Showing posts with label পাঠকের গল্প. Show all posts
Showing posts with label পাঠকের গল্প. Show all posts
thumbnail

একটি সত্যি কারের গল্প

Posted by Unknown  | No comments



একটি ছেলে তিন বছর সম্পর্কের পর মেয়েকে বলতেছে ,

ছেলেঃ আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাকে ভালোবাসি না ।
মেয়েঃ কি ??
ছেলেঃ হ্যা , আমি আমার জীবনকে তোমার সাথে থেকে নষ্ট করতে পারবো না ।
মেয়েঃ তুমি এই গুলো কি বলতেছ ??? এই রকম করো না আমার সাথে । 
আমার ভুলটা কোথায় ? প্লিস বল । 
ছেলেঃ আমি ব্রেক আপ চাচ্ছি ।
মেয়েঃ :'( আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না 
ছেলেঃ কিন্তু আমার ব্রেক আপ চাই । এইটা বলে ছেলে টা চলে গেল । মেয়েটি রাত্রে বেলা অনেক কান্নাকাটি করল । সে বুঝে উঠতে পারছেলিনা যে সে কি হারিয়েছে । এই রকম কিছু দিন যাওয়ার পর ও ছেলেটি মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করলনা । তখন মেয়েটি নিজেকে অনেক শক্ত করল । এবং সে তার বাবমাকে তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্যে পাত্র দেখতে বলল ।তারপর সে অন্য একটি ছেলে কে বিয়ে করল । সে সবসময় ভাল থাকার চেষ্টা করত কিন্তু পারত না ।এমনকি তার বিয়ের পর ও প্রত্যেক রাতে সে কাঁদত সেই ছেলেটির জন্যে যে তাকে অন্ধকারে একা রেখে চলে গেছে ।সে এখনো বিশ্বাস করে তার সেই মানুষটি তার কাছে আসবে , এবং তাকে নিয়ে একসাথে থাকবে ,কিন্তু তা আর হল না ।বিয়ের ২ বছর পর মেয়েটি ছেলেটির বাড়িতে গেল তার বোনের সাথে দেখা করতে । তার বোনতাকে ছেলেটির রুমে নিয়ে গেল এবং তার হাতে একটি চিঠি দিল এবং কেঁদে কেঁদে বলল , যে তার ভাই ২ বছর আগে ক্যান্সার এ মারা গেছে । তারপর মেয়েটি বাড়িতে গেল ,তারপর চিঠি টি খুলে পড়তে লাগলো "জান আমি জানি তুমি এখনো আমার জন্যে অপেক্ষা করছ ,কিন্তু এই তা হয়ত আমাদের নিয়তিতে নেই । তুমি মন খারাপ করো না , আমি এই কাজ করেছি শুধু তোমাকে শক্ত করার জন্যে ,তোমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্যে।কখনো নিজেকে দোষারোপ করো না কোন কিছুর জন্যে । আমি এখনো বেচে আছি তোমার হৃদয়ের মাঝে । আছি না ?? এবং তোমার ভালবাসা কখনো হারাবে না ।আশা ছেড়ো না , সবসময় হাসি খুশি থাকবে ,তুমি জানো আমি তোমার হাসি মুখ তা দেখতে অনেক ভালোবাসি ।আমি সব সময় তোমার সাথে ছিলাম , আছি , থাকব ।
Read More»

thumbnail

ভালোবাসার জন্য কালের প্রয়োজন নেই

Posted by Unknown  | No comments



কেউ তোমাকে পছন্দ করবে
এই আশায় নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলো না...
তুমি যেমন আছ তেমনই থাকার চেষ্টা কর..., 
যে তোমাকে সত্যিকার অর্থেই ভালবাসবে সে সত্যিকারের তোমাকেই ভালবাসবে...
ভালোবাসার জন্য কালের প্রয়োজন নেই,

একটি মুহুর্তই যথেষ্ট...
একজন প্রকৃত প্রেমিক শত শত মেয়েকে ভালবাসে না, 
বরং সে একটি মেয়েকেই শত উপায়ে ভালোবেসে থাকে......... ।
Read More»

thumbnail

প্রজাপতির ভালবাসা

Posted by Unknown  | No comments

দুই প্রজাপতি একজন আরেকজনকে খুব ভালোবাসতো।।তাদের মাঝে প্রায়ই তর্ক হতো যেকে কাকে বেশি ভালোবাসে।। যাই হোকএকদিনতারা দুজনে একটা বাজি ধরল।। বাজিরশর্ত ছিলতারা যেই বাগানে থাকে সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর একদমসকালে যে আগে বসতে পারবে সেই অন্যজনকে বেশি ভালোবাসে!! মেয়ে প্রজাপতিটা রাতে আর ঘুমাল না।। সে শুধু ভাবতে লাগলো।। ঘুমিয়ে পড়লে যদি ছেলে প্রজাপতিটা আগে চলে যায়!! খুব সকালে মেয়ে প্রজাপতিটা তাড়াতাড়ি বাসাথেকে বের হয়ে উড়তে উড়তে সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার কাছে গেলো।। তখন ছিল একদম ভোরবেলা।। চারিপাশে আলোও ফুটেনি।।সে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো কখন সকাল হবে আর ফুলটা ফুটবে!! সকাল হল।। সূর্যের প্রথম কিরণ সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর পড়লো।। আর মেয়ে প্রজাপতিটা গভীর বিস্ময়ে দেখলঃ ছেলে প্রজাপতিটা সেই ফুলের মধ্যে বসে আছে।। তারদেহে প্রান নেই।। আসলেমেয়েটাকে সকাল বেলা চমকে দেয়ার জন্য সে গত রাত থেকেই ফুলটার মধ্যে ঢুকে যায়।। রাতে যখন ঠাণ্ডা খুববেড়ে যায় তখন সে ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে মারা যায়।।মরে সে ফুলের মধ্যেই থাকে।। নিজের প্রিয়তমাকে চমকে দিতে!! মেয়ে প্রজাপতিটি এই দৃশ্য সহ্য করতে পারে না।। আগুনেঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।। ভালোবাসা আসলো এমনি।।আমাদের যেমন বাঁচতে শেখায় তেমনি মাঝে মাঝে অনেক বেশিদুর্বল করে ফেলে।। গল্পটি . . . জুতা খুইলা মুজা দিয়া পিডামু
Read More»

thumbnail

মনে পড়ল রাতের এসএমএসের কথা

Posted by Unknown  | No comments


রাত ১২টা
টুং টুং শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। মাত্র চোখটা লেগেছিল। ভীষণ রাগ হচ্ছে। এসএমএস এসেছে রুনুর, ‘দোস্ত, আই অ্যাম ইন লাভ।
সকাল সাতটা
ফেসবুক হয়ে গেছে তিন বেলার খাবারের মতো। সকাল, দুপুর, রাত অনলাইন হতেই হবে। যথারীতি অনলাইন হলাম। আরে! আমার কলিগ রুনু লিখেছে, ‘ইন এ রিলেশনশিপ উইথ রায়হান।মনে পড়ল রাতের এসএমএসের কথা। এই রায়হানটা আবার কে? দেখি, অফিসে যাই, রুনু আসুক।
সকাল নয়টা
মাত্র অফিসে ঢুকেছি, রুনু যেন উড়ে এল, ‘এই আমার এসএমএস পেয়েছিস? রায়হানকে দেখেছিস? সুন্দর না? আজ আমরা একসঙ্গে লাঞ্চ করব, তুই কিন্তু কোনো বাহানা করবি না।আমার ডেস্ক পর্যন্ত চলে এসেছে রুনু। আজ ওকে লাগছে অস্থির প্রজাপতির মতো, উড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে।
দুপুর ১২টা
কাজের খুব চাপ গেছে সারাটা সকাল। ফেসবুকে ঢুঁ মারার কোনো সুযোগ হয়নি। ঢুকেই রায়হানের ছবি দেখলাম। রুনু শেয়ার করেছে। বাহ্! রায়হান তো দেখতে খুব সুদর্শন। রুনুর পাশে খুব মানাবে।
দুপুর একটা
অতিথি শুধু আমি, রুনু আর রায়হান পাশাপাশি বসেছে। আমি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো তাদের খুনসুটি উপভোগ করছি। শোন, কি বলে জানিস, হানিমুন করতে নাকি প্যারিস যাবে। দেখ, এত টাকা খরচ করার কোনো দরকার আছে?’ ‘আরে! আমার বউয়ের জন্যই তো আমার সব। আপনি বলেন, আমি কি ভুল বললাম।রায়হানের কৃত্রিম অভিযোগ। কিন্তু টুনির জন্য কিছু জমাতে হবে না?’ ‘টুনি!রুনুর কথার রেশ ধরে আমার বিস্ময়। , তোকে তো বলা হয়নি, রায়হান ঠিক করেছে আমাদের প্রথম বেবির নাম টুনি রাখবে।রুনুর গাল লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। লাঞ্চ শেষ, আমাকে এবার বিদায় নিতে হবে। দুজনের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে আমি চললাম অফিসের দিকে। রায়হান আর রুনু প্রজাপতি হয়ে উড়ে গেল বিকেলটা উপভোগ করতে।
বিকেল চারটা
উফ্! এত কাজ! দুপুরে যে কি খেয়েছি, মনে করতে পারছি না। রুনু কি মজাই না করছে। তাদের ওয়ালে কমেন্ট পড়েই যাচ্ছে। শুভেচ্ছা, কেউ কেউ আবার বিয়ের দাওয়াত চাইছে। একটু হিংসা হচ্ছে। কীভাবে এত ভালো একটা বর পেয়ে গেল! হ্যাঁ! রায়হানকে তো ও বর বলেই ডাকে। আমার তো ফেসবুক আছে, কিন্তু রায়হানের মতো কোনো ফ্রেন্ড নেই।
রাত আটটা
মাত্র বাসায় পৌঁছালাম। বিধ্বস্ত। এর মধ্যে রুনুকে অনেকবার ফোন দিয়েছি, ধরেনি। এখন কি আর ওর আমার ফোন দেখার সময় আছে? প্রচণ্ড খিধে পেয়েছে। খাবার দিতে বলে ফ্রেশ হতে গেলাম।
রাত ১১টা ৩০ মিনিট
রুনু ফোন দিয়েছে। কী ব্যাপার! সারাটা দিন লাপাত্তা, আজিই হানিমুন সেরে ফেললি নাকি? আমি তো...
মুখের কথা শেষ করতে পারলাম না, রুনু কেড়ে নিয়ে বলল, ‘খবরদার, ওই ছোটলোকটার কথা বলবি না। ওর সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে দুই দিনে আমাকে পাবনা গিয়ে ভর্তি হতে হবে, ছিঃ! জানিস, আমার আগেও কত মেয়ের সাথে..., থ্যাংকস গড, আমি আগেই জানতে পেরেছি, এসব ছেলে...
রুনুর রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস সিঙ্গেল হয়ে গেছে। দেয়ালঘড়িতে ১২টার ঘণ্টা বাজছে।
Read More»

thumbnail

ভালোবাসি, শুধু তোমাকেই

Posted by Unknown  | No comments


ফর্সা ও হ্যান্ডসাম একটা ছেলের পাশে কালো ,চাপা ভাঙ্গা একটি মেয়ে..!
কিংবা খুব সুন্দরী একটি মেয়ের সঙ্গে বোকা বোকা চেহারার একটি ছেলে..!
সবার চোখে একদম বেমানান কাপল..!
আমি কিন্তু খুব আগ্রহ নিয়ে দেখি এই বেমানানকাপলদের..!
কি প্রবল ভালোবাসা নিয়েই না একজন আরেকজনের দিকে তাকায়..!
যেন তার সঙ্গীটিই রাজকুমার কিংবা রাজকুমারী।
পুরো দুনিয়ার কটাক্ষ তুচ্ছ করে কতো যত্নেই না সঙ্গীর হাত আঁকড়ে ধরে রাখে..!
যেন সবাই যা বলে বলুক না...!
আমি তো বলছি ভালোবাসি, শুধু তোমাকেই..!
কী যে চমৎকার লাগে...
বেমানান কাপলগুলো মনে করিয়ে দেয় যে...
পৃথিবীতে আসল ভালোবাসা বলে অবশ্যই কিছু আছে...
সব ভালোবাসা শরীর কিংবা চেহারাকে ঘিরে আবর্তিত হয় না..!
Read More»

thumbnail

টিনএজারদের যৌবনের তাড়না ও করণীয়

Posted by Unknown  | No comments


 লেখক: রাজু আহমেদ |
 
যৌবন কাল মানুষের জীবনে এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়। যৌবন জীবনের সেরা ও দুর্লভ সময়। যখন বয়স ১২ তখন যৌবন এলো। যৌবনের সূচনা টিনএজে। এই বয়সে তারা কোন কিছুতেই স্হির থাকতে পারে না, টিনএজার-দেরদেহমনে উদ্দাম গতিবেগ সৃষ্টি হয়। নানা মন্ত্রনা-তাড়নার চিত্তে প্রবেশ করে তাকে অস্তির করে তোলে, যৌবনের স্পর্শে হয়ে ওঠে পাগল। যৌবনের তাড়নায় সংগ্রামী সৈনিক মাঠে নামে যৌবন তৃপ্তির আসায় রুখে দ্বাড়ায় কুমারীর সামনে। তাকে কাছে পেতে চায় তার সাথে সম্পর্ক করতে চায় যৌবনের স্বাদ পরক করতে চায়। টিনএজার-যে দুর্বার পথে প্রান্তে ছড়ায় বহু তুফান, যৌবনের তাড়নায় উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ে ভুল করে আবার ভুলের বুকে ফুল ফোটায়, এই বয়সে অফুরন্ত যৌবন শক্তি তাজা তাজা প্রানে অসহ্য যন্ত্রনা, যন্ত্রনা মেটানোর জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে দেহমন। চোখ বন্ধ করে ঝাপ দেয় পচা গর্থে, অভাস্ত হয়ে ওঠে বদ অভ্যাসে। তাড়নার কামনায় নেমে আসে ক্ষতি। যৌবন কখনও কাঁদে না, অন্যকে কাঁদায়
আমাদের সকল কেই বয়সের সম্মুখিন হতে হয়। কেউ এই বয়স উপেক্ষা করে পার হতে পারে না। এই বয়সে সঠিক ভাবে চলার জন্য আমার কিছু সাজেশন আছে। আশাকরি, মনোযোগ সহকারে পড়বেন ও পালন করার চেষ্টা করবেন।

প্রথমত তোমাদেরকে বলছি (টিনএজার-দের)
১. এই বয়সটা জ্ঞান অর্জন করার, পড়ায় প্রচুর সময় দাও।
২. পাশাপাশি আরও কিছু জানার চেষ্টা কর।
৩. পড়ার পাশাপাশি খেলার মাঠে সময় দিতে পারো।
৪. নিজের যৌবন বা প্রেমের বিষয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা কর। কারন তোমাদের মনে হতে পারে এটাই তোমাদের এই পথ, তোমাদের এই পথেই যাওয়া উচিৎ। কিন্তু মনে রাখবা যৌবন খুবই সীমিত এই বয়সেই সব শেষ করে ফেললে পরের জন্য আর কিছুই থাকবে না।

এবার অভিভাবকদের কে বলছি
আপনারা ছেলে মেয়ের প্রতি বেশি মনযোগী হবেন, তাদেরকে নজরে রাখার চেষ্টা করবেন, তাদেরকে চলার জন্য দিক নির্দেশনা ঠিক করে দেবেন। এই বয়সের ছেলে বা মেয়েরা অনেক নতুন নতুন অনেক কিছু পায়। কিন্তু তারা এই গুলোর সঠিক ব্যাবহার জানে না, সেটা শেখানোর দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। এই বয়সের ছেলে-মেয়েরা নিজস্ব দুনিয়া তৈরি করতে চায়, তাদেরকে সেই পরিবেশ তৈরি করে দেন, বন্ধুত্বের মাধ্যমে তাদেরকে খারাপ জিনিষ গুলো বুঝিয়ে দেন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দিন। মনে রাখবেন, আপনার অভিভাবকরা যে ভুল করেছিল সেই ভুল কিন্তু আপনারা করবেন না আশাকরি। এটাই সঠিক সময় নিজেকে সঠিক করে চেনার। আসুন আমরা সকলে মিলে এই সময়টাকে সুন্দর করে তোলার চেষ্টা করি এবং চেষ্টা করি কেউ যেন আর খারাপ পথে না যায়।

Read More»

thumbnail

সত্যিকার ভালোবাসা

Posted by Unknown  | No comments


এক ছেলের Girlfriend খুব
কাঁন্না করতেছে...
তো সে গিয়ে তার Girlfriend এর চোখের
পানি মুছে দিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল...
.......ছেলেটি জড়িয়ে ধরার পর
... মেয়েটি আরো জোরে জোরে কাঁদতে লাগল...
ছেলেটি অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, আবার
কাঁদছ কেন???
মেয়েটি বলল আমার প্রত্যেক
ফোঁটা চোখের
পানির
বিনিময়ে যদি তুমি আমাকে এভাবে জড়িয়ে ধরো
তাহলে সারা জীবন
ধরে আমি কাঁদতে রাজি....

এটাই সত্যিকার ভালোবাসা

Read More»

thumbnail

পাশের বাড়ির সুমিরসাথে

Posted by Unknown  | No comments


ছেলে : আব্বু, আমি বিয়ে করবো ।
বাবা : বাবা, তোমার তো এখন ও বয়স হয়নি ।
আরেকটু বড় হও তার পর তোমার বিয়ে দিব ।
ছেলে : আচ্ছা, আমি তাহলে খেলতে যায় ।
বাবা: কোথায় খেলতে যাবা ?
ছেলে : আব্বু , পাশের বাড়ির সুমিরসাথে
খেলতে যাব ।
বাবা : না বাবা, তুমি তো এখন বড়হইছো ।
এখন তো আর সুমির সাথে খেলা যাবেনা ।
ছেলে : আব্বু . তাহলে আমার বিয়ে** :D
বাবা : !!!!!!!!!! :P
 
Read More»

thumbnail

প্রেমের গল্প

Posted by Unknown  | No comments





শোবিজের প্রেম নাকি আজ আছে কাল নেই! কিন্তু সবার ক্ষেত্রে কি এ কথা খাটে? প্রভা দেখিয়ে দিয়েছেন, প্রথম প্রণয়কে পরিণয়ে রূপ দেওয়ার সাহস, ধৈর্য দুটোই তিনি রাখেনসেই স্কুলজীবন থেকে শুরু হয়েছিল রাজীবের সঙ্গে তাঁর প্রেমের গল্পরাজীব তখন কলেজে পড়েন; প্রভা স্কুলে, নবম শ্রেণীতেতখনো প্রভা মর্ত্যের তারকা হয়ে ওঠেননি, প্রথমবার এক ঝলক প্রভাকে দেখেই রাজীব অপলক তাকিয়ে ছিলেনপরে চোখের পলক পড়লেও মন থেকে কিছুতেই সরাতে পারেননিব্যস, প্রেমিক পুরুষ বের করে নেন স্বপ্নের রাজকন্যার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরপ্রথমে বিরক্ত, পরে নিমরাজি, সব শেষে কথা বলতে বলতে প্রভাও মন দিয়ে দেন রাজীবকেমুঠোফোনেই চলে দুজনার ভাব বিনিময়অবশেষে মুঠোফোনেই প্রেমপ্রেমের প্রস্তাবে হ্যাঁজানিয়ে দিলেও প্রভা তখনো রাজীবকে দেখেননিএক মাস পর প্রথম দেখার পর্বটিও সেরে নেন দুজনেরাজীব ক্রিকেট খেলে পাওয়া মেডেল’, মহামূল্যবান ঘড়িউপহার দেন প্রভাকেসেই উপহার সারা জীবন সযত্নে রাখার শপথ নেন প্রভাস্কুলছাত্রী প্রভার জন্য অবশ্য তখন রাজীবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত্ করাটা বেশ মুশকিলই ছিলকলেজে উঠে কোচিং করার ফাঁকে ফাঁকে প্রেমের পর্ব চলতে থাকেবিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় প্রেম তো আর বাধা মানে নাতবে এটা ঠিক, আট বছর সমান্তরালে প্রেম চলেনিঅনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছেন দুজনেএ বছর হঠাৎ করেই রাজীব একদিন প্রভাকে প্রস্তাব করে বসেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে?’ ব্যস, লাজুক হেসে রাজীবের রাজকন্যাও সায় জানিয়ে দেনবিয়েটা হচ্ছে আগামী বছরতবে বিয়ের প্রস্তুতি হিসেবে গত শুক্রবার স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে একে অপরের হাতে আংটি পরিয়ে দেন প্রভা-রাজীববাগদানে শোবিজের খুব বেশি অতিথি ছিলেন না, পরিবার-আত্মীয়স্বজন, কাছের বন্ধুবান্ধবই ছিলেন বেশিবিয়ে নিয়ে কন্যা এতটাই উচ্ছ্বসিত, নিজের বাগদানের পোশাকটিও প্রভা মুন কালেকশনের মুনমুনের সঙ্গে তৈরি করেনকানিজ আলমাসের কাছে সাজ নিয়ে বর আসার আগেই পৌঁছে যান প্রভাউপস্থাপক প্রশ্ন করেন, কেমন লাগছে? প্রভা স্বভাবসুলভ হাসি ছড়িয়ে জানান, ‘আমি সব সময় বেশি কথা বলিআজ তাই আমাকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কম কথা বলিতাই অল্প কথাতেই বলিখুব বেশি ভালো লাগছেঅবশ্য মঞ্চে বসেও প্রভা তথাকথিত কনেদের মতো আচরণ করতে পারছিলেন নামঞ্চের পেছনে ফুলটা কই?’, ‘আলো কখন নেভানো হবে?’—প্রভার কথার ফুলঝুরি বরাবরের মতোই ঝরছিল অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত
Read More»

thumbnail

এক প্রেমিকের আত্মকথন

Posted by Unknown  | No comments


মাঝরাত পেরিয়ে গেছে অনেকক্ষণবিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছি কিন্তু ঘুম আর আসছে নাকি করে আসবে? আমার মত অবস্থায় পড়লে এ পৃথিবীর সবচেয়ে পাথর-হৃদয় মানুষেরও নির্ঘুম রাত কাটাবার কথাআর আমি তো সে তুলনায় নিতান্তই সাদাসিধে একজন মানুষযার হৃদয় গ্রীক প্রেম-দেবতা কিউপিডের টার্গেট প্রাকটিসের জন্য নির্ধারিতসেই বুঝতে শেখার পর থেকে আমি শুধু প্রেমে পড়ছি আর ছ্যাঁকা খাচ্ছিতবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার আগে যে সব ছ্যাঁকা খেয়েছি তার সবই মনে মনেযেমন জীবনের প্রথম ছ্যাঁকাটা খেয়েছিলাম রোমান হলিডে দেখে অড্রেহেপবার্ন কে ভালবেসেকিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে যেটা খেয়ে ছিলাম তা একেবারে রাম ছ্যাঁকামোটামুটি দুই বছর প্রেম করার পর জানতে পারলাম আমার প্রেমিকার উচ্চাকাঙ্খা এভারেস্ট শৃঙ্গের চেয়েও উঁচুসে আমার মত মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলের সাথে দু বছর প্রেম করলেও ঘর বাঁধতে পাড়বে নাসেই ছ্যাঁকা খাবার পর ছাত্রজীবনে আর প্রেম করার সাধ হয়নিবিপত্তি বাঁধলো পড়া-শোনা শেষ করে চাকরীতে ঢোকার পরএখনো আমি বুঝতে পারছি না এটাও কি ছ্যাঁকা খেলাম নাকি অন্যকিছুএকটা সম্পর্ক এতো দূর এগিয়ে গিয়ে কি করে ভাঙতে পারে তা আমার মাথায় কিছুতেই আসছে নারাতের পর রাত নির্ঘুম কেটে যাচ্ছেআমার বন্ধুর মত বাবা, আমার একমাত্র ছোট বোন, আমার এমন বিস্রস্ত অবস্থা দেখে হাজারটা প্রশ্ন করছেকিন্ত আমি তাদের প্রশ্নের কোন জবাব দিতে পারিনা
ঘটনার শুরু এক বছর আগেতখন চাকরীতে ঢুকেছি প্রায় দেড় বছর হয়ে গেছেএই দেড় বছরেই চাকরীর প্রতি একটা বিতৃষ্ণা এসে গেছেবুঝে গেছি - মধ্যযুগে রাজা-বাদশাহদের দাসত্ব করাটাই এখন ভোল পাল্টে চাকরীতে রূপান্তরিত হয়েছেএই যখন অবস্থা তখন আমাদের অফিসে ইন্টার্নশিপ করতে এলো আভা নামের একটি মেয়েদেখতে সে এতই সুন্দর যে যেকোন পুরুষের চোখ তার দিকে চুম্বকের মত আকৃষ্ট হবেকাজের ফাঁকেই পরিচয় হলো, কথা হলোআর তাতে বুঝতে পারলাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার ভেতর একটা ভদ্র, মার্জিত, প্রখড় বুদ্ধি সম্পন্ন মন আছেএকই মেয়ের ভেতর সৌন্দর্য আর বুদ্ধির সন্নিবেশ আসলেই খুব বিরল ঘটনামনটা আমার আবার কেমন করে উঠলোএমন মেয়ের সঙ্গী হতে পাড়লে তো মন্দ হয় নাকিন্তু কিভাবে কি করবো বুঝতে পাড়ছিলাম নাসারাক্ষণ সে তার চারপাশে একটা দূবত্বের দেয়াল তুলে রাখেঅফিসের অনেক ঝানু মেয়ে-সংহারী চেষ্টা করলো সে দেয়াল ভাঙতেকিন্তু মেয়েটি তার অমায়িক অথচ শীতল ব্যাবহার দিয়ে তাদের সব চেষ্টা ব্যার্থ করে দিলআমি তাই আর এগুনোর সাহস পেলাম না














একদিন অফিস শেষে বাসায় ফিরছিলামবাহন আমার প্রিয় ইয়ামাহা মটরবাইকঅফিস থেকে বের হয়ে বড় রাস্তার মোড়ে আসতেই দেখি আভা দাঁড়িয়ে আছে ট্যাক্সি ধরার আশায়আমি তার কাছে গিয়ে বাইক থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম - কি স্টাফ বাস মিস করেছেন? সে হ্যা সূচক মাথা নাড়লোতখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছেতাছাড়া অফিস শেষে ট্যাক্সি পাওয়া আর সোনার হরীন পাওয়া একই কথাতাই সাহস করে বলে ফেল্লাম - কিছু মনে না করলে আপনি আমার বাইকে লিফ্ট নিতে পাড়েনইদানিং ছিনতাই যে হারে বেড়েছে তাতে সন্ধ্যার পর ট্যাক্সিতে একা চড়া নিরাপদ নয়আভা কিছুক্ষণ ভাবলো তারপর বলল - আমি আপনার বাইকে বাসা পর্যন্ত যেতে পারবো নাতাহলে পাড়ার লোকজন আঁড়চোখে তাকাবেআপনি আমাকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারবেন? আমি ওখান থেকে রিক্সা নিয়ে চলে যাবোআমি সানন্দে রাজি হয়ে বললাম - অবশ্যই পারবোসে বলল - আপনার আবার উল্টো হয়ে যাবে না তো? আমি সাথে সাথে জবাব দিলাম - না না উল্টো হবে নাআমার বাসা মিরপুর হলেও আমি উত্তরা যাচ্ছিলাম আমার এক বন্ধুর সাথে দেখা করতেসে মুচকি হেসে উঠে পড়লো আমার পেছনেতার মাথায় যে বুদ্ধি তাতে ঠিক সে আমার মিথ্যে কথা ধরে ফেলেছে কিন্তু আমাকে বুঝতে দেয় নিআমি তখন খুব সাবধানে বাইক চালাচ্ছিসে আলতো করে তার ডান হাত আমার কাঁধে রেখেছেআমার নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছিলমনে হচ্ছিল এ পথ যদি না শেষ হয় ........
পরের দিন অফিস শেষে আবার একই ঘটনামটরসাইকেল নিয়ে বড় রাস্তায় আসতেই মোড়ে দেখি আভা দাঁড়ানোআমি বাইক থামিয়ে হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলাম - কি আজো বাস মিস? সে হ্যা সূচক মাথা নাড়লোআমি বললাম - চলুন তবে দিয়ে আসিসে হেসে বাইকে উঠে পড়লো, বলল - আজ নিশ্চই আপনার বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন না? আমিও হেসে জবাব দিলাম - না আজ এক বন্ধুকে বাসায় পৌঁছে দিতে যাচ্ছিসে আমার কথায় বেশ মজা পেয়ে খিল খিল করে হেসে বলল - সত্যি কথাটা বলে ফেলি, আজ ইচ্ছে করেই বাস মিস করেছিআসলে গত কাল আপনার বাইকে চড়ে এত ভালো লেগেছে যে আজও খুব লোভ হল আরেকবার বাইকে চড়ারতাই আপনার জন্য এখানে অপেক্ষা করছিলামআমি জানতাম আমাকে দেখে আপনি আবারো লিফট দেবেনআমি খুশি হয়ে বললাম - হু , অবশ্যই লিফট দেবআপনি চাইলে প্রতিদিন লিফট দেবনা না প্রতিদিন দেবার দরকার নেই - আভা আবারো হাসলো - মাঝে মাঝে যখন ইচ্ছা করবে তখন আপনার কাছে আবদার করবোতখন দিলেই চলবেআমি মাথা নেড়ে বললাম ঠিক আছে তাই হবে
এর পরের দুমাস আমাদের এমনি করেই চললসপ্তাহে অন্তত দুদিন আভা আমার মটরসাইকেলে চড়তসে যে এটা খুব উপভোগ করতো তা আমি বুঝতে পারতামএকবার সে নিজেই বলল, মটরবাইকে চড়লে তার নিজেকে পাখীর মত মনে হয়যেন পাখীর মতো সে খোলা আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছেআমার অফিসে সারাটাদিন কাটতো একটাই চিন্তা নিয়ে - আভা কি আজ আমার বাইকে চড়বেআমি উন্মুখ হয়ে অপেক্ষঅ করতাম অফিস শেষ হবার জন্যঅফিস শেষেই ছুটে যেতাম সেই মোড়ের কাছেযেখানে আভা দাঁড়িয়ে থাকে আমার জন্যসে কখনোই অফিসের সামনে থেকে আমার বাইকে উঠতো নাঅফিসের লোকজন আবার কি মনে করে সে সংকোচেরাস্তার মোড়ে গিয়ে যেদিন আভাকে দেখতাম না সেদিন সন্ধ্যা আমার কাছে বিস্বাদ হয়ে যেতকিছুই ভালো লাগতো নাবাসায় গিয়ে চুপচাপ গোঁজ হয়ে শুয়ে থাকতামআর যেদিন সে আমার বাইকে উঠতো সেদিনের সন্ধ্যা আমার কাছে স্বপ্নীল হয়ে উঠতোতার শরীরের নেশাতুর সুবাস আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলতোআমার কাঁধে তার আলতো হাত রাখা আমার গোটা শরীরকে যেন অবস করে দিত
আমি অনেক চেষ্টা করেও এ দুমাসে আভার সাথে আমার সম্পর্কটা আরেকটু গাঢ় করতে পারিনিএকটা নির্দিষ্ট গন্ডির বাইরে কখনোই সে আমাকে যেতে দেয়নিতার চারপাশের সেই অদৃশ্য দেয়ালে আমার সব চেষ্টা বৃথাই মাথা কুটে মরেছেকতবার তাকে পৌঁছে দেবার ফাঁকে অনুরোধ করেছি - চলুন আজ আমরা কোথাও থামি একটুকিছু খাইসে মাথা নেড়ে বলতো - না না এমনিতেই সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছেবাসায় দেরী করে গেলে মা বকবেতার এ কথার পিঠে আমি আর কথা বাড়াতাম নাযতটুকু তাকে কাছে পাচ্ছি ততটুকুও যদি বন্ধ হয়ে যায় এই ভয়েপ্রতিবারই সে এয়ারপোর্ট বাসস্ট্যান্ডে নেমে যেততারপর রিক্সা করে বাসায় যেতমাঝে মাঝে ক্ষমা প্রার্থীর মতো বলতো - আমি ভীষণ দুঃখিত যে আপনাকে বাসায় নিতে পারছি নাআমার বাবা-মা খুব রক্ষণশীলআপনার সাথে যে এতদূর বাইকে করে আসি এটা জানলেই তারা তুলকালাম কান্ড বাঁধিয়ে দেবেআমি মাথা নেড়ে বলতাম - না ঠিক আছেএটা কোন সমস্যাই নয়
এভাবে দিনগুলো আমার বেশ সুখে কেটে যাচ্ছিলকিন্তু একদিন আমার সে সুখ ফুরালোঅফিসে একদিন আভা এসে আমার টেবিলের সামনে দাঁড়ালোবলল - আপনাকে বলা হয়নি, আজ আপনাদের অফিসে আমার শেষদিনআমার ইন্টার্নশিপ শেষ হয়ে যাচ্ছে আজমুহুর্তে যেন আমি মুক-বধির হয়ে গেলামকিছুক্ষণ পর নিজেকে ফিরে পেয়ে বললাম - আজ শেষ দিন আর আপনি আমাকে আজই তা জানাচ্ছেন ? সে বলল - কি ভাবে যে বলবো বুঝতে পারছিলাম নাপ্লিজ আপনি কিছু মনে করবেন না! আমি কিছু না বলে শুধু হেসে মাথা নাড়লামসে মলিন হেসে বলল - আজ আপনার বাইকে শেষবারের মত লিফট চাইবো দেবেন ? আমি এবারো মাথা হেসে মাথা নাড়লামআসলে আমি বলার মত কিছু খুঁজে পাচ্ছিলাম নামনে হচ্ছিল গলার কাছে কি যেন দলা পাকিয়ে আছেআর একটা প্রচন্ড বেদনা আমার বুকটাকে দুমড়ে মুচড়ে দিচ্ছিল
অফিস শেষে সেই রাস্তার মোড়ে গেলামদেখি আভা হাস্যোজ্জল মুখে দাঁড়িয়ে আছেঅফিসে খেয়াল করিনি কিন্তু এখন দেখলাম যে আজ তাকে আরো সুন্দর লাগছেসে আজ সেজে এসেছেসাজে কোন উগ্রতা নেইআছে কেবল প্রচ্ছন্ন স্নীগ্ধতাআমাকে থামতে দেখেই সে টুপ করে বাইকে উঠে পড়লোবলল - আজ কিন্তু আমাকে খাওয়াতে হবে! আমি মাকে বলে এসেছি অফিসের শেষদিন বলে আজ ফিরতে দেরী হবে
আমি তাকে আমার প্রিয় একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলামতার পছন্দের খাবার অর্ডার দিলামহাজার চেষ্টা করেও মুখে হাসি ফোটাতে পারছিলাম না আমিবুঝতে পারছিলাম ব্যাপারটা ভালো দেখাচ্ছে নাকিন্তু নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না মোটেইআভার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে হাসছে আর মজা করে খাবার খাচ্ছেআমাকে তাকাতে দেখে বলল - আপনি এমন করছেন যেন আমি আপনার প্রেমিকাআপনাকে ছেড়ে চিরদিনের মত চলে যাচ্ছিআমি লজ্জ্বা পেয়ে মাথা নিচু করলামনিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারছিলাম না বলে নিজের ওপর রাগ হচ্ছিল খুব
খাওয়া শেষে আভাকে এয়ারপোর্ট বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিলামসে তার হ্যান্ডব্যাগ খুলে আমার দিকে একটা প্যাকেট বাড়িয়ে দিলবলল - এটা আপনার জন্যআমি হাত বাড়িয়ে নিলাম তার উপহারবললাম - আর কখনো কি দেখা হবে? আভাও তখন গম্ভীরবলল - জানিনাআমি বললাম - আপনার মোবাইল নম্বরটা কি পেতে পারি? সে বিষন্ন স্বরে বলল - থাক না! নম্বর না হয় নাই নিলেন! আমার কাছে আপনার মোবাইল নম্বর আছেঅফিস থেকে সংগ্রহ করেছিকোনদিন হয়তো আমিই ফোন করবোআপনি ভালো থাকবেনআর আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ এতদিন লিফট দিয়েছেন তাইখুব আনন্দের সময় কেটেছে আপনার সাথে আমারআমি বললাম - আপনিও ভালো থাকবেনআর কখনো আবার মটরসাইকেলে চড়তে ইচ্ছা হলে ফোন করবেন চলে আসবোসে হেসে হাত নেড়ে একটা রিক্সায় উঠে পড়লো
আমি কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকে বাইক ঘোরালাম বাসার উদ্দেশ্যেমনে মেঘের ঘনঘটাভাবছিলাম এভাবে কিছু শুরু না হতেই কি ভাবে সব শেষ হয়ে গেল! কিছুতেই আমি এটা মানতে পাড়ছিলাম না
Read More»

    If you would like to receive our RSS updates via email, simply enter your email address below click subscribe.

Discussion

Blogger template. Proudly Powered by Blogger.
back to top