Showing posts with label ভালবাসার প্রভাব. Show all posts
Showing posts with label ভালবাসার প্রভাব. Show all posts
thumbnail

কিউট লাভ স্টোরি,ভালোবাসার গল্প

Posted by Unknown  | No comments


একটি বাচ্চা ছেলে আর একটি বাচ্চা মেয়ে ব্যাকুল হয়ে কাঁদছে।

একজন ভদ্রমহিলা তা দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ"কি হয়েছে বাচ্চারা,তোমরা কাঁদছো কেনো?"

মেয়েটি বলললঃ"দেখুন না, খেলতে গিয়ে আমার পুতুলটা ভেঙ্গে গেছে।"এই বলে সে আবার কান্না শুরু করল।

মহিলাটি এবার ছেলেটিকে উদ্দেশ্য করে বললঃ"আর তুমি কাঁদছো কেন?"

ছেলেটি ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললঃ
->
->
->
"দেখছেননা, আমার পুতুলটা কাঁদছে।
Read More»

thumbnail

ইঁচড়ে পাকা-সাবধান? ১০০% হট, ভালোবাসার গল্প

Posted by Unknown  | No comments



একটি সত্যি ভালোবাসার গল্প
(যা সিনেমার কাহিনীকেও হার মানায়)

সপ্না আর নিলয় ছোট বেলা থেকেই
একসাথে বড় হয়। সপ্নার
বাবা ট্যাক্সি চালায়, আর নিলয়ের
বাবা একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তার। দুই
ফ্যামিলির মধ্যে সম্পর্কটা মন্দ নয়।
সপ্না নিলয়কে মনে মনে ভালোবাসতো।
কিন্তু কখনো বলতে পারে নি।
তারা একত্রে অনার্স পাশ করে। নিলয়ের
সরকারী চাকরি হয়। বাসা থেকে ধুমধাম
করে বিয়ে দিয়ে দেয়।
সপ্না বেচারি ঘরে বসে একা কাঁদে। কিছু
করার থাকে না তার।
সপ্নার অবস্থা দেখে তার
মা সপ্নাকে চেপে ধরে। জিজ্ঞেস
করে সমস্যা কি। কান্নাবিজরিত গলায়
সপ্না জানায় তার লুকানো প্রেমের কথা।
তার একপেশে ভালোবাসার কথা।
সপ্নার পরিবারে দুঃখ নেমে আসে। সপ্নার
বাবা জানতে পেরে মেয়েকে জলদি বিয়ে দেয়ার
বেবস্থা করতে চান। কিন্তু সপ্নার এক
কথা, তার মনের কোঠায়
গভীরে সে নিলয়কেই বসিয়েছে। এখন
কোনও অবস্থাতেই তার
পক্ষে বিয়ে করা সম্ভব নয়।
সে এমনকি এই বলে হুমকি দেয়
যে বাড়াবাড়ি করলে সে আত্মহত্যা করবে।
সপ্নার পরিবারের সবাই ভয় পেয়ে যায়।
সাথে সাথে কষ্টও পায়। কিন্তু কিছু
করার থাকে না। একমাত্র মেয়ের মুখের
দিকে তাকিয়ে শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া।

বছর পাঁচেক পরের ঘটনা। সপ্না এখন
ঢাকাতে একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষিকা।
গ্রামে ইধানিং যায় না সে। বাবা মার
সাথে ফোনে কথা হয়। এক পুজার
ছুটিতে ৫ দিনের জন্য গ্রামে গেলো সে।

সে কি তখনো জ্যান্ত এইবারের
গ্রামে ফেরা তার জীবনটা আমূল
পাল্টে দিবে?
সপ্না বাসায় ফিরে দেখে বাসার সবার
মাঝেই একটা কষ্ট উপলব্ধি করতে পারে।
সপ্না মাকে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে?
সপ্নার মা প্রথমে সপ্নাকে কিছুই
বলে না। মেয়ের চাপাচাপিতে তিনি সব
খুলে বলেন।

নিলয় গ্রামে এসেছে। তার
একটা ফুটফুটে বাবু হয়েছে। বাবুটার বয়স
মাত্র ২ বছর। বাবুটাকে জন্ম
দিতে গিয়ে তার মা মারা যায়। নিলয়
গ্রামে এসে সপ্নার মা বাবার
সাথে দেখা করতে আসে। ছেলেটার মনে এক
অদ্ভুত ক্ষোভ দেখতে পান তারা। এক
চাপা কষ্ট।

সপ্না ঘটনা শুনে থ হয়ে যায়।
জীবনটা কোনও সিনেমা নয় যে সে নিলয়ের
বাচ্চাকে বড় করবে। তাকে নিজের মেয়ের
মতো করে পালবে। কিন্তু সপ্নার খুব
ইচ্ছে করে। আরও একবার সপ্না নিজের
কাছে হেরে যায়। মুখ
ফুটে বলতে পারে না তার গোপন ইচ্ছের
কথা।

পুজার ছুটি শেষ। আজ
বিকেলে সপ্না ঢাকায় ফিরে যাবে। ব্যাগ
গুছুচ্ছে এসময় সপ্নার মা দৌড়ে এসে খবর
দিলেন নিলয় এসেছে।
সপ্না চমকে যায়। সে চাচ্ছিল যেনও
নিলয়ের সাথে তার দেখা না হয়। কি লাভ
কষ্টের বুঝা বাড়িয়ে?
মায়ের কথায় অবশেষে নিলয়ের
সাথে দেখা হয় তার। দুজনেই চুপচাপ।
হটাত নিলয় বলে উঠে, “ঢাকায়
থাকো শুনলাম? আমিও ঢাকায় থাকি।
পরিবাগে। তুমি?”
“ধানমণ্ডিতে। আমরা ২জন ফ্রেন্ড
একত্রে থাকি। ও আমার সাথে একই
স্কুলে পড়ায়। আমাদের পাশের গ্রামেরই
মেয়ে।”
আরও কিছু
কথা বলে তারা একে অপরকে বিদায়
জানায়। “ভালো থেকো” বলে ঘুরে নিজের
রুমের দিকে হাঁটতে থাকে সপ্না।
অজানা কষ্টে বুকটা ধুমরে মুচড়ে যাচ্ছে।
নিজের মনের উপর অসম্ভব জোর
খাটিয়ে ফিরে চলে সে রুমের পথে।
ঘাড় ঘুরিয়ে শেষবারের মতো ফিরে তাকায়
সে। দেখল নিলর দাঁড়িয়ে আছে তার
কুলে একটা ফুটফুটে বাচ্চা নিয়ে। নিলয়ের
চোখটা ভেজা। দূর থেকেও
দেখা যাচ্ছে অশ্রুকণাগুলো। কেন যেনও
বাচ্চাটাকে দেখার পর
নিজেকে আটকে রাখতে পারে না সপ্না।

নিলয় এবং সপ্নার বিয়ে হয় তাদের উভয়
পরিবারের অনুমতি নিয়ে। ঢাকার
পরিবাগেই এখন আছি আমরা। আমিই সেই
মেয়ে। আর আমার বাবা মা আমার নাম
কি রেখেছেন জানেন? “আলো”।

বাবা-মার
কাছ থেকে পুরো ঘটনাটি শুনি আমি তাদের
১৪তম বিবাহবার্ষিকীতে। এরপরেই
লিখে ফেলি। আর আজ জানিয়ে দিলাম
পৃথিবীকে।
সবাই দোয়া করবেন আমার পরিবারের
জন্য। আমি ক্লাস টেনে পড়ি এখন।
আমি আমার মাকে হারিয়েছি, কিন্তু
পেয়েছি তার চেয়েও একজন শ্রেষ্ঠ
মমতাময়ী নারীকে। তোমাদের দুজনকেই
অনেক অনেক ভালোবাসি মা-বাবা।
Read More»

thumbnail

অভিমানের সৃষ্টি হয়

Posted by Unknown  | No comments


যাকে সত্যিকার অর্থে ভালবাসি,
তার কোন কাজ-ই সেই ভালবাসার
অনুভূতিকে বদলাতে পারে না.. ...
কখনো কখনো এর
ফলে একটু মান-অভিমানের সৃষ্টি হয়,
কিন্তু বেলা শেষে ভালবাসা আবার সেই আগের
স্থানেই ফিরে আসে.. .
Read More»

thumbnail

Break up ভালোবাসার

Posted by Unknown  | No comments

 
কি দোষ ছিল আমার। আমিতো তোমাকে ভালবাসতে চাইনি। আমিতো চাইনি তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখতে। তাহলে কেন আমার সাথে এমনটা করলে। কি ক্ষতি করেছিলাম তোমায়!!
আর তাই আজ গানের সেই দু'টি লাইন মনে পড়ে--
''তুমি তো দিয়েছিলে মোরে
কৃষ্ণচূড়া ফুল
আমি তো নিয়েছিলাম বসে
সেই গানের সূর ''
আমি অবাক। আমি খুবই অবাক হলাম।
যখন বুঝতে পারলাম তোমার হাসি, তোমার কান্না, তোমার দুঃখ, তোমার অসুস্থতা,
তোমার বলে সব কথা গুলোও ছিল মিথ্যেই পরিপূর্ণ। আমি খুবই অবাক হলাম যখন বুঝতে পারলাম আমি তোমার কাছে অর্থহীন।
কিন্তু তবুও মিলাতে পারিনা, কিছু কিছু মূহুর্ত। তোমার দীর্ঘক্ষন রাতজাগা। আমার সাথে কথা বলা। জানালার পাশে বসে থেকে, সবাই কখন ঘুমাবে, তার জন্যে আপেক্‌ষা।
আমি সকালে ঠিক সময় ঘুম থেকে উঠছি কিনা তার খবর রাখা, পরীক্ষা কেমন হয়েছে তার খবর নেয়া। আমার ব্যপারে তোমার এত আগ্রহ, এত ইচ্ছা, আমার জন্যে তোমার এত উচ্ছাস---
পারিনা, কিছুই মিলাতে পারিনা।
মনে পড়ে ঐ দিনের কথা, পহেলা বৈশাখের রাতে তুমি আমার জন্যে ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলে, শুধু একবার 'শুভ নববর্ষ ' বলবে বলে। মনে পড়ে, যখন তুমি আমাকে একটা ম্যাসেজ পাঠাতে এক ঘন্টা ধরে লিখেছিলে, আর আমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। তোমার সে কি রাগ!!
এতদিন হয়ে গেল, তবুও মনে পড়ে তোমার সেই কন্ঠ। ''উঠ, সকাল হয়ে গেছে। যাও দ্রুত ফ্রেশ হয় নাও''
এখনও তোমায় আমি মিস করি, এখনও তোমাকে আমি অনুভব করি। এখনও ঘুমের মাঝে ফোন এলে মনে হয় এই বুঝি তোমার ফোন আসলো।
এখনও আমি আর আমার সময় কাটে তোমায় ভেবে।
এখন আর আমার কাওকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করেনা। আমি এখন আর আগের মত নেই। বদলে গেছি অনেকখানি।
এখন আমি আর কার কথা ভাবিনা। এখন আর রাতের চাঁদ, তারার মেলা দেখা হয়না। এখন আর স্বপ্নের জাল বুনা হয়না। বৃষ্টির মাঝে তোমার কথাও ভাবিনা।
খোদার কাছে কিছুই চাইনা। শুধু আশা রাখি, তুমি যাতে একদিন তোমার ভুল বুঝতে পার। আর কিছুইনা।
আমি অপেক্ষমান, সেই দিনটির জন্যে, যেদিন তোমার সাথে আমার একটি বারের জন্য হলেও দেখা হবে অথবা কখা হবে সেদিন আমি তোমায় জিজ্ঞেস করবো --- আমার এই বুক ভরা কষ্টের বিনিময়, কতটা.....
সুখী হতে পেরেছ।
Read More»

thumbnail

ভালোবাসার নানান প্রশ্ন

Posted by Unknown  | No comments

'......ও আমার উপর মাঝে মাঝে খুব রাগ করে , 
মাঝে মাঝে অনেক ছোট কারনেও ঝগড়া করে , 
কোনও অপরিচিতর সাথে চ্যাট করলেই বকে , 
কথা বললেও বকে , 
খালি বাধা নিষেধ আর সন্দেহ , 
এটা করবেনা ওটা করবেনা , 
কেন করেছ , করবেই বা কেন ,-_-
নানান প্রশ্ন , 
মন টাই খারাপ হয়ে যায় ?
শুধু মনে হয় ও বুঝি আমাকে বুঝেনা,
ও বুঝি সন্দেহ করে ?
ও বুঝি ভালবাসেনা ?
এতো বকে কেন ? ......''
কি? তোমার মনের কথা বলেছিনা ?
আরে বোকা এই সামান্যকারনে বুঝি মন খারাপকরে বসে থাকতে হয় ?
একবার ভেবেছ ও এসব কেন করে?
খালি তো উল্টা বুঝো ,
ও তোমাকে ভালবাসে বলেই তোমাকে নিয়ে এতো চিন্তা , 
যদি সন্দেহই থাকতো তাহলে সেখানে আবার ভালোবাসা কিসের ? 
ও তোমাকে অপরিচিতর আড়ালে রাখতে চায় , 
যেমন টা খেয়াল করে রাখতেন আমাদের মা বাবা , 
ও কেন বকে জানো?
নিজের কলিজার টুকরা কে কেউ কি শেয়ার করতে চায় অন্যের সাথে বল?? 
তোমাকে নিজের স্বপ্নের মত করে সাঁজাতে চায় বলেই এতো বাধা নিষেধ 
ও যা বলে , একবার মেনে চলো 
দেখবে কত শান্তি মনে♥
আর চারপাশটা কত টা স্বপ্নিল
Read More»

thumbnail

কর ফাঁকির দায়ে যৌনকর্মীর জেল

Posted by Unknown  | No comments

অনেক দিন ধরেই বেশ মোটা অঙ্কের টাকা কামাচ্ছিলেন যুক্তরাজ্যের যৌনকর্মী ডোনা অসটেইটস। কিন্তু আয় অনুযায়ী কর প্রদান করেননি ২৯ বছর বয়সী ডোনা। এর দায়ে এবার জেল খাটতে হবে তাঁকে। কর ফাঁকির দায়ে এই যৌনকর্মীকে ১৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্ট।
২০০৫ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে প্রায় তিন লাখ পাউন্ড আয় করেছিলেন ডোনা অসটেইটস। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭৩ হাজার পাউন্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া অনেক গয়নার খোঁজও পেয়েছে যুক্তরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওয়েস্টমিনিস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের জন্য যৌনকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন বলে আদালতে জানিয়েছেন ডোনা।
তাঁর বিরুদ্ধে আনা কর ফাঁকি দেওয়ার সব অভিযোগ আদালতে সঠিক বলেই প্রমাণিত হয়েছে। তবে এখন এই শাস্তির কারণে ডোনা মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী স্টান রেইজ। তিনি আদালতে বলেছেন, ‘আদালতের এই রায়ের ফলে ডোনার পরিবার খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরেছে। কারণ, সে যে যৌনকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেছে, সেটা তার পরিবারের কেউ জানত না। এরপর থেকে ডোনা চরম বিষণ্নতা ও নিদ্রাহীনতায় ভুগছে। তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনও আর সম্ভব হচ্ছে না।’
তবে আদালতের রায় ঘোষণার সময় এসব কথায় কোনো কাজ হয়নি। বিচারক পিটার টেসটার সরাসরিই বলেছেন, ‘আমার দৃষ্টিতে এটা একটা অপরাধ এবং দীর্ঘদিন ধরে এটা চলে আসছে।’-দ্য সান
Read More»

thumbnail

একটি পরকীয়া প্রেমের গল্প

Posted by Unknown  | No comments


".....হ্যালো জান, কি কর?"
....এইতো কিছু না। 
....তোমাকে ভীষন মিস করছি। কাল ভোরেই পৌছে যাবো। তোমাকে দেখার জন্য আমিতো একেবারে পাগল হয়ে আছি.....
তৃপ্তি আনমনাভাবে কথাগুলো শুনতে থাকে। মাঝেমধ্যে একটু হুঁ-হাঁ করে। অভিনয় আজকাল সে ভালোই পারে। মনে মনে একটু হাসি পায় তার, তাতে দু্ঃখ মেশানো। ফোন রেখে একদৃষ্টিতে আয়নায় নিজের দিকে তাকিয়ে থাকে। ভেজা চুল থেকে টপটপ করে জল ঝরছে। নিজের চেহারাটা নিজের কাছেই বড্ড অচেনা মনে হয়। "তৃপ্তি! তুই তো এমন ছিলি না! কেন করছিস তুই এসব? বন্ধ কর----আয়নার ভেতরের প্রতিবিম্বটা যেন ধিক্কার দিতে থাকে তাকে।
..........................................

স্বপন তৃপ্তির হাতদুটো নিজের হাতে নিয়ে একনাগাড়ে বকবক করে চলেছে। সিঙ্গাপুরে গিয়ে এত মানুষের মধ্যে থেকেও সে তৃপ্তিকে কতটা মিস করেছে, কি কি গিফট কিনেছে এসব। তৃপ্তির এসবে মন নেই। সে একবার নিজের হাতদুটোর দিকে তাকায়। কেমন নির্জীব হয়ে পড়ে আছে! তার দৃষ্টি যায় স্বপনের চেহারার দিকে। কেমন যেন এক ঘৃণায় গা গুলিয়ে উঠে। হাত ছাড়িয়ে নিতে চায় তবু তার হাত যেন মনের সাথে সাড়া দেয় না। স্বপন হঠাৎই তৃপ্তিকে বুকে টেনে নেয়। বুকভরে একবার নিঃশ্বাস নেবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তৃপ্তি, বাতাসটাও যেন বিষাক্ত হয়ে আছে। স্বপন দীর্ঘ চুমু খায় কিন্তু সেখানেও তৃপ্তি অনুপস্থিত। প্রিয়তমাকে কাছে পাবার উত্তেজনায় স্বপনের চোখ এড়িয়ে যায় এই অনীহাগুলো। তাছাড়া সে জানে, তৃপ্তি বরাবর এমনই-শান্ত, চুপচাপ। কিছুটা ধাতস্থ স্বপন তৃপ্তিকে আলিঙ্গন থেকে মুক্তি দেয়। মেয়েটার চোখে একটা বিষন্নতা, যা কখনই মোছে না। তবু ঐ চাহনীতে কী যেন আছে, স্বপন অনেক দেখেও চোখ ফেরাতে পারে না।
----------------------------------------------

বিকালবেলা অফিস থেকে ফিরেই অনুপ হাত পা ছড়িয়ে বিছানায় এলিয়ে পড়ে। 
"....উফ! কাজের এত চাপ অফিসে! সরি তৃপ্তি, আজ তোমাকে একবারও কল দিতে পারিনি। তুমি নিশ্চয়ই ঘরে বসে বসে বোর হয়ে গেছ।"
তৃপ্তি কিছু বলছেনা দেখে অনুপ আবার বললো,
"...ঠিক আছে। এই উইকএন্ড-এ আমরা মুভি দেখতে যাবো একসাথে, কেমন?"
একটুখানি মাথা দুলিয়ে তৃপ্তি সায় দেয়। আসার পর থেকে সে অনুপের মুখের দিকে তাকিয়েই আছে। চোখ সরায় না এক মুহুর্তের জন্যেও। অনুপ না তাকিয়েও বুঝতা পারে তৃপ্তি তাকে দেখছে। অনুপ কিছুটে অস্বস্তি বোধ করে। কিন্তু এই দৃষ্টির মানে সে বুঝতে পারে না। 
"কি এত দেখে মেয়েটা?"
অনুপ প্রায়ই লক্ষ্য করে বিষয়টা। তৃপ্তি কেমন করে যেন তাকিয়ে থাকে, যেন অনুপ একটা অচেনা মানুষ! তবে একটা সময় ছিল, যখন তৃপ্তির চোখের সামান্য পলকটুকুর অর্থও অনুপ ধরতে পারতো। তিন বছরের সংসার ওদের। এমন লক্ষী বউ সবার কপালে জোটে না। অনুপ পেয়েছে। চোখ বন্ধ করে একমুহুর্তের জন্য সে তৃপ্তির হাসিমুখ মনে করার চেষ্টা করে।
কই, মনে পড়ছে না তো! আশ্চর্য্য! হঠাৎই আবিষ্কার হয় গত ছয়মাসে তৃপ্তিকে সে একবারও প্রাণখুলে হাসতে দেখেনি। অবাক ব্যাপার তো! তবুও অনুপ চেষ্টা করে। হঠাৎই একটা হাসিমুখ তার চোখের সামনে ভেসে উঠে।
----------------------------------------------

"লীনা!!
অনুপের ছোটবেলার ভালোবাসা। লীনাকে কখনোই বলা হয়নি মনের কথা। কোনদিন সাহস করে বলা হয়নি "ভালোবাসি"। স্কুল ছাড়িয়ে কলেজ জীবনে পা দেয়ার সময়েই লীনা হারিয়ে যায় তার জীবন থেকে। কয়েকটা বছর কী যে হাহাকার করে কেটেছে তার! তারপর জীবনে আসে তৃপ্তি। তৃপ্তিকে ভালো সে কখনোই বাসেনি সে লীনার মতন করে, কিন্তু মেয়েটাকে কেন যেন জীবনের সাথে জড়িয়ে নেয় সে। ওকে ভালোবাসতে শেখায়। তার কাছ থেকেই তৃপ্তি শেখে- ভালোবাসা কি?

তৃপ্তিকে নিয়ে ভালোই কাটছিল জীবন। নাইবা হল ভালোবাসা, তৃপ্তি তো তাকে ভালোবেসেছে খাঁটি। তৃপ্তির সেই নিষ্পাপ ভালোবাসার সামনে ওকে কখনোই বলা হয়নি "ভালোবাসিনা"। অবুঝ মেয়েটা যে কিছুতেই তা মেনে নিতে পারতো না। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া লীনা যে আবার হঠাৎই তার জীবনে ফিরে আসবে তা কি অনুপ জানতো?!!!
তারপর যখন লীনা একদিন তাকেজড়িয়ে ধরে কান্নায় বলে সেও অনুপকে সেই স্কুল থেকে ভালোবাসে, তারপর কি আর স্থির থাকা যায়? 

অনুপের সমস্ত দুনিয়া ওলট পালট হয়ে যায়। না, লীনাকে সে হারাতে পারবে না। কিছুতেই না। লীনাও মেনে নেয় এই পরকীয়া সম্পর্ক। অবশ্য অনুপের মতে এটা পরকীয়া নয়। লীনা তার প্রথম ভালোবাসা, তৃপ্তি দ্বিতীয়। 

অনুপ চোখ মেলে ছাতের দিকে তাকিয়ে থাকে। ফ্যানটা সর্বশক্তি দিয়ে ঘুরছে। সেই সাথে অনুপের ভাবলাগুলোও কেমন যেন ঘুরতে থাকে। লীনা আর তৃপ্তি- এই দুজনের একজনও কম গুরুত্বপুর্ণ না তার জীবনে। লীনাকে সে ছাড়তে পারবে না, আবার তৃপ্তিকেও সে হারাতে পারবে না। আচমকা সবকিছু বড় নীরব মনে হয়। 

তৃপ্তিকে কিছু একটা বলবে বলে ঘাড় ফেরাতেই দেখে তৃপ্তি ঠান্ডা জলের গ্লাস হাতে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে। চোখে সেই কেমন করা দৃষ্টি!
.................................................................


রাত দুটো বেজে ছাব্বিশ। অনুপ ঘুমুচ্ছে। সেদিকে একবার তাকিয়েই চোখ ফিরিয়ে নেয় তৃপ্তি, অন্ধকার আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার নীরব চোখের জলে ভিজে গেছে শাড়ির অনেকটা অংশ। অনুপের বিশ্বাসঘাতকতার কথা সে জেনেছে ছয়মাস আগে। সেই ভয়াবহ দিনটার কথা যতই সে ভুলতে চেষ্টা করে ততই আরও যেন বেশি করে মনে পড়ে যায়। কিভাবে ভুলবে তৃপ্তি? ১৭ বার অজ্ঞান হয়েছিল সে। বারবার চেতন-অচেতনে একটাই প্রশ্ন ছিল,
"কেন অনুপ কেন?
---- কেন এমন করলে তুমি? আমার সমস্ত বিশ্বাসকে এভাবে টুকরো টুকরো করার আগে একবারও কি মনে হয়নি আমার কথা? কীভাবে পারলে তুমি?...

নীরব চিৎকার যেন ঝড় হয়ে এখনো বয়ে চলেছে মনে। সে জানে, আজ সারা দিন অনুপ কোথায় ছিল। লীনার সাথে। নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে হারানোর তীব্র কষ্টে তৃপ্তির দম বন্ধ হয়ে আসে। নিজের শুন্যতা নিজের মধ্যেই চেপে রেখে দিয়েছে, এমনকি আজ পর্যন্ত অনুপকেও জানতে
দেয়নি। একবার মনে হয়েছিল চলে যাবে অনুপের জীবন থেকে। কিন্তু কোথায় যাবে? অনুপের ভালোবাসা হয়তো মরে গেছে, কিন্তু তৃপ্তি? তৃপ্তিতো আজও অনুপকেই ভালোবাসে। একটা মানুষকে একই সাথে কীভাবে এত ভালোবাসা যায়, আবার একইভাবে ঘৃণাও করা যায়-ভেবে হাসি পায় তৃপ্তির। প্রতিশোধ! প্রতিশোধের নেশায় সেও জড়িয়ে পড়েছে পরকীয়ায়।

"কিন্তু আমিতো শান্তি পাই না অনুপ। এক দিন, এক মুহুর্তের জন্যেও আমি স্বপনকে ভালোবাসতে পারিনি। মন জুড়ে শুধু তুমি আর তুমি। তবে তুমি কিভাবে পারলে? ভুলে গেলে আমাকে? কি অকপটে তুমি মিথ্যার পর মিথ্যা বলে যাও! চোখের দুফোঁটা জল রেলিংয়ের উপর পড়ে ছোট ছোট বিন্দুর মত ছিটকে যায় এদিক ওদিক। হাতের ওষুধের শিশিটার দিকে একবার তাকায় সে। শান্তি চাই, একটু শান্তি! কেউ দেবে আমায়??? কোথায় গেলে আমি একটু শান্তি পাবো- নীরব আকাশের বুকে যেন এই প্রশ্নটা জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকে.......


Read More»

thumbnail

একটি পরকীয়া প্রেমের গল্প।

Posted by Unknown  | No comments


 


".....হ্যালো জান, কি কর?"
....এইতো কিছু না 
....তোমাকে ভীষন মিস করছিকাল ভোরেই পৌছে যাবোতোমাকে দেখার জন্য আমিতো একেবারে পাগল হয়ে আছি.....
তৃপ্তি আনমনাভাবে কথাগুলো শুনতে থাকেমাঝেমধ্যে একটু হুঁ-হাঁ করেঅভিনয় আজকাল সে ভালোই পারেমনে মনে একটু হাসি পায় তার, তাতে দু্ঃখ মেশানোফোন রেখে একদৃষ্টিতে আয়নায় নিজের দিকে তাকিয়ে থাকেভেজা চুল থেকে টপটপ করে জল ঝরছেনিজের চেহারাটা নিজের কাছেই বড্ড অচেনা মনে হয়। "তৃপ্তি! তুই তো এমন ছিলি না! কেন করছিস তুই এসব? বন্ধ কর----আয়নার ভেতরের প্রতিবিম্বটা যেন ধিক্কার দিতে থাকে তাকে
..........................................

স্বপন তৃপ্তির হাতদুটো নিজের হাতে নিয়ে একনাগাড়ে বকবক করে চলেছেসিঙ্গাপুরে গিয়ে এত মানুষের মধ্যে থেকেও সে তৃপ্তিকে কতটা মিস করেছে, কি কি গিফট কিনেছে এসবতৃপ্তির এসবে মন নেইসে একবার নিজের হাতদুটোর দিকে তাকায়কেমন নির্জীব হয়ে পড়ে আছে! তার দৃষ্টি যায় স্বপনের চেহারার দিকেকেমন যেন এক ঘৃণায় গা গুলিয়ে উঠেহাত ছাড়িয়ে নিতে চায় তবু তার হাত যেন মনের সাথে সাড়া দেয় নাস্বপন হঠাৎই তৃপ্তিকে বুকে টেনে নেয়বুকভরে একবার নিঃশ্বাস নেবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তৃপ্তি, বাতাসটাও যেন বিষাক্ত হয়ে আছেস্বপন দীর্ঘ চুমু খায় কিন্তু সেখানেও তৃপ্তি অনুপস্থিতপ্রিয়তমাকে কাছে পাবার উত্তেজনায় স্বপনের চোখ এড়িয়ে যায় এই অনীহাগুলোতাছাড়া সে জানে, তৃপ্তি বরাবর এমনই-শান্ত, চুপচাপকিছুটা ধাতস্থ স্বপন তৃপ্তিকে আলিঙ্গন থেকে মুক্তি দেয়মেয়েটার চোখে একটা বিষন্নতা, যা কখনই মোছে নাতবু ঐ চাহনীতে কী যেন আছে, স্বপন অনেক দেখেও চোখ ফেরাতে পারে না
----------------------------------------------

বিকালবেলা অফিস থেকে ফিরেই অনুপ হাত পা ছড়িয়ে বিছানায় এলিয়ে পড়ে 
"....উফ! কাজের এত চাপ অফিসে! সরি তৃপ্তি, আজ তোমাকে একবারও কল দিতে পারিনিতুমি নিশ্চয়ই ঘরে বসে বসে বোর হয়ে গেছ।"
তৃপ্তি কিছু বলছেনা দেখে অনুপ আবার বললো,
"...ঠিক আছেএই উইকএন্ড-এ আমরা মুভি দেখতে যাবো একসাথে, কেমন?"
একটুখানি মাথা দুলিয়ে তৃপ্তি সায় দেয়আসার পর থেকে সে অনুপের মুখের দিকে তাকিয়েই আছেচোখ সরায় না এক মুহুর্তের জন্যেওঅনুপ না তাকিয়েও বুঝতা পারে তৃপ্তি তাকে দেখছেঅনুপ কিছুটে অস্বস্তি বোধ করেকিন্তু এই দৃষ্টির মানে সে বুঝতে পারে না 
"কি এত দেখে মেয়েটা?"
অনুপ প্রায়ই লক্ষ্য করে বিষয়টাতৃপ্তি কেমন করে যেন তাকিয়ে থাকে, যেন অনুপ একটা অচেনা মানুষ! তবে একটা সময় ছিল, যখন তৃপ্তির চোখের সামান্য পলকটুকুর অর্থও অনুপ ধরতে পারতোতিন বছরের সংসার ওদেরএমন লক্ষী বউ সবার কপালে জোটে নাঅনুপ পেয়েছেচোখ বন্ধ করে একমুহুর্তের জন্য সে তৃপ্তির হাসিমুখ মনে করার চেষ্টা করে
কই, মনে পড়ছে না তো! আশ্চর্য্য! হঠাৎই আবিষ্কার হয় গত ছয়মাসে তৃপ্তিকে সে একবারও প্রাণখুলে হাসতে দেখেনিঅবাক ব্যাপার তো! তবুও অনুপ চেষ্টা করেহঠাৎই একটা হাসিমুখ তার চোখের সামনে ভেসে উঠে
----------------------------------------------

"লীনা!!
অনুপের ছোটবেলার ভালোবাসালীনাকে কখনোই বলা হয়নি মনের কথাকোনদিন সাহস করে বলা হয়নি "ভালোবাসি"স্কুল ছাড়িয়ে কলেজ জীবনে পা দেয়ার সময়েই লীনা হারিয়ে যায় তার জীবন থেকেকয়েকটা বছর কী যে হাহাকার করে কেটেছে তার! তারপর জীবনে আসে তৃপ্তিতৃপ্তিকে ভালো সে কখনোই বাসেনি সে লীনার মতন করে, কিন্তু মেয়েটাকে কেন যেন জীবনের সাথে জড়িয়ে নেয় সেওকে ভালোবাসতে শেখায়তার কাছ থেকেই তৃপ্তি শেখে- ভালোবাসা কি?

তৃপ্তিকে নিয়ে ভালোই কাটছিল জীবননাইবা হল ভালোবাসা, তৃপ্তি তো তাকে ভালোবেসেছে খাঁটিতৃপ্তির সেই নিষ্পাপ ভালোবাসার সামনে ওকে কখনোই বলা হয়নি "ভালোবাসিনা"অবুঝ মেয়েটা যে কিছুতেই তা মেনে নিতে পারতো নাকিন্তু হারিয়ে যাওয়া লীনা যে আবার হঠাৎই তার জীবনে ফিরে আসবে তা কি অনুপ জানতো?!!!
তারপর যখন লীনা একদিন তাকেজড়িয়ে ধরে কান্নায় বলে সেও অনুপকে সেই স্কুল থেকে ভালোবাসে, তারপর কি আর স্থির থাকা যায়? 

অনুপের সমস্ত দুনিয়া ওলট পালট হয়ে যায়না, লীনাকে সে হারাতে পারবে নাকিছুতেই নালীনাও মেনে নেয় এই পরকীয়া সম্পর্কঅবশ্য অনুপের মতে এটা পরকীয়া নয়লীনা তার প্রথম ভালোবাসা, তৃপ্তি দ্বিতীয় 

অনুপ চোখ মেলে ছাতের দিকে তাকিয়ে থাকেফ্যানটা সর্বশক্তি দিয়ে ঘুরছেসেই সাথে অনুপের ভাবলাগুলোও কেমন যেন ঘুরতে থাকেলীনা আর তৃপ্তি- এই দুজনের একজনও কম গুরুত্বপুর্ণ না তার জীবনেলীনাকে সে ছাড়তে পারবে না, আবার তৃপ্তিকেও সে হারাতে পারবে নাআচমকা সবকিছু বড় নীরব মনে হয় 

তৃপ্তিকে কিছু একটা বলবে বলে ঘাড় ফেরাতেই দেখে তৃপ্তি ঠান্ডা জলের গ্লাস হাতে বিছানার পাশে দাঁড়িয়েচোখে সেই কেমন করা দৃষ্টি!
.................................................................


রাত দুটো বেজে ছাব্বিশঅনুপ ঘুমুচ্ছেসেদিকে একবার তাকিয়েই চোখ ফিরিয়ে নেয় তৃপ্তি, অন্ধকার আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকেতার নীরব চোখের জলে ভিজে গেছে শাড়ির অনেকটা অংশঅনুপের বিশ্বাসঘাতকতার কথা সে জেনেছে ছয়মাস আগেসেই ভয়াবহ দিনটার কথা যতই সে ভুলতে চেষ্টা করে ততই আরও যেন বেশি করে মনে পড়ে যায়কিভাবে ভুলবে তৃপ্তি? ১৭ বার অজ্ঞান হয়েছিল সেবারবার চেতন-অচেতনে একটাই প্রশ্ন ছিল,
"কেন অনুপ কেন?
---- কেন এমন করলে তুমি? আমার সমস্ত বিশ্বাসকে এভাবে টুকরো টুকরো করার আগে একবারও কি মনে হয়নি আমার কথা? কীভাবে পারলে তুমি?...

নীরব চিৎকার যেন ঝড় হয়ে এখনো বয়ে চলেছে মনেসে জানে, আজ সারা দিন অনুপ কোথায় ছিললীনার সাথেনিজের ভালোবাসার মানুষটাকে হারানোর তীব্র কষ্টে তৃপ্তির দম বন্ধ হয়ে আসেনিজের শুন্যতা নিজের মধ্যেই চেপে রেখে দিয়েছে, এমনকি আজ পর্যন্ত অনুপকেও জানতে
দেয়নিএকবার মনে হয়েছিল চলে যাবে অনুপের জীবন থেকেকিন্তু কোথায় যাবে? অনুপের ভালোবাসা হয়তো মরে গেছে, কিন্তু তৃপ্তি? তৃপ্তিতো আজও অনুপকেই ভালোবাসেএকটা মানুষকে একই সাথে কীভাবে এত ভালোবাসা যায়, আবার একইভাবে ঘৃণাও করা যায়-ভেবে হাসি পায় তৃপ্তিরপ্রতিশোধ! প্রতিশোধের নেশায় সেও জড়িয়ে পড়েছে পরকীয়ায়

"কিন্তু আমিতো শান্তি পাই না অনুপএক দিন, এক মুহুর্তের জন্যেও আমি স্বপনকে ভালোবাসতে পারিনিমন জুড়ে শুধু তুমি আর তুমিতবে তুমি কিভাবে পারলে? ভুলে গেলে আমাকে? কি অকপটে তুমি মিথ্যার পর মিথ্যা বলে যাও! চোখের দুফোঁটা জল রেলিংয়ের উপর পড়ে ছোট ছোট বিন্দুর মত ছিটকে যায় এদিক ওদিকহাতের ওষুধের শিশিটার দিকে একবার তাকায় সেশান্তি চাই, একটু শান্তি! কেউ দেবে আমায়??? কোথায় গেলে আমি একটু শান্তি পাবো- নীরব আকাশের বুকে যেন এই প্রশ্নটা জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকে
Read More»

thumbnail

ভালবাসার আবেক প্রকাস

Posted by Unknown  | No comments

যদি সে চিৎকার করে বলে
আমি তোমাকে ভালোবাসি পাবলিক প্লেস এ
তাহলে সত্যি ই সে তোমাকে ভালবাসে
যদি সে বলে
আমি তোমাকে ভালোবাসি সব বন্ধুদের সামনে
এটার অর্থ সে তোমায় নিয়ে গর্ব করতেছে
যদি সে বলে
আমি তোমাকে ভালোবাসি তার বাবা-মার সামনে
তাহলে এর অর্থ সে তোমার জন্যে প্রস্তুত
যদি সে বলে
আমি তোমাকে ভালোবাসি তার শত ব্যাস্ত কাজের মাঝে
এর অর্থ হল সে সবসময় আপনাকে ভাবে
সুতরাং ভালবাসা হল এমন এক অনুভতি যা চলবে তার নিজস্ব গতিতেই
কোন শব্দই ভালবাসার সাথে তুলনীয় নয় ♥ ♥ ♥
পোস্টটি ভাল লাগলে ট্যাগ . শেয়ার করুন এবং লাইক দিয়ে পেজ এ একটিভ থাকুন
Read More»

thumbnail

মনে পড়ে তোমাই

Posted by Unknown  | No comments



জোক
ছেলে : আমি কখনোই চাইনা আমার ছেলে বড়
হয়ে তোমার মেয়েকে disturb বা ইভটিজিং করুক
মেয়ে : ভালতো কিন্তু কিভাবে ?
ছেলে : তুমি যদি রাজি থাক
তাহলে ওরা ভাই বোন
হতে পারে!
- মোবাইলটা যখনই হাতে নেই তোমার দেওয়া সেই দুষ্টুমি মাখা মেসেজ গুলোচোখে পড়েগান শুনতে চাইলে তোমার record করা কথা গুলো play হয়ে যায়ছবি দেখতে গেলে সেখানেও তুমি… - বই পড়তে যাবো ? সেখানেও তোমার নাম লিখে রেখেছি
- কম্পিউটারের প্রতিটা folder এ তোমার ছবি… - ফেসবুক এর প্রতিটা স্ট্যাটাস এই তোমার স্মৃতিইনবক্স এ পড়ে থাকা তোমার মেসেজ… - সন্ধ্যা হলেই মনে হয় এই বুঝি তুমি ফোন দিবেমেসেজ দিয়ে বলবে " এই ছেলে, কি করছো ?" আমি তোমাকে জিঞ্জেস করতাম"কি করলা আজকে সারাদিন?" তুমি এক নিঃশাসে সব বলে দিতেআমি হাঁ হয়ে শুধুই শুনতামআর কথা শেষ হলে বলতাম "I Love You" তুমি হাসতে
তোমার সামনে গেলে কথা বলতে পারতাম নাতোমার দিকে তাকিয়ে হাসতাম শুধু
আমি ফুল হাতা শার্ট পড়তাম বলে তুমি জিজ্ঞেস করতে "তুমি ফুল শার্ট পড় কেনো ?"
আমি হাসতাম
পাগলি মেয়ে
এতোটাই ভালোবাসতাম
বুঝাতে পারি নি
এগুলো করতাম বলে তুমি শেষ বারের মতো কিভাবে যেনো বলেই ফেললে আমি তোমার ভালো চাই না
সেদিন সবচেয়ে বেশী কষ্ট বুকে নিয়ে নীরবে কেঁদেছিলামবুক ফেটে কান্না পাচ্ছিলো এবং অনেক কেঁদেছি
আজও অনেক কষ্ট হচ্ছে পাশের রুমে নানু ছিল বলে পারি নি
এখন কষ্ট নিয়েই বেঁচে আছি

Read More»

    If you would like to receive our RSS updates via email, simply enter your email address below click subscribe.

Discussion

Blogger template. Proudly Powered by Blogger.
back to top