাও উল্লেখ করেন, যাঁকে ৯১ দিন ধরে ধর্ষণ করা হয়। স্টেসির শরীরে ইনফেকশন ছড়িয়ে গিয়েছিল। ১৯৪২ সালের ১১ মার্চ তিনি মারা যান।
স্টেইনবার্গার পদবীটা সংগ্রামের চোখ টানে। অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো করেই তিনি অধ্যাপকের কাছে জানতে চান, স্টেসিকে কি চিনতেন তিনি কোনও ভাবে? তিন মিনিটের মধ্যে উত্তর এল। জ্যাক স্টেইনবার্গার জানালেন, স্টেসি ওঁর একমাত্র বোন। সংগ্রাম যে অজানা-অদৃশ্য কণা বা প্রবাহের কথা ভাবছেন, সেটা নিয়েও মত পাওয়া গেল তাঁর। সংক্ষিপ্ত উত্তর, “ইট ক্যান বি! ইট মে বি পসিবল! লেটস ট্রাই, ট্রাই টু বিগিন!”
এই চিঠিচাপাটি ও স্টেইনবার্গারের জীবনকাহিনি মিলেমিশেই তৈরি নাটক, ‘রেপ পার্টিকল’।
Read More»

thumbnail

যৌন মিলনের চারটে গোপণ সূত্র

Posted by Unknown  | No comments


আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন মিলনকে মধুর করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম মেনে চলতে হবে৷ আপনি যদি এই চারটে নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷
‘দ্য ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটে নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যের প্রথমটা হল :
সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷
সেনসেশান: যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷ সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷
সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর জন্য পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷
রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷
Read More»

thumbnail

ছেলেদের হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় কী?

Posted by Unknown  | No comments


নিয়মিত হস্তমৈথুন শরীরের জন্য ভালো। তবে এটা খুব বেশি করলে এবং সেই অনুপাতে শরীরের যত্ন না নিলে শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্তি আসতে পারে। এটা যাতে নেশায় পরিনত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের কাছে এটা নেশার মত মনে হয়, এবং মনে প্রাণে কমিয়ে দিতে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করণীয় হতে পারে-
১. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, হস্তমৈথুন বা স্বমেহন কোন পাপ বা অপরাধ নয়। এটা প্রাণীদের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা করে ফেলে কোন প্রকার অনুশোচনা, পাপ, বা অপরাধবোধে ভুগবেন না। এমন হলে ব্যাপারটা সব সময় মাথার মধ্যে ঘুরবে এবং এ থেকে মুক্তি পেতে আবার এটা করে শরীর অবশ করে ফেলতে ইচ্ছে হবে।
মনে রাখবেন আপনি মানুষ। আর মানুষ মাত্রই ভুল করে। এটা করে ফেলার পর যদি মনে করেন ভুল হয়ে গেছে তো সেজন্য অনুশোচনা করবেন না। নিজেকে শাস্তি দেবেন না। বরং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন যাতে ভবিষ্যতে মন শক্ত রাখতে পারেন।
২. যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন।
যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন।
কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন।
কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না।
যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান।
৩. বসে না থেকে সময়টা কাজে লাগান। জীবনকে সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। সব সময় নতুন কিছু করার দিকে ঝোঁক থাকলে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। এই সাথে আরো সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন ভাবে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবেন, বেঁচে থাকার নতুন মানে খুঁজে পাবেন।
সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে পড়ুন। লেখালেখি করতে পারেন, গান-বাজনা শিখতে পারেন, আঁকাআঁকি করতে পারেন, অথবা আপনি যা পারেন সেটাই করবেন।
নিয়মিত খেলাধূলা করুন। ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন।
স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন। ফলমূল-শাকসবজি বেশি খাবেন।
নতুন কোন শখ বা হবি নিয়ে মেতে উঠুন। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন, আরো কত কিছু আছে করার। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন।
অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশ ও দশের জন্য সেবামূলক কাজে জড়িত হোন।
৪. ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনের একটা নেশা থেকে মুক্ত পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার আগাতে হবে।
ভালো কাজ করলে নিজেকে নিজে নিজে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন।
৫. অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।
###########
কিছু টিপস:
১. ঘুমে সমস্যা হলে তখন সুগার ফ্রি মিন্টস্‌ বা ক্যাণ্ডি চিবাতে পারেন। হালকা কিছু খেলেও তখন উপকার হয়। তবে ঘুমিয়ে পড়ার আগে দাঁত ব্রাশ করে নেবেন।
২. কম্পিউটারে পর্ণ ব্লকিং সফটওয়ার ইনস্টল করে নিন। আজব একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন যাতে পরে ভুল যান। অথবা কোন বন্ধুকে দিয়ে পাসওয়ার্ড দিন। নিজে মনে রাখবেন না।
৩. কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।
৪. হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়।
৫. যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।
৬. যখন দেখবেন খুব বেশি হস্তমৈথুন করতে ইচ্ছে হচ্ছে এবং নিজেকে সামলাতে পারছেন না, বাইরে বের হয়ে জোরে জোরে হাঁটুন বা জগিং করুন।
৭. সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন।
৮. ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে।
৯. হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।
১০. সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না।
১১. ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।
১২. যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন।
১৩. বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন।
১৪. যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন।
১৫. মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন।
১৬. হাতের কব্জিতে একটা রাবারের ব্যান্ড লাগিয়ে নেবেন। সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হলে তুড়ি বাজাতে পারেন, পা দোলাতে পারেন- এতে কুচিন্তা দূর হয়ে যাবে।
১৭. যতটা সম্ভব নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
১৮. যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন।
১৯. বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান।
২০. ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।
২১. নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন।
২২. বাড়িতে বা রুমে কখনো একা থাকবেন না।
২৩. কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।
২৪. উপুর হয়ে ঘুমাবেন না।
২৫. বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না।
২৬. গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাম করবেন না।
২৭. ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন।
[আরো টিপস মনে এলে এখানে পরে আপডেট করা হবে। লেখাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।]

Read More»

thumbnail

বিশ্বাস রুপ নেয় অবিশ্বাসের

Posted by Unknown  | No comments


কিছু মানুষ জীবনে আসে স্বর্গীয়
উপহার
হয়ে
আবার কিছু মানুষ
আসে জীবনে অভিশাপ
হয়ে । তবে বন্ধুত্তের কোন রুপ নেয় ।
এদের জন্য
দায়িত্ব থেকে যায় , চাইলেও
এদের
থেকে দূরে থাকা যায় না । তবুও
কিছু মানুষ বোঝে না । ফলে বন্ধু
হয়ে যায় শত্রু
। বিশ্বাস রুপ নেয় অবিশ্বাসের
Read More»

thumbnail

আমি যে শুধুই তোমার

Posted by Unknown  | No comments


তোমাকে হারানোর কোন ভয় নেই আমার্, কারণ তুমি কখনই আমার ছিলে না। ভয় হয় শুধু আমি না হারিয়ে যাই তোমারকাছ থেকে। আমি যে শুধুই তোমার ছিলাম্, আছি, থাকবো।।।
তবুও প্রশ্ন তোমার কাছে, কখন কি তুমি হবে না আমার
Read More»

    If you would like to receive our RSS updates via email, simply enter your email address below click subscribe.

Discussion

Blogger template. Proudly Powered by Blogger.
back to top