Showing posts with label সেক্সি নিউজ. Show all posts
Showing posts with label সেক্সি নিউজ. Show all posts
thumbnail

আন্টির প্রেমে পাশ, সেই খেলার রকম কেমন

Posted by Unknown  | No comments

শহরতলির এক ছেলে থাকতে এসেছিল দিল্লি শহরে। সেখানে সে খুঁজে পেল কি? জীবিকার নিশ্চিত আশ্বাস? উঁহু! তার বদলে সে খুঁজে পেল সারিকা আন্টিকে। তারপর? শুরু হল আন্টির সঙ্গে তার দেওয়া-নেওয়ার খেলা। সেই খেলার রকম কেমন, সরাসরি জেনে নিন এই ভিডিও থেকে।.........,.....http://www.youtube.com/watch?v=X81-hgUtD38&feature=player_embedded
Read More»

thumbnail

ডিজিটাল কলগার্ল

Posted by Unknown  | No comments

 পতিতালয় আর পতিতা নিয়ে পূর্বে দুটি গল্প লিখেছি। এবার একটু ভিন্ন দিকে নজর দেয়া যাক। শহরের আধুনিক ফ্লাট আর উচু দালানের রঙ্গীন কাঁচের দেয়ালের ভিতরে চলে আসা ডিজিটাল যৌন ব্যবসার কিছু অজানা কথা। যে কথা হয়ত কখনই জানা হয়ে ওঠেনা।হয়ত মানুষ সেভাবে ভাবেও না। ব্যস্ত এই শহরের পর্দার বাইরের খবর আমরা কেউ রাখতে চাইনা।রাখার প্রয়োজনও পড়ে না। মাঝে মাঝে ভদ্রতার খোলস ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসে কর্পোরেট ঢাকার অন্তরালের কিছু চিত্র।যেখানে অর্থের বিনিময়ে বিকিকিনি হয় কাম,দেহ ভিত্তিক ভালোবাসা নামক এক আপেক্ষিক বস্তু ।এ জগতের মানুষগুলোর খবরও আমরা রাখি না।রাখতেও চাইনা।
এবার আসল কথায় আসি। এসকর্ট এবং কলগার্ল দুটি একে অন্যের পরিপূরক শব্দ। পার্থক্য এসকর্টরা নিদিষ্ট স্থান কিংবা হোটেল নির্ভর নয়। এসকর্টরা চলমান, গতিশীল, আধুনিক ও অদৃশ্য। তাদেরকে আপনি চারপাশে প্রতিনিয়ত দেখেন কিন্তু বুজতে পারেন না।অর্থাৎ কলগার্ল প্রসটিটিউটের আপডেট, মডার্ন ভার্সন এসকর্ট। গেল বছর এসকর্ট বিষয়টি নজরে আসে আমার বন্ধুর মাধ্যমে। এরপর থেকে বিষয়টি জানার কৌতূহল জাগে আমার।অনুসন্ধানী মন আকুলী বিকুলী করে একটু গভীরে জানার জন্য। হয়তো নিষিদ্ধ আর যৌনতার সুড়সুড়ি আছে বলেই!!!
এই শহরে ইদানিংকালে এসকর্ট ব্যবসা খুবই সংগঠিত ও শক্তিশালী। প্রশাসনের নাকের ডগায় হরদম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে কিছু চক্র।রাজধানীর অভিজাত এলাকাসহ প্রায় সব এলাকায় চলছে এসকর্ট বিজনেস।মডেল যোগানদাতা অনেক পরিচালক এবং নামিদামি স্টাররা এই কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে অবিরাম। আর এই ব্যবসায় এসকর্ট-এজেন্ট-ক্লায়েন্ট এই তিনে মিলে একটি ত্রিমাত্রিক সর্ম্পকের তৈরি হয়। একে অন্যের পরিপুরক।ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট নিয়ে থাকেন এমন একজন এসকর্ট এজেন্টের সঙ্গে কথা হয় মাসখানেক আগে। নিজের ফ্ল্যাটেই চলছে তার ব্যবসা। আছে ১০-১২জন এসকর্ট। রাজধানীর নামিদামি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরাও তার সঙ্গে কাজ করে।
জীবনের স্বপ্ন পুরণের সহজ হাতিয়ার এসকর্ট বনে যাওয়া!দীর্ঘদিন এ নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট আর স্টিং অপারেশন করে একটি বিষয় নজর কাড়ল, আর তা হলো পরিচালকদের লোভনীয় ফাঁদে পা দিয়ে, মডেল হওয়ার স্বপ্নে,কামনার বসে কিংবা বন্ধুর মাধ্যমে উঠতি তরুণীরা জড়িয়ে পড়ছে এই পেশায়। সবাই যে টাকার অভাবে এই পেশায় নাম লিখিয়েছে তাও নয়, তবে বেশির ভাগই অর্থের নেশায়।এই এসকর্ট বাজারের ব্যবসা রমরমা, বিনিয়োগ ছাড়াই লাখ লাখ কামানোর সহজ পন্থা। অনেকেই বাড়তি রোজগারের লোভে,ভাল ক্যারিয়ারের আশায়, কারোর কাছ থেকে প্রতারিত হয়ে কিংবা স্বামীর অবহেলায় ক্লান্ত হয়ে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে, নামকরা মডেল বা অভিনেত্রী হওয়ার আশায় এই শহরে গোপনে গোপনে নাম লেখাচ্ছেন এসকর্টের খাতায়। আছেন সিনেমা, টেলিভিশনের মডেল থেকে শুরু করে উঠতি গায়িকা,মডেল ছাড়াও মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত পরিবারের বিবাহিত-অবিবাহিত তরুণীরা।এ যেন চেনামুখের আড়ালে অচেনামানুষ…!!!বাইরের থেকে দেখে কোনভাবেই বোঝার উপায় নেই এরা এসকর্ট।
এসকর্টের পাশাপাশি এদের আলাদা পরিচিতিও রয়েছে। সেই পরিচিতি এদেরকে সমাজে আড়াল করে রাখে। কেউ স্টুডেন্ট, কেউ বিউটিশিয়ান, কেউ প্রাইভেট টিউটর, কেউ বুটিক চালান, কেউ অভিনেত্রী।
আর ক্লায়েন্ট..?? মূলত বেশিরভাগই ব্যবসায়ী,বড় চাকুরীওয়ালা। সাধারণের জন্য এ যেন আকাশ কুসুম কল্পনা।তৃপ্তির সঙ্গে এক রাত্তির পার করতে গুণতে হয় ২৫ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত।যাদের কাঁচা টাকা ওড়াতে কোন বাধা নেই, কেবল তারাই এসকর্টদের নিয়ে মেতে ওঠেন কামনা-বাসনার জমকালো আয়োজনে। সাধারণ মানুষও যে নেই,তাও নয়। তবে সে সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র।
গেল সপ্তাহে কথা হয় এক এসকর্ট এজেন্টের সাথে। জানা গেল, ক্লায়েন্টদের কাছে কম বয়সী স্কুল এবং কলেজের মেয়েদের চাহিদা অনেক বেশি। ফলে এই সব এসকর্ট এজেন্টদের নজর থাকে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল আর স্বনামধন্য স্কুল কলেজগুলোর দিকে।বিভিন্ন ফাঁদ ফেলে স্কুল-কলেজের মেয়েদের কৌশলে বানানো হয় এসকর্ট। অর্থের লোভ দেখিয়ে নতুন নতুন মেয়েদের নেটওয়ার্কে নিয়ে আসতেও যথেষ্ট দক্ষ এই চক্র।
এসকর্ট এজেন্সিগুলো কখনো কখনো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসা চালায়।ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করতে এসকর্টদের যাবতীয় তথ্য, ছবি এবং রেট দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় অনলাইন, বিভিন্ন সাইট, ফেসবুকে পেইজে।তরুণীদের সুযোগ-সুবিধার কথা বলে এসকর্ট হতে প্রলুব্ধ করা হয় এসব সাইটে ।
ক্যাটাগরি অনুযায়ী এসকর্ট পেতে টাকার অঙ্কেও পরিবর্তন আসে।এলিটদের জন্য বুকিং দিলে কমপক্ষে অর্ধলক্ষের ওপরে। তবে সময় বাড়লে রেটের তারতম্য হয়। পছন্দের এসকর্টকে নিয়ে ঢাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ আছে। আছে হিল ট্রাক্টস্, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এমনকি দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়ার সুযোগ। দরকার শুধু টাকা…আর টাকা….।বিদেশী ক্লায়েন্টদেরও মনোরঞ্জন করে থাকেন ঢাকার এসকর্টরা। পছন্দসই এসকর্ট অর্ডার দেয়ার পর রাজধানীতে আয়োজনে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ২ঘণ্টা। পছন্দ না হলে অর্ডার বাতিল ।প্রাইভেসির জন্য শুধু নগদ ক্যাশে বিল।চাহিদা মতো এসকর্ট পেতে ক্লায়েন্টকে পালন করতে হয় বেশ কিছু শর্ত। এরপর অত্যন্ত গোপনীয়তায় কয়েক ধাপ পেরিয়ে পৌছতে হয় আসল ঠিকানায়।যেখানে মাংসের পসরার ন্যায় সাজিয়ে রাখা হয় এসকর্টদের।
hghhjjh1.jpgবর্তমান বিশ্বে যেকোনো পণ্যের চেয়ে সেক্স এবং নারী পণ্যের বাজার রমরমা। শিশু বাদ দিলে চার বিলিয়ন মানুষ এর ক্রেতা কিংবা বিক্রেতা।পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন দুটি জিনিসের চাহিদা কখনোই কমবেন না। তা হলো খাদ্য আর সেক্স।যেখানে জীবন সেখানে খাদ্য, যেখানে মানুষ সেখানেই সেক্স।দুটিই মানুষের মৌলিক চাহিদা।এই চাহিদার যেমন শেষ নাই,তেমন যোগানেরও কমতি নাই।
সবশেষে এটাই বলার এসকর্ট হচ্ছে সমাজে মুখোশের আড়ালে চালিয়ে যাওয়া একটি স্বাধীন পেশা। যেখানে পেশাজীবীরা থাকেন আড়ালে,অন্তরালে। এই সমাজে এদের সংখ্যা একেবারেই কম নয়…..
Read More»

thumbnail

নতুন প্রেমিক সানি লিওনের

Posted by Unknown  | No comments


sunny2.jpg
 অ্যাকশনধর্মী ছবি ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’তে সাধারণ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন সানি লিওন। এ ছবিতে সানির সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন মডেল ও অভিনতা অমিত গৌর। অমিতকে সর্বশেষ ‘ফোর্স’ ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গেছে। রণবীর কাপুর-জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ অভিনীত ‘রয়’ ছবিতে অভিনয় করছেন অমিত।
‘টিনা অ্যান্ড লোলো’তে সানি লিওনের সঙ্গে রোমান্স দৃশ্যে অভিনয় করবেন অমিত। এটাই সানির প্রথম অ্যাকশন ছবি। ছবিটির বেশির ভাগ দৃশ্যের শুটিং রাশিয়া ও জর্জিয়াতেই হবে। ছবিটি পরিচালনা করছেন দেবাং ধোলাকিয়া। এ ছবিতে অভিনয় শুরুর আগে সানিকে বিশেষ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেবাং।
আগস্টের শেষের দিকে শুরু হবে ছবিটির শুটিং। বর্তমানে একতা কাপুরের পরিচালনায় ‘রাগিনী এমএমএস টু’ এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সানি। এ ছবিটির শুটিং শেষ হলেই ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’র শুটিং শুরু করবেন দেবাং। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’ ছবিটি।

দুই বন্ধুর মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে এ ছবিটির কাহিনী গড়ে ওঠেছে। ‘জিসম টু’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে সানির। এতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এর পর ‘শুট আউট এট ওয়াডালা’ ছবিতে একটি আইটেম গানে নেচেছেন এ পর্নোস্টার তারকা। সানি লিওন ও অমিত ছাড়াও ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’তে লোলো চরিত্রে মিনিশা 
Read More»

thumbnail

ঢালিউডের আইটেম গানে অশ্লীল নায়িকারা

Posted by Unknown  | No comments

 বলিউডে বর্তমানে চলছে আইটেম গানের ক্রেজ। ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য সেখানে আইটেম গানের উপরই এখন নির্ভর করে। ছবির আইটেমে বলিউডে টপ হিরোইনদের পারফর্ম করতে দেখা যায়।  ঢালিউডের ছবিতেও হালে যোগ করা হচ্ছে আইটেম গান। কিন্তু প্রথম সারির নায়িকা তো নয়ই, আইটেম গানে নিয়ে আসা হচ্ছে ময়ূরী, পলি, ঝুমকা, মুনমুনের মতো অশ্লীলতার দায়ে বিতর্কিত নায়িকাদের।
অশ্লীলতার দায়ে ঢালিউডের নিষিদ্ধ নায়িকারা আবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে। আইটেম গানে ময়ূরী-পলি-ঝুমকা-মুনমুনকে ব্যবহার করার মাধ্যমে শুরু হয়েছে তাদের পূনর্বাসনের প্রক্রিয়া। ঢালিউডের অভিশাপ এইসব দেহ-সর্বস্ব নায়িকাকে আবার চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন প্রভাবশালী কয়েকজন নির্মাতা-প্রযোজক।
মুক্তি প্রতিক্ষীত ছবি ‘বাংলাভাই’  দিয়ে ময়ূরী এবং ‘মানিক রতন দুই ভাই’ দিয়ে পলি ফের চলচ্চিত্রে ফিরছেন। ছবি দুটোর পরিচালক যথাক্রমে মনোয়ার খোকন এবং কাজী হায়াত। একসময় পর্দা কাঁপানো গরম দুই নায়িকাকে দেখা যাবে আইটেম গানে। পাশাপাশি ঝুমকাও কয়েকদিন আগে নাম চুড়ান্ত না-হওয়া ছবির আইটেম গানের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। জানা গেছে, অশ্লীল আরেক নায়িকা মুনমুনকেও সম্প্রতি একটি বড় প্রডাকশনের ছবিতে আইটেম গানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। পর্দায় একসময় নিজেদের উজার করে দেওয়া এইসব নায়িকাকে আইটেম গানে নির্মাতারা কীভাবে উপস্থাপন করেন, সেটাই হলো দেখার বিষয়।

Read More»

thumbnail

যৌনকর্মীর আত্মকাহিনী

Posted by Unknown  | No comments


এটি কোন কাল্পনিক লেখা নয়। ‘The Life Of A Child Prostitute নামে এই লেখাটি ইংরেজি ভাষায় প্রথম প্রকাশিত হয় মার্চ ২০০৯ সালে, Unicef Bangladesh পরিচালিত মাসিক পত্রিকা Newsletter এর ১১ তম ইস্যুতে। এই লেখাকে ‘১৮+’ ট্যাগ দিলাম না। দিলাম বাস্তবতার ট্যাগ। কারণ এটি এমন এক কিশোরীর বলা কাহিনী, যার নিজেরই এখনো ১৮ পেরোয়নি।আমার বাবা যখন মারা গেলেন, আমার বয়স তখন ছয় কি সাত। তখন থেকেই আমার মায়ের কাঁধে সংসার চালানোর সব দায়িত্ব বর্তায়। তিনি বরিশালেরই দুই-তিনটা বাসায় ঝিয়ের কাজ নেন। মা যখন কাজে যেতেন, আমি ১১ মাস বয়সী আমার ছোট বোনের দেখাশোনা করতাম। আমরা ছিলাম তিনবোন। মেজো বোনের বয়স ছিল আট আর আমার তের।

আমরা চারজন একটা ভাড়া বাড়িতে থাকতাম। কিন্তু সেটার ভাড়া ছিল অনেক বেশি। বাসা বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে আমার মায়ের রোজগার খুব বেশি হত না। তাই প্রায়ই আমাদের তিনবেলা খাবার যোগাড় করতে এমনকি বাড়িভাড়া মেটাতেও হিমশিম খেতে হত। তখন থেকেই আমার মনে এই ভাবনার উদ্রেক ঘটল যে আমাকেও এগিয়ে আসতে হবে সংসার চালানোয় মাকে সাহায্য করতে। তাই আমি ঠিক করলাম আমিও একটা চাকরি করব। কিন্তু এত কমবয়সী একটা মেয়েকে কে চাকরি দেবে? আমি না জানি লেখাপড়া, আর না পারি ভারি কোন কাজ করতে। তারপরও আমি এক বাসায় কাজ নিলাম। কিন্তু ঠিকমত কাজ করতে না পারায় মালকিনের হাতে রোজই মাকে মার খেতে হত। তার অধীনে কাজ করে উপার্জনও খুব একটা হত না। সে শুধু আমাকে একবেলা খেতে দিত। কাজেই সংসার চালানোয় মাকে সাহায্য করা ওই কাজের মাধ্যমে আমার পক্ষে সম্ভব হত না। তাই দুইমাস বাদেই ওই কাজ ছেড়ে আমি একজন যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করা আরম্ভ করলাম।
আমার মা জানতে পারল না আমি কোন পথে নেমেছি। খদ্দেরদের কাছে যখন ‘ঠেক’ খাটতে যেতাম, মাকে বলতাম যে বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি। আর যখন মায়ের হাতে টাকা তুলে দিতাম, মা জানতে চাইত আমি কিভাবে এত টাকা পেলাম। মাকে বলতাম, আমি ইট ভাঙ্গার কাজ নিয়েছি। পাড়া-পড়শী সবাইকেই এই কথা বলে আসছিলাম।
একজন যৌনকর্মী হিসেবে আমার হাতে খড়ি হয় এক প্রতিবেশির মাধ্যমেই। উনাকে আমি ডাকতাম ‘কাকা’ বলে। সেই কাকাই একদিন আমাকে নিয়ে গেলেন এক লোকের কাছে। তিনি আমাকে ওই লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন আমার নতুন ‘কাকা’ হিসেবে। এই লোকটাকে সেদিনই আমি প্রথম দেখেছিলাম।
‘নতুন কাকা’ আমাকে বললেন উনার সাথে যেতে। আমিও গেলাম। এক হোটেলে। সেটাই ছিল আমার প্রথম। অনেক ব্যথা পেয়েছিলাম সেদিন। এরপর থেকে ফি হপ্তায় তিন-চারবার উনার সাথে যেতাম ওই হোটেলে। একদিন উনি আমাকে উনার সাথে উনার বাড়ি নিয়ে গেলেন। সেদিন উনার বাড়িতে অন্য কেউ ছিল না। এরপর থেকে কখনো উনার সাথে হোটেলে যেতে লাগলাম, কখনো উনার বাড়িতে, যখন বাড়িতে তার বউ বা অন্য কেউ থাকত না।
এই ‘নতুন কাকা’ই আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয় নতুন এক লোকের সাথে। সেই লোক একদিন আমাকে নিয়ে গেলেন কুয়াকাটায়। বরিশাল থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে সময় লেগেছিল তিন ঘন্টা। ফেরার পথে সে আমাকে দেয় মাত্র ১০০টাকা। আমি সেদিন খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম। কারণ হাজার টাকার কন্ট্রাক্টে তার সাথে আমি অতদুর গেছিলাম। আমাকে সে ব্যবহার করল ঠিকই কিন্তু শেষে তার বিশ্বাসঘাতকতারও শিকার হলাম। তাকে বাকি টাকা দেয়ার কথা বলতে আমাকে সে কষে একটা চড় মারল। আমি তারপর চুপ করে যাই। কিন্তু এই দুঃখের কথা কখনো কাউকে বলতে পারিনি।
আমি কনডম ব্যবহার করতাম না। আমি ভাবতাম, দেড়-দুই ঘন্টার নরক যন্ত্রনা ভোগ করে পাচ্ছিই তো মাত্র একশ টাকা। তার থেকে আবার ৫০ টাকা কনডমের পেছনে নষ্ট করলে আমার হাতে তো আর কিছুই থাকে না। আমার খদ্দেররাও কনডম ব্যবহারে খুব একটা সচেতন ছিল না।
সাধারণত বয়স্করাই আমাকে ভাড়া করত। তাদের বয়স থাকত ৪০-৪৫ এর মধ্যে। এদের কেউই খুব একটা বড়লোক ছিল না। আমার প্রতিবেশি কাকাই এদের সাথে আমার যোগাযোগে দালালের কাজ করতেন। মাঝেমধ্যে কাকাও আমাকে ব্যবহার করতেন। কিন্তু এর বিনিময় তিনি আমাকে কিছু দিতেন না। তার কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করলে তিনি আমাকে ভয় দেখিয়ে বলতেন যে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমার মাকে বলে দেবেন আমি কি করি। তাই বাধ্য হয়েই আমাকে মুখ বুজে এসব অত্যাচার সহ্য করতে হত। আবার দালালির বিনিময় মাস শেষে কাকা আমার কাছ থেকে মোটা টাকাও হাতিয়ে নিতেন। সেই একই ভয় দেখিয়ে!
আমার খুব কষ্ট হয়। এ কষ্ট যে শুধু শারীরিক, তা নয়। মানসিক কষ্টও বটে! মাসিকের (পিরিয়ড) সময়ও যখন ‘খেপ’ খাটতে হয়, তখন আমার খুবই রক্তক্ষরণ হয়। কিন্তু এ দেখে খদ্দেররা কিন্তু একটুও সহায় হয় না। তারা সবসময় ব্যস্ত থাকে তাদের পয়সা উসুল করতে। আরও মজার বিষয়, এই জঘন্য কাজ আরম্ভের আগে আমার মাত্র দুইবার মাসিক হয়েছিল। তাহলেই বুঝুন, কত কম বয়সে আমার জীবনটা নরকে পরিণত হয়েছে!

আমি চাই এই কাজ থেকে সরে আসতে। কিন্তু জানি, আমার এই ইচ্ছে পূরণ হবার নয়। প্রথমত, অর্থের খুব অভাব আমার। আর দ্বিতীয়ত, এ এমনই এক পেশা যাতে ঢোকা অনেক কঠিন। কিন্তু এ থেকে বেরোনো? সেটা প্রায় অসম্ভব।
Read More»

thumbnail

বিড়ালের সঙ্গে তরুণীর সেক্স

Posted by Unknown  | No comments

কয়েকদিন আগেই বিড়ালের সঙ্গে সেক্স করে হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছেন। ২২ বছর বয়সী এ তরুণী এখন পুলিশী হেফাজতে রয়েছেন। শুধু বিড়ালের সঙ্গে সেক্স নয়, অতঃপর এক প্রতিবেশীর দেখে ফেলে এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন ক্রিস্টিনা।প্রতিবেশি এলমার মরিসন জানালা দিয়ে ক্রিস্টিনা ও তার পোষ্য বিড়ালের সেক্সের দৃশ্য দেখে ফেলেন। এরপরে রাগান্বিত ক্রিস্টিনা ছুরি নিয়ে মরিসনকে হুমকি দেন- ‘তুমি কি মরতে চাও?’।
কিন্তু নাছোড়বান্দা মরিসনও কম যান না। তিনি পুলিশকে ফোন করেন এবং সব ঘটনা খুলে বলেন। পুলিশ এসে গ্রেফতার করেন ক্রিস্টিনাকে।
মরিসনকে হুমকি দেয়ার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্রিস্টিনা বলেন- ‘আমি বিড়ালের সঙ্গে সেক্স করছিলাম। এই দৃশ্য মরিসন দেখে ফেলেন এবং সবাইকে বলে দেন।’
তবে মরিসনকে ক্রিস্টিনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিড়ালটি সম্পর্কে কিছু জানি না। কিন্তু ক্রিস্টিনা অপ্রকৃতস্থ এবং উনি আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন।’

ক্রিস্টিনাকে বিপদজনক অস্ত্র রাখার অভিযোগে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। কুকো ডট কম
Read More»

thumbnail

সানিলিওন গর্বিত পর্নোতারকা হিসেবে

Posted by Unknown  | No comments

পর্নোতারকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা বলিউডি অভিনেত্রী সানি লিওনি জানিয়েছেন, নিজের অতীত নিয়ে লজ্জা নয়, গর্ববোধ করেন তিনি। খবর এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের।
একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সানি জানান- অতীত নিয়ে লজ্জিত নন তিনি। আগের পেশার কারণেই বর্তমানে বলিউডে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন তিনি।
সানি বলেন- আমি এখন যেখানে আছি তার পিছনে আমার অতীতের অনেক বড় অবদান রয়েছে। তাই একেবারেই লজ্জিত নই আমি।
পর্নোতারকা হিসেবে পরিচিত ছিলাম বলেই ২০১২-এর ইরোটিক থ্রিলার ‘জিসম টু’-এর মাধ্যমে বলিউডে খুব সহজে জনপ্রিয় হতে পেরেছি।
এর আগে বিশ্বব্যাপী তার পরিচিতি ছিল একজন ইন্দো-কানাডিয়ান পর্নোতারকা হিসেবে। একজন পর্নোঅভিনেত্রীর বলিউডে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল টিনসেল জুড়ে।
সানির পাশাপাশি সে সময় সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ‘জিসম টু’-এর পরিচালক পুজা ভাটও। সমালোচকদের মতে সানিকে বলিউডে নিয়ে আসার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে পর্নোসিনেমা দেখার বিষয়ে উৎসাহিত করা হয়েছে
Read More»

thumbnail

যুবক-যুবতীরা লিভ টুগেদারে আগ্রহ

Posted by Unknown  | No comments


যুবক-যুবতীরা লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ কারণে বাড়ছে খুনের মতো অপরাধও। গ্রাম থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থীও ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে লিভ টুগেদার করছে অনেকে। সমাজবিজ্ঞানীরাও স্বীকার করছেন পাশ্চাত্য দুনিয়ার ওই ধারণা অনেকটা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকায়। এ রকম এক জুটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। একই বিভাগে, একই ক্লাসে পড়তেন। গভীর বন্ধুত্ব তখন থেকেই। দু’জনই মেধাবী। রেজাল্টও ভাল। বন্ধুটি এখন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বান্ধবী পিএইচডি করছেন, এখনও শেষ হয়নি। থাকছেন বনানী এলাকার একটি অভিজাত ফ্ল্যাটে। ফ্ল্যাটটিও নিজেদের। লিভ টুগেদার করছেন। নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ে করবেন না। দু’জনই চেষ্টা করছেন ইউরোপের একটি দেশে যেতে। বিত্তবান ঘরের সন্তান তারা। বন্ধুটির বাড়ি ছিল ফেনীতে, বান্ধবীর ঢাকায়।
শাহানা তার নতুন নাম। এ নামে কেবল জর্জই তাকে চেনে। জর্জকে ওই নামে অন্য কেউ চেনে না। এটা শাহানার দেয়া নাম। একে অপরকে দেয়া নতুন নামেই তাদের বাড়ি ভাড়া নেয়া উত্তরা এলাকায়। চাকরিজীবী দু’জনই। এক সময়ে চাকরি করতেন এই সংস্থায়। সেখান থেকে পরিচয় ঘনিষ্ঠতা। এখন তারা চাকরি করছেন পৃথক দু’টি বৈদেশিক সাহায্য সংস্থায়। উচ্চ বেতনে চাকরি। অফিসের গাড়ি। শাহানা ইংরেজি সাহিত্যে এমএ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। জর্জ পড়াশোনা করেছেন ভারতের নৈনিতালে, বিজ্ঞান অনুষদের একটি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। বছর পাঁচেক আগে ঢাকায় ফিরে চাকরি নিয়েছেন। লিভ টুগেদার করছেন। বিয়ের প্রতি আগ্রহ নেই তাদের। শাহানা ইউরোপ-আমেরিকায় পাড়ি জমাতে চান। সেখানে তার পরিবারের বেশির ভাগ লোক বসবাস করছে। শাহানার চিন্তা বিয়ে মানেই একটি সংসার, ছেলেমেয়ে, স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি। এখনই এগুলোর কথা ভাবতে গেলে তার ক্যারিয়ার হোঁচট খাবে, বিদেশে যাওয়া না-ও হতে পারে। এ কথাগুলো সে খুলে বলেছে জর্জকে। জর্জ রাজি হওয়ায় এক সঙ্গে থাকছেন তারা চার বছর ধরে। খাওয়া-দাওয়ার খরচ দু’জনে মিলে বহন করেন। সব কিছুই হয় দু’জনে শেয়ার করে। মনোমালিন্য হয় না তা নয়, হয় আবার তা মিটেও যায়। এভাবেই চলছে চার বছর ধরে।
একটি মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষে পড়াশোনা করছেন তারা। বসবাস করছেন ধানমন্ডির একটি ফ্ল্যাটে। ছেলেমেয়ে দুজনই ধনাঢ্য পরিবারের। দু’বছর ধরে লিভ টুগেদার করছেন। পড়শিরা জানে, স্বামী-স্ত্রী। অন্যদের সঙ্গে সেভাবেই নিজেদের পরিচয় দেন। যশোরের একটি গ্রাম থেকে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে এসেছেন ওরা। পরিচয় তাদের স্কুল থেকে। ঢাকায় এসে প্রথম দু’বছর দু’জন থাকতেন আলাদা বাড়ি ভাড়া করে। এখন দু’জন মিলে থাকছেন একই বাসায়। ভাড়া দেন দু’জনে শেয়ার করে। গত এক বছর ধরে লিভ টুগেদার করছেন তারা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় লিভ টুগেদারের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। ঢাকার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজগুলোর ছাত্র-শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এমনকি সাধারণ কর্মচারীরা পর্যন্ত লিভ টুগেদার করছে। শোবিজে লিভ টুগেদার এখন সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। জাতীয় ভাবে পরিচিত শোবিজের অনেক স্টার এখন লিভ টুগেদার করছেন। দেশব্যাপী পরিচিত দু’জন নৃত্যশিল্পীর লিভ টুগেদারের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট শোবিজে। একজন পরিচিত কণ্ঠশিল্পী গত পাঁচ বছর ধরে লিভ টুগেদারের পর আপাত বিচ্ছেদ ঘটিয়ে এখন থাকছেন আলাদা। শোবিজের নাট্যাঙ্গনের চার জোড়া নতুন মুখ লিভ টুগেদার করছেন বছরখানেক ধরে। তাদের পরিচিত ও নিকটজনরা জানেন তাদের লিভ টুগেদার সম্পর্কে। নিজেদের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তারা কেউ আপাতত বিয়ের কথা ভাবছেন না। শোবিজে ছেলেমেয়ে উভয়ের উচ্চাসনে যাওয়ার পথে বিয়েকে একটি বড় বাধা মনে করেন তারা।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত দুই তিন বছরের মধ্যে ঢাকায় লিভ টুগেদারেরও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে লিভ টুগেদারের বেশির ভাগ ছিল সমাজের উচ্চ স্তরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে। এখন লিভ টুগেদারের প্রবণতা বেড়েছে মধ্যবিত্ত সমাজে। সদ্য গ্রাম থেকে এসে ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া ছেলেমেয়েরা লিভ টুগেদার করছে। কেবলমাত্র পড়াশোনা শেষ করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে কিন্তু তাদের কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি এমন অনেক মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়েরা ঢাকায় লিভ টুগেদার করছে। ঢাকার একটি নামকরা মেডিকেল কলেজের একজন শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদককে বলেন, তার জানা মতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম করে হলেও এক শ’ জোড়া ছেলেমেয়ে লিভ টুগেদার করছে। বিষয়টি তাদের কাছে ওপেন সিক্রেট হলেও কেউ কাউকে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে না। ওই শিক্ষার্থী লিভ টুগেদারকে খারাপ কিছু মনে করেন না। তার ভাষায় দু’জনের মতের মিলেই তারা লিভ টুগেদার করে। এখানে অপরাধ কিছু নেই। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ ক’জন শিক্ষক-শিক্ষিকা লিভ টুগেদার করছেন। তাদের লিভ টুগেদারের কথা জানে তাদের অনেক ছাত্রও। ওই শিক্ষকদের একজন তার এক নিকটজনের কাছে বলেছেন, লিভ টুগেদারকে তিনি বরং গর্বের বিষয় মনে করেন।
ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন, বর্তমানে বসবাস করছেন গুলশান এলাকায়। চাকরি করেন একটি বিদেশী সাহায্য সংস্থায়। এর আগে তার কর্মস্থল ছিল পাপুয়া নিউগিনিতে। তিন বছর ধরে ঢাকায় আছেন। লিভ টুগেদার করছেন তারই এক সহকর্মী নারীর সঙ্গে। ওই ভদ্রলোক এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা দু’জনই বাংলাদেশী। তবে আমাদের কর্মক্ষেত্র আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে পোস্টিং হয়। এখন বাংলাদেশে আছি, এক বছর পর অন্য কোথাও যেতে হতে পারে। সে কারণে আমরা দু’জনই ঠিক করেছি লিভ টুগেদার করতে। তাছাড়া, লিভ টুগেদারের ধারণা খারাপ নয়, আমরা কেউ কারও বোঝা নই, আইনি বন্ধনও নেই। কারও ভাল না লাগলে তিনি এক সঙ্গে না-ও থাকতে পারেন। এতে কোন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে এ প্রবণতার কিছু কারণ জানা গেছে। তাদের মতে, যে সব মেয়ে নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করে, নিজেদেরকে ইউরোপ-আমেরিকা বা দেশের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা এখনই বিয়ে করে ছেলেমেয়ের ভার নিতে চায় না। সংসারের ঘানি টানতে চায় না। ওই সব মেয়ে নিজেদেরকে বিবাহিত বলে পরিচয় দিলে তাদের ক্যারিয়ার গড়তে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করে। এমন অনেক ছেলেও আছে যারা ওই সব মেয়ের মতো ধারণা পোষণ করে না তারা কেবলমাত্র জৈবিক কারণে লিভ টুগেদার করছে। অর্থবিত্তে বা চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত এমন অনেকে লিভ টুগেদার করছে কেবলমাত্র সমাজে তার একজন সঙ্গীকে দেখানোর জন্য, নিজের একাকিত্ব ও জৈবিক তাড়নায়। অনেকে বিয়ের প্রতি প্রচণ্ড রকম অনাগ্রহ থেকেও লিভ টুগেদার করছে। ঢাকা শহরের একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতির কন্যা ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন একজন বিদেশী নাগরিকের সঙ্গে।
ওই শিল্পপতির কন্যার প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে সংসার জীবনের পাট চুকিয়ে এখন বিদেশী নাগরিকের সঙ্গে লিভ টুগেদার করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় ব্যাপক হারে বেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছেলেমেয়েদের লিভ টুগদোর। ওয়েস্টার্ন সোসাইটির প্রতি এক ধরনের অন্ধ আবেগ ও অনুকরণের পাশাপাশি জৈবিক চাহিদা মেটাতে তারা লিভ টুগেদার করছেন। আবার ঘন ঘন তাদের লিভ টুগেদারে বিচ্ছেদও ঘটছে। সহসা আলাদা হয়ে যাচ্ছে। ঘটছে খুনের মতো অপরাধ। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত এক বছরে রাজধানীতে দশটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশি অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে এসেছে ওইসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল লিভ টুগেদারের বিড়ম্বনা।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খুনের শিকার হয়েছে মেয়েরা। দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এরা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে। এক পর্যায়ে মনোমালিন্য বা মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে খুন করে পালিয়েছে ছেলেটি। চলতি বছর জুলাই মাসে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় খুন হয় সুরাইয়া নামের এক যুবতী। তিনি চাকরি করতেন একটি বেসরকারি সংস্থায়। তাকে খুন করে বাসায় লাশ রেখে বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে চলে যায় যুবক সুমন রহমান। পরে জানা যায়, প্রায় বছর খানেক ধরে লিভ টুগেদার করতেন সুমন ও সুরাইয়া। এপ্রিল মাসে এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ পাওয়া যায় গাজীপুরের শালবন এলাকায়।
পুলিশ অনুসন্ধানে জানা যায়, উত্তরা এলাকায় একটি বাড়িতে দুই-তিন বছর ধরে এক যুবকের সঙ্গে সে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া থাকতো। মে মাসে রাজধানীর গুলশান এলাকায় বাসার ভেতরে এক তরুণীকে খুন করে পালিয়ে যায় ঘাতক। তারাও ভাড়া থাকতো স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। মে মাসে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে এক তরুণীর গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, ঢাকার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ওই তরুণী লিভ টুগেদার করতো তারই এক বন্ধুর সঙ্গে।
মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে মনোমালিন্য শুরু হয় তাদের মাঝে। শেষে মেয়েটিকে খুন করে পালিয়ে যায় বন্ধুটি। গত ১লা নভেম্বর রর‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয় ম্যারেজ মিডিয়ার দুই পার্টনার। ফরিদপুর শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে একই শহরের আরেকটি মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে লিভ টুগেদার করছে। পারভীন নামের মেয়ে ও আরিফ নামের ছেলেটি অকপটে স্বীকার করেছে তারা লিভ টুগেদার করছে এবং এক সঙ্গে ম্যারেজ মিডিয়ার ব্যবসা করছে।
ঢাকাতে লিভ টুগেদার বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহ এহসান হাবীব বলেন, বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের প্রভাবে নানা ধরনের মুভি সিনেমাডকুমেন্টারি আমাদের সমাজমানসে পাশ্চাত্য জীবনের নানা দিক প্রভাব ফেলছে, অনেকে সেটা গ্রহণ করছে। তার সঙ্গে আমাদের সমাজে ইন্ডিভিজ্যুয়াল বা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের চিন্তা ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে লিভ টুগেদারের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও অনেক যুবক-যুবতী এখন ফ্যামিলিকে একটা বার্ডেন মনে করে, বিয়েকে তাদের ক্যারিয়ারের অন্তরায় মনে করে। দেখা যাচ্ছে, এরা বিয়ের চেয়ে লিভ টুগেদারকে বেশি পছন্দ করছে।
এতে তাদের জৈবিক চাহিদাও মিটছে আবার সামাজিক নিরাপত্তাও পাচ্ছে। তারা সুখে দুঃখে একজন আরেক জনের সঙ্গী হচ্ছে। মধ্যবিত্তদের লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে ওঠা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা শহরে এখন বাড়ি ভাড়া একটি বড় সমস্যা।
বাইরে থেকে পড়তে আসা বা চাকরি করতে আসা যুবক বা যুবতীকে বাড়ির মালিক আলাদা আলাদা বাড়ি ভাড়া দিতে চায় না। সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, এরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে এক সঙ্গে থাকছেন, লিভ টুগেদার করছেন। এতে তাদের জৈবিক চাহিদাও মিটছে আবার সামাজিক নিরাপত্তাও থাকছে। আবার অনেক ছেলেমেয়ে মনে করছে লিভ টুগেদার করে কয়েক বছর কাটিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তারা আবার অবিবাহিত পরিচয়ে সমাজে ফিরে যাবে যাতে সমাজে তাদের মর্যাদা ঠিক থাকে। তিনি বলেন, তবে এতে সমস্যা হচ্ছে সমাজে এক ধরনের ক্রাইম তৈরি হচ্ছে, কোন কারণে বনিবনা না হলে খুন হয়ে যাচ্ছে মেয়ে বা ছেলেটি।
Read More»

thumbnail

ঋতু মজেছেন নারীর শরীরে

Posted by Unknown  | No comments


তৃষ্ণা কীসে মেটে? আমরা তার কী জানি; এ কথা ভাল বলতে পারবেন কেবল অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় আর ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত! এসবের মধ্যে অন্য কিছু খুঁজতে না যাওয়াই উচিত; কেননা পুরুষ ছেড়ে ঋতু এবার মজেছেন নারীতে। সত্যি সত্যি অবশ্যই নয়; এ সবই অগ্নিদেবের আগামী ছবির জন্য। ছবির নাম ‘তিন কন্যা’। স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে কী করে ঋতু মজে গেলেন ২০১০-র মিস ইন্ডিয়া ইস্ট উন্নতি দাবারা-র শরীরে…
পুলিশ-পুলিশ খেলা : ঋতুপর্ণা আর উন্নতি।
আয় তবে সহচরী : ঋতুপর্ণা আর উন্নতি।
দুঃসহ তৃষ্ণা : ঋতুপর্ণা আর উন্নতি।
খুঁজে ফেরে মনের মানুষ : ঋতুপর্ণা।
Read More»

thumbnail

একই সঙ্গে তিন জনের সাথে সানি লিওনের না

Posted by Unknown  | No comments


‘জ্যাকপট’ ছবিতে একই সঙ্গে তিন জনের যৌন দৃশ্যে অভিনয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সাবেক পর্নো তারকা ও বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওন।
sunny-leoneygy.jpgজানা যায়, কিছু দিন আগে কাইজাদ ‘জ্যাকপট’ ছবিতে একই সঙ্গে দুজন নারী ও একজন পুরুষের যৌনদৃশ্যে সানি লিওনকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তবে সানি তা প্রত্যাখান করে জানান, তিনি কেবল পুরুষের সঙ্গেই এ ধরনের ঘনিষ্ট দৃশ্যে অংশ নিতে রাজি আছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো মেয়ে থাকবে না। ছবিটিতে সানির বিপরীতে শচীন যোশির অভিনয় করার কথা রয়েছে।তবে দ্বিতীয় নারী চরিত্রে ঠিক কার কাজ করার কথা রয়েছিল তা পরিষ্কার নয়।
sunny_leone_hot_photos_hfht.jpgsunny-leoneggg.jpgএ ব্যপারে অভিনেতা শচীন যোশি জানান, ছবিটি তিন জন নর নারীর ত্রিমুখী আবেগের গল্প। একজন আরেকজনের কাছে হারে আবার পরক্ষণেই জিতে যায়। এটি অনেকটা রাশান রুলেতের মতো স্মার্ট একটি খেলা।ছবিতে নাসিরুদ্দিন শাহ, সানি ও আমি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছি।
Read More»

thumbnail

লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ

Posted by Unknown  | No comments

লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ চিরন্তন। প্রাকৃতিক নিয়মেই নারী-পুরুষের সম্পর্ক যুগে যুগে চলে আসছে।কিন্তু ওই পুরুষই এক সময় নারীর জীবনে ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। এমনটাই মনে করেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর।বলিউডের ফ্যাশন আইকন, ইয়ং, প্রাণবন্ত তারকা সোনম। কিন্তু ভালোবাসার মানুষটিকে ঘিরে আছে ধূম্রজাল। ২৮ বছর বয়সে এখনো তিনি একা। হয়তো মনের মতো মানুষ খুঁজে পাননি, বা আছে কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতা! কিন্তু সোনম সাফ জানিয়ে দিলেন, তার মনের জায়গাটিতে এখনো কেউ পৌঁছতে পারেনি। কিন্তু সোনমের এর পরের বাক্যটিতে লাগে ধাক্কা। অনেকটা জীবন থেকে যেন প্রেম বাষ্প হয়ে যাওয়ার মতো! পুরুষরাই নাকি নারীদের ক্ষতি করে।তাই তিনি পুরুষদের কাছে ছবির প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা ভেড়েন না।সোনম সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি পান নারীদের সঙ্গে কাজ করে। নারীদের সঙ্গ তাকে আনন্দিত করে। সব সময় নারীদের ঘিরে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি। এমনটাই জানালেন আইএএনএস এর এক সাক্ষাতকারে সোনম।
তবে সোনম মনে করেন তিনি মোটেও ভুল পথে পা বাড়াচ্ছেন না। তার স্টাইলের ধরনে, কিংবা কাজে কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্তে। তার জীবনে তার বাবা অনিল আদর্শ। তিনি বরাবরই চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন, আর তাতে নতুন কিছুর সন্ধান পান। হয়তো সে কারণেই সোমনকে প্রতিবারই নতুন কোনো ফ্যাশনে দেখা যায়।

তবে সোনম ইতিমধ্যেই করেছেন বেশ কয়েকটি ছবি। এরমধ্যে ‘সাওয়ারিয়া’,'দিল্লি সিক্স’ ও ‘প্লেয়ার্স’,‘থ্যাংক ইউ’, ‘মাসুম’ আর ‘প্লেয়ার’ বিশেষ। তার ছবি খুব বেশি হিট না হলেও তিনি থেমে থাকেননি। কিছুদিন বিরতির পর আবারো তাকে দেখা যাবে আপকামিং ‘রঞ্জনা’,'খুব সুরত’ ছবিতে। তবে ছবির অভিনেতাদের কাছ থেকে দূরে থাকেন তা কিন্তু নয়, বরং অভিনেতারা সোনমের ভালো বন্ধু।
Read More»

thumbnail

লক্ষ পুরুষ বুকে নিয়ে

Posted by Unknown  | No comments

 ছেলেদের বুকের পশম দিয়ে তৈরী করা হয়েছে জ্যাকেট; এবং তা এখন বিক্রির জন্য বাজারে। নাহ, গল্প নয়, সত্যিই এমনটি হয়েছে ইংল্যান্ডে। এর মূল্য ২৫০০ বৃটিশ পাউন্ড।
মেয়েরা এই জ্যাকেটটি উপভোগ করবে বলে আশা করছে ডিজাইন হাউজ। তবে কত পূরুষের কত লক্ষ বুকের পশম দিয়ে তৈরী এই বিশেষ জ্যাকেট তা জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।
Read More»

thumbnail

নিলামে উঠেছে মনরোর অপ্রকাশিত নগ্ন ছবি

Posted by Unknown  | No comments

বিখ্যাত ক্যামেরাম্যান বার্ট স্টার্নের তোলা মেরিলিন মনরোর দুর্লভ কিছু ছবি নিলামে বিক্রি হবে। যে ছবিগুলো স্টার্ন কোন দিনই প্রকাশ করেননি। আর যাতে রয়েছে মেরিলিন মনরোর অনেক আবেদনময়ী নগ্ন ছবি। ডেইলি মেইল
১৯৬২ সালে বেল এয়ার হোটেলের ঘরে তিন দিন ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন মনরো ও বার্ট স্টার্ন। তুলেছিলেন আড়াই হাজারেরও বেশি কিছু ছবি। ছবির নাম ‘দ্য লাস্ট সিটিং’। শেষই বটে। জুন মাসের ওই শ্যুটিংয়ের সপ্তাহ খানেক পরেই মারা যান মনরো। গত বুধবারও ৮৩ বছর বয়সে চলে গেলেন স্টার্নও। তবে কারও না কারও বসার ঘরে বেঁচে থাকবে স্টার্ন-মনরোর ক্যামেরায় যুগলবন্দি। রয়ে যাবে ফটো-প্রেমীদের মনের মণিকোঠায়।
স্টার্নের তোলা আড়াই হাজার ছবির বেশি কিছু ‘দ্য লাস্ট সিটিং’ নামে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮২ সালে। পরে ২০০০ সালে প্রকাশ হয় ‘মেরিলিন মনরো: দ্য কমপ্লিট লাস্ট সিটিং’। তবে স্টার্ন যতই ‘কমপ্লিট’ বলুন না কেন, ছবির ঝুলি মোটেই উজাড় করে দেননি তিনি। লুকিয়ে রেখেছিলেন বেশ কিছু বিতর্কিত দৃশ্য মনরোর কিছু নগ্ন ও অর্ধনগ্ন ছবি।
তবে স্টার্ন রীতিমতো স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, “মনরো যদি না চাইতেন, কখনওই নগ্ন ছবিগুলো তুলতাম না।” সে সব ছবিই এ বার নিলামে উঠতে চলেছে। এক-একটার দাম ধার্য করা হয়েছে ১০ থেকে ১৫ হাজার ডলার।
Read More»

thumbnail

অতীত ভুলে সুখেই আছি সানি লিওন

Posted by Unknown  | No comments


সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হিসেবে বলিউডের অন্যসব নায়িকাকে পেছনে ফেলে একাই দাঁড়িয়ে গেছেন পর্নোস্টার সানি লিওন।পর্নো ছবি থেকে মহেশ ভাটের জিসম-২ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ তার। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ কানাডীয় পর্নোতারকা হিসেবেও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু সে অতীত পেছনে ফেলে একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।ভারতের বাইরে থেকে এসে বলিউডে অভিনয়ের সঙ্কটগুলো কী কী বলে আপনার কাছে মনে হয়?অন্যদের কথা বলতে পারবো না। তবে আমি আমার কথা যদি বলি তবে বলবো, আমি ভারতে এসে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। আমি আমার স্বপ্নকে সফল করতেই সব পেছনে ফেলে চলে এসেছি।কীভাবে আপনি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতে পারছেন?আমার জীবনে আমি দুইজন মানুষকে পেয়েছি যারা নিজেকে ধীর স্থির রাখতে এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বুঝি যে আমার জীবনে আরো অনেক খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। জীবনবদল করে আমার এ অনুভূতি হয়েছে যে, পরিবার এবং আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমার জীবনটা এখন অনেক সুন্দর এবং পরিপূর্ণ।অবশ্য কালকেই যদি আমি এগুলো হারিয়ে ফেলি তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে কারণ, আমি বিশ্বাস করি জীবনে প্রত্যেকটা পরিবর্তনই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় কীভাবে করা উচিৎ? এ ব্যাপারে অন্যদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?নিশ্চয়ই আপনার কিছু শখ থাকা উচিৎ। এই বিনোদনের জগতে কখনো এমন হয় যে, আপনাকে একটানা প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। আবার কখনো হয়তো কয়েক সপ্তাহ কোনো কাজ থাকে না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে উত্তাল কিছু সময় কাটান। তবে অতিরিক্ত পান এবং ড্রাগ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা আপনার মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় কাজে দেবে।আপনি কি মনে করেন একজন অভিনেত্রীর পারিবারিক সমর্থন দরকার, নাকি তাদের উপেক্ষা করেই কাজ করা সম্ভব?প্রত্যেকের জীবনই আলাদা। তাই আমি শুধু আমার নিজের কথাই বলতে পারি। আমি সবচেয়ে সচ্ছন্দে কাজ করতে পারি যখন আমার স্বামী আমার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু আমি একা থাকলেও যে খারাপ থাকি তা কিন্তু না। আমি প্রচন্ড চাপের মধ্যেও কাজ করতে পারি এবং তাৎক্ষণিক সমাধান বের করে ফেলতে পারি। জীবনের এ পর্যাবয়ে এসে আমি আর কখনোই নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট নই।আমি ভারতে এসে দারুণ কিছু মানুষকে পেয়েছি যাদের আমি বিশ্বাস করতে পারি। বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য যেমন নিজস্বতা থাকতে হয় তেমনি এ জগতটাকে পরিবারের মতো করেই নিতে হয়। কিন্তু অবশ্যই এটা স্বীকার করতে হবে যে, আমার স্বামী আমার জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে আমার মতো হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হিসেবে বলিউডের অন্যসব নায়িকাকে পেছনে ফেলে একাই দাঁড়িয়ে গেছেন পর্নোস্টার সানি লিওন।
পর্নো ছবি থেকে মহেশ ভাটের জিসম-২ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ তার। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ কানাডীয় পর্নোতারকা হিসেবেও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু সে অতীত পেছনে ফেলে একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।ভারতের বাইরে থেকে এসে বলিউডে অভিনয়ের সঙ্কটগুলো কী কী বলে আপনার কাছে মনে হয়?
অন্যদের কথা বলতে পারবো না। তবে আমি আমার কথা যদি বলি তবে বলবো, আমি ভারতে এসে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। আমি আমার স্বপ্নকে সফল করতেই সব পেছনে ফেলে চলে এসেছি।কীভাবে আপনি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতে পারছেন?আমার জীবনে আমি দুইজন মানুষকে পেয়েছি যারা নিজেকে ধীর স্থির রাখতে এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বুঝি যে আমার জীবনে আরো অনেক খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। জীবনবদল করে আমার এ অনুভূতি হয়েছে যে, পরিবার এবং আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমার জীবনটা এখন অনেক সুন্দর এবং পরিপূর্ণ।অবশ্য কালকেই যদি আমি এগুলো হারিয়ে ফেলি তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে কারণ, আমি বিশ্বাস করি জীবনে প্রত্যেকটা পরিবর্তনই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় কীভাবে করা উচিৎ? এ ব্যাপারে অন্যদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?
নিশ্চয়ই আপনার কিছু শখ থাকা উচিৎ। এই বিনোদনের জগতে কখনো এমন হয় যে, আপনাকে একটানা প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। আবার কখনো হয়তো কয়েক সপ্তাহ কোনো কাজ থাকে না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে উত্তাল কিছু সময় কাটান। তবে অতিরিক্ত পান এবং ড্রাগ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা আপনার মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় কাজে দেবে।
আপনি কি মনে করেন একজন অভিনেত্রীর পারিবারিক সমর্থন দরকার, নাকি তাদের উপেক্ষা করেই কাজ করা সম্ভব?প্রত্যেকের জীবনই আলাদা। তাই আমি শুধু আমার নিজের কথাই বলতে পারি। আমি সবচেয়ে সচ্ছন্দে কাজ করতে পারি যখন আমার স্বামী আমার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু আমি একা থাকলেও যে খারাপ থাকি তা কিন্তু না। আমি প্রচন্ড চাপের মধ্যেও কাজ করতে পারি এবং তাৎক্ষণিক সমাধান বের করে ফেলতে পারি। জীবনের এ পর্যাবয়ে এসে আমি আর কখনোই নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট নই।আমি ভারতে এসে দারুণ কিছু মানুষকে পেয়েছি যাদের আমি বিশ্বাস করতে পারি। বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য যেমন নিজস্বতা থাকতে হয় তেমনি এ জগতটাকে পরিবারের মতো করেই নিতে হয়। কিন্তু অবশ্যই এটা স্বীকার করতে হবে যে, আমার স্বামী আমার জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে আমার মতো হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন।সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হিসেবে বলিউডের অন্যসব নায়িকাকে পেছনে ফেলে একাই দাঁড়িয়ে গেছেন পর্নোস্টার সানি লিওন।
পর্নো ছবি থেকে মহেশ ভাটের জিসম-২ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ তার। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ কানাডীয় পর্নোতারকা হিসেবেও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু সে অতীত পেছনে ফেলে একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেছেন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।ভারতের বাইরে থেকে এসে বলিউডে অভিনয়ের সঙ্কটগুলো কী কী বলে আপনার কাছে মনে হয়?
অন্যদের কথা বলতে পারবো না। তবে আমি আমার কথা যদি বলি তবে বলবো, আমি ভারতে এসে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। আমি আমার স্বপ্নকে সফল করতেই সব পেছনে ফেলে চলে এসেছি।কীভাবে আপনি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতে পারছেন?আমার জীবনে আমি দুইজন মানুষকে পেয়েছি যারা নিজেকে ধীর স্থির রাখতে এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে ভুলে থাকতে সাহায্য করেছে। এখন আমি বুঝি যে আমার জীবনে আরো অনেক খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারতো। জীবনবদল করে আমার এ অনুভূতি হয়েছে যে, পরিবার এবং আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমার জীবনটা এখন অনেক সুন্দর এবং পরিপূর্ণ।অবশ্য কালকেই যদি আমি এগুলো হারিয়ে ফেলি তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে কারণ, আমি বিশ্বাস করি জীবনে প্রত্যেকটা পরিবর্তনই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় কীভাবে করা উচিৎ? এ ব্যাপারে অন্যদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?
নিশ্চয়ই আপনার কিছু শখ থাকা উচিৎ। এই বিনোদনের জগতে কখনো এমন হয় যে, আপনাকে একটানা প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। আবার কখনো হয়তো কয়েক সপ্তাহ কোনো কাজ থাকে না। এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে উত্তাল কিছু সময় কাটান। তবে অতিরিক্ত পান এবং ড্রাগ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা আপনার মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় কাজে দেবে।
আপনি কি মনে করেন একজন অভিনেত্রীর পারিবারিক সমর্থন দরকার, নাকি তাদের উপেক্ষা করেই কাজ করা সম্ভব?প্রত্যেকের জীবনই আলাদা। তাই আমি শুধু আমার নিজের কথাই বলতে পারি। আমি সবচেয়ে সচ্ছন্দে কাজ করতে পারি যখন আমার স্বামী আমার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু আমি একা থাকলেও যে খারাপ থাকি তা কিন্তু না। আমি প্রচন্ড চাপের মধ্যেও কাজ করতে পারি এবং তাৎক্ষণিক সমাধান বের করে ফেলতে পারি। জীবনের এ পর্যাবয়ে এসে আমি আর কখনোই নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট নই।আমি ভারতে এসে দারুণ কিছু মানুষকে পেয়েছি যাদের আমি বিশ্বাস করতে পারি। বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য যেমন নিজস্বতা থাকতে হয় তেমনি এ জগতটাকে পরিবারের মতো করেই নিতে হয়। কিন্তু অবশ্যই এটা স্বীকার করতে হবে যে, আমার স্বামী আমার জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে আমার মতো হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন।
Read More»

thumbnail

হট আইটেম হট নার্গিস

Posted by Unknown  | No comments


গত কয়েক বছর ধরে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীরা বেশ ভালভাবেই মনোযোগী হয়েছেন আইটেম গানে। এদের মধ্যে কাটরিনা কাইফ, কারিনা কাপুর, দীপিকা পাড়–কোন ও প্রিয়াংকা চোপড়া ইতিমধ্যে আইটেম গানে কাজ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। আইটেম গান এখন প্রায় অপরিহার্য বিষয়ে পরিণত হয়ে গেছে বলিউড ছবিতে। আর সেক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীরাই। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একটি আইটেম গানে কাজ করলেন ‘রকস্টার’ খ্যাত অভিনেত্রী নার্গিস ফাকরি। এ ছবিটি পরিচালনা করছেন রাজকুমার সন্তোষি। ছবিতে প্রধান নায়িকা হিসেবে শহিদ কাপুরের বিপরীতে কাজ করছেন নার্গিস। এ ছবির জন্য একটি আইটেম গানে সম্প্রতি ব্যাপক খোলামেলা হয়ে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন নার্গিস। এর আগে বেশ কয়েকটি ছবিতে আইটেম গানের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু সেগুলো বুঝে শুনে ছেড়ে দিয়েছেন নার্গিস। এবারই প্রথমবারের মতো আইটেম গানে কাজ করলেন তিনি। গানটিতে তার সঙ্গে নাচতে দেখা যাবে শহিদকেও। এদিকে এ ছবির কাজ করতে করতেই সম্পর্কেও জড়িয়েছেন নার্গিস-শহিদ, এমনটাই গুঞ্জন কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। শহিদের আগে উদয় চোপড়ার সঙ্গেও সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন নার্গিস। তবে সে সম্পর্ক বেশি দিন টিকেনি। অবশ্য শহিদের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে শুধুমাত্র বন্ধুত্ব বলেই সব সময় উড়িয়ে দিয়েছেন  নার্গিস।
প্রথমবারের মতো আইটেম গানে পারফর্ম করে বেশ খুশি নার্গিস। এ বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক সুন্দর একটি আইটেম গান ছিল এটি। আয়োজন করা হয়েছিল বড়ভাবে। এর আগেও আমাকে আইটেম গানের প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু আমি সেগুলো ফিরিয়ে দিয়েছি পছন্দ হয়নি বলে। এবারের আয়োজনটি আমার ভাল লেগেছে। আইটেম গানে বেশ হট নার্গিসকেই এ ছবিতে দর্শকরা দেখতে পাবেন। বন্ধু শহিদের সঙ্গে গানটির শুটিং খুব উপভোগ করেছি আমি।
Read More»

thumbnail

বউকে নিয়ে প্রেমের গল্প

Posted by Unknown  | No comments

টিম বিন্দাস: নিজের অভিনেত্রী স্ত্রীকে নিয়ে নিজেরই পরিচালনায় ছবি তৈরি করতে চলেছেন হলিউড তথা ইউরোপের জনপ্রিয় তারকা আন্তোনিও ব্যান্ডেরাস। ‘আকিল’ নামাঙ্কিত এই ছবিটির মাধ্যমেই পরিচালকের শিরোপা তৃতীয়বার মাথায় তুলতে চলেছেন ৫২ বছর বয়সী ব্যান্ডেরাস। তাঁর স্ত্রী মেলাইন গ্রিফিথের এই ছবি প্রযোজনা করবে গ্রিন মুন শিঙ্গলে সংস্থা, যার কর্ণধার আদতে ব্যান্ডেরাসই। সংস্থাটির মূল অফিস স্পেনের মালাগা-তে। আকিল আসলে এক আফ্রিকান বালকের নাম। এই বালক পুলিসের তাড়া খেয়ে ডিঙিতে চড়ে স্পেনে এসে পৌঁছয়। স্পেনে সে আশ্রয় নেয় এক মার্কিনি মহিলার বাড়িতে। ধীরে ধীরে এদের মধ্যে গড়ে ওঠে এক অনুপম সম্পর্ক। ‘এ ছবি অবশ্যই ভালবাসার গল্প। কিন্তু এই ভালবাসা বা প্রেম গড়ে উঠছে ভিন্ন মেরুর দুই চরিত্রের মধ্যে, যা বাস্তবে অসম্ভব। বয়সের ব্যবধান শুধু নয়, সমাজপ্রেক্ষিত, ধর্ম, সংস্কৃতি, রুচি, শিক্ষা সব দিক থেকেই দু’জনে একেবারে আলাদা। এদের মধ্যে প্রেম সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব। শেষে পরিস্থিতি এমন হয় যে একজন আর একজনের আবশ্যিক সঙ্গী হয়ে যায়।’—এভাবেই ছবিটির কাহিনীসূচক সম্পর্কে জানিয়েছেন পরিচালক ব্যান্ডেরাস। তবে ‘আকিল’ এর চরিত্রে কে অভিনয় করবে তা এখনও ঠিক হয়নি। পরিচালনা শুধু নয় প্রযোজনার দায়িত্বও ব্যান্ডেরাসের। তিনি পরিষ্কার বলেছেন, ‘আমার দেশ স্পেন এখন টাকাকড়ির বেশ ক্রাইসিস। ছবির জন্য ফান্ড যোগাড় করা কঠিন। ফলে নিজেই সবটা করে ফেলার চেষ্টা করছি’। এর আগে ব্যান্ডেরাস ‘ক্রেজি ইন আলাবামা’ এবং ‘সামার রেইন’ ছবি দুটি পরিচালনা করেছেন। ‘আকিল’ এর চিত্রনাট্য লেখার কাজ অবশ্য সেরে ফেলেছেন তিনি। শুটিং শুধু সময়ের অপেক্ষা।
Read More»

thumbnail

বিদ্যার চেয়েও দীর্ঘ চুমোদৃশ্যে

Posted by Unknown  | No comments


‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’ ছবিতে কাজ করে গত বছর ব্যাপক আলোচনায় আসেন হুমা। এবার আরশাদ ওয়ারসির বিপরীতে হুমা কুরেশিকে দর্শকরা ‘ইশকিয়া-২’ ছবিতে দেখতে পাবেন। বিদ্যার চেয়েও রগরগে দৃশ্যে হুমাকে এ ছবিতে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। ইতিমধ্যে ছবিটির কাজ অনেকটা শেষ করেছেন তিনি।
এদিকে এ ছবির গুরুত্বপূর্ণ আরও দুটি চরিত্রে কাজ করবেন নাসিরুদ্দিন শাহ ও মাধুরী দীক্ষিত। জানা গেছে, তারা দু’জনও বেশ কিছু রোমান্টিক দৃশ্যে ক্যামেরাবন্দি হবেন। এদিকে বিদ্যার চেয়েও দীর্ঘ একটি চুমোদৃশ্যে এ ছবিতে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যাবে হুমা কুরেশি ও আরশাদকে। শুধু তাই নয়, বিছানার একাধিক দৃশ্যে কাজ করবেন হুমা।
তবে এ ধরনের দৃশ্যে কাজ করার ক্ষেত্রে কোন অস্বস্তি নেই এ অভিনেত্রীর। এ বিষয়ে হুমা কুরেশি বলেন, চলচ্চিত্রে কাজ করতে গিয়ে চরিত্রের প্রয়োজনে যে কোন কিছুই করতে হতে পারে। এটাকে আমি খুব বড় ব্যাপার বলে মনে করি না। বরং ‘ইশকিয়া-২’ ছবিতে অনেক মনোযোগ সহকারে কাজ করছি। আরশাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেও ভালই লাগছে। এ ধরনের দৃশ্যে কাজ করতে আমার অস্বস্তি একদমই নেই।
Read More»

thumbnail

পুরনো প্রেমে ক্যাটরিনা

Posted by Unknown  | No comments


ক্যাটরিনা কাইফের এখন সুসময় চলছে। পুরনো প্রেমিক রনবীর কাপুরের সঙ্গে বেশ ভালো সময় কাটছে তার। দীপিকা পাড়ূুকোনের সঙ্গে বর্তমানে বনবীর কাপুরের কোনো সম্পর্ক নেই এমনটাই বলছেন সবাই। ডিএনএ ইন্ডিয়া সূত্র জানায়, ক্যাটরিনা কাইফ আর রনবীর কাপুরের মধ্যে আাাসলে গত দুই বছর ধরে প্রেম চলছে। এবং এই প্রেমে তাদের দুই পরিবারেই সম্মতি আছে।
রনবীর-ক্যাট জুটিকে সর্বপ্রথম রূপালি পর্দায় দেখা যায় ২০০৯ সালে ‘আজব প্রেম কি গাজাব কাহানী’ চলচ্চিত্রে। এর পর পরই রনবীর-ক্যাটরিনা প্রকাশ ঝা’র ক্রিটিক্যাল চলচ্চিত্র ‘রাজনীতি’তে জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেন।
দুটো চলচ্চিত্রই বক্স অফিস হিট করে। কিন্তু পরে কাপুর বংশধর রনবীরকে নিয়ে দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ওঠে। আর রনবীর-ক্যাটের প্রেমে ভাটা পড়ে। এমন কী তারা এক সঙ্গে অভিনয় করতেও অসম্মতি জানান।
কিন্তু নতুন খবর হলো, পুরনো ভালোবাসার মান-অভিমান ভুলে নিজেদের ক্যারিয়ারের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আবারও তারা জুটি হয়েছেন নামি পরিচালক অয়ন মখার্জির নতুন চলচ্চিত্রে।
আরেকটি সূত্র জানায়, কাপুর পরিবার দীপিকা নয়, বরং রনবীরের সঙ্গে ক্যাটরিনা কাইফের সম্পর্ক থাকলেই বেশি খুশি।
ব্যক্তিগত জীবন বেশ ভালো কাটলেও ক্যাটরিনা এ মুহূর্তে কিছুটা অসন্তুষ্ট। তার কারণ এ বছর মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তার দুটো ছবির সময় পিছিয়ে গেছে। ‘ধুম থ্রি’ এবং ‘ব্যাং ব্যাং’ দুটো বিগ বাজেটের ছবি প্রকাশের তারিখ পিছিয়ে গেছে। ক্রিসমাসে ‘ধুম থ্রি’ মুক্তির কথা থাকলেও সহশিল্পীদের কাজের সিডিউল মেলানো সম্ভব হচ্ছে না বলে পিছিয়ে গেছে ছবিটির মুক্তির সময়। বিশেষ করে আমির খানের সিডিউল নিয়ে বিপাকে পড়েছে ছবিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত ভালো কোনো ছবি হয়তো এ বছর মুক্তিই পাবে না। আর সে কারণেই ক্যাটরিনা এখন কিছুটা বিচলিত। আগামী ১৬ জুলাই ক্যাটরিনার জন্মদিন। সে সময়টা তিনি লন্ডনে তার বাবা মার সঙ্গে কাটাবেন। তবে জন্মদিন উপলক্ষে ক্যাটরিনার জন্য তার প্রেমিক রনবীর কি আয়োজন করতে যাচ্ছেন সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, ক্যাটিরিনা এর আগে সালমান খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেম করেছেন বলে রটনা আছে। বলিউডে তার আগমন সালমান খানের হাত ধরেই এটাও অনেকের জানা।
Read More»

thumbnail

সানি লিওনকে চুমু দিতে হবে বলে ছবিই বাদ

Posted by Unknown  | No comments



 জিসম ২ ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন কানাডিয়ান পর্নস্টার সানি লিওন। এখন অনেক ছবিরই প্রস্তাব পাচ্ছেন তিনি। এরকমই একটি ছবিতে সানির সঙ্গে অভিনয় করার কথা ছিল আরেক বলিউড অভিনেত্রী নিতু চন্দ্রার।
জিসম ২ ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন কানাডিয়ান পর্নস্টার সানি লিওন। এখন অনেক ছবিরই প্রস্তাব পাচ্ছেন তিনি। এরকমই একটি ছবিতে সানির সঙ্গে অভিনয় করার কথা ছিল আরেক বলিউড অভিনেত্রী নিতু চন্দ্রার।
কিন্তু নীতু আর সেই ছবিটি করছেন না। কারণ ছবির একটি দৃশ্যে সানির সঙ্গে ঠোঁটে ঠোঁট লাগাতে হবে নিতুকে। আর এতেই নীতুর আপত্তি।
অথচ কয়েকদিন আগেই ‘বম্বে টকিজ’ ছবিতে দুই পুরুষ অভিনেতা রণদ্বীপ হুদা এবং তার সহ অভিনেতা সাকিব কোরেশি চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন।
একজন পুরুষ আরেক পুরুষকে চুমু দিলেও মেয়ে হয়ে আরেকজন মেয়ের সাথে চুমুর দৃশ্যে অভিনয় করা নাকি নীতু চন্দ্রার পক্ষে সম্ভব না।
টাইমস অব ইন্ডিয়া সুত্রে জানা যায়, নিতু প্রযোজক এবং পরিচালকের কাছে ছবিতে কাজ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।
নীতু বলেন, আমি ওই ছবিটি করছি না। এর কারণ আমি প্রযোজক-পরিচালকের কাছে ব্যাখ্যা করেছি। আমি আমার সমস্যাটা ভালই বুঝি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে ছবির নাম এবং পরিচালক-প্রযোজকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
Read More»

thumbnail

আবারও জার্মানিতে নগ্নবক্ষে বিক্ষোভ

Posted by Unknown  | No comments

 তিউনিসিয়ায় আটক নারী-অধিকার আন্দোলনের কর্মীদের মুক্তির দাবিতে নগ্নবক্ষে বিক্ষোভ করেছেন বিক্ষোভকারীরা। আজ শুক্রবার জার্মানির রাজধানী বার্লিনে চ্যান্সেলর ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জার্মানি সফররত তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলী লারজেদ আজ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে দেখা করতে যান। এ সময় চ্যান্সেলর ভবনের বাইরে ওই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভকারীরা তাঁদের শরীরে তিউনিসিয়ায় গ্রেপ্তার হওয়া চার নারী-অধিকার কর্মী আমিনা, জোসেফিনে, মার্গারেটা ও পাউলিনার নাম লিখে অবিলম্বে তাঁদের মুক্তির দাবি জানান।
তিউনিসিয়ার মেয়ে আমিনা ইসলামিক সালাফিদের বিরুদ্ধে দেওয়াল লিখনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। এর প্রতিবাদে দুই ফরাসি ও এক জার্মান ছাত্রী তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে আইন মন্ত্রণালয়ের সামনে নগ্নবক্ষে বিক্ষোভ করেন। তখন ওই তিনজনকে আটক করা হয়। ওই চার নারীর মুক্তির দাবিতেই আজকের এই বিক্ষোভ। তবে বিক্ষোভের অল্প কিছু সময় পরই পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দিলেও আটক করেনি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত এপ্রিলে জার্মানির হ্যানোভার শহরে আঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে একটি শিল্পমেলা পরিদর্শনকালে বেশ কয়েকজন নগ্নবক্ষা নারীর বিক্ষোভের মুখে অপদস্থ হন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দেশটির গণমাধ্যম বলছে, সত্তর দশকের হিপ্পি আন্দোলনের নগ্নবক্ষা নারী-অধিকার কর্মীদের মতো সেই প্রথা আবারও জনপ্রিয় হচ্ছে।


Read More»

    If you would like to receive our RSS updates via email, simply enter your email address below click subscribe.

Discussion

Blogger template. Proudly Powered by Blogger.
back to top