Showing posts with label ভালবাসার ইতিহাস. Show all posts
Showing posts with label ভালবাসার ইতিহাস. Show all posts
thumbnail

৩ টি সুন্দর গল্প

Posted by Unknown  | No comments



১) একদিন সব
গ্রামবাসী মিলে সিদ্ধান্ত নিল
তারা বৃষ্টির জন্য দুয়া করবে। সবাই
সমবেত হল, কেবল একটি ছেলে ছাতা সহ
এলো।
এটাই 'বিশ্বাস'

২) আপনি যখন কোন
শিশুকে শূন্যে ছুঁড়ে খেলা করেন, সে তখন
হাসতে থাকে কারণ
সে জানে আপনি তাকে আবার
ধরে ফেলবেন।
এটাই 'ভরসা'

৩) প্রতি রাতে আমরা যখন ঘুমাতে যাই,
কোন নিশ্চয়তা নেই যে আমরা পরের দিন
আবার জেগে উঠতে পারব। তবুও
আমরা পরের দিনের জন্য অ্যালার্ম
দিয়ে রাখি।
এটাই 'আশা'
কাজেই, আল্লাহর উপর বিশ্বাস,
ভরসা এবং আশা রাখুন।
"যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর
ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট।"
Read More»

thumbnail

মালাবদল দুই তরুণীর

Posted by Unknown  | No comments

দুই তরুণীর মালাবদল!
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: একদমই নজিরবিহীন এক প্রেম! বিপরীত লিঙ্গের নয়, বরং সমলিঙ্গের দু’জন মানুষ জড়িয়েছে পরস্পরের প্রেমে। শুধু কি প্রেম, সে প্রেম রীতিমতো পরিণয়ে গড়িয়েছে। হ্যাঁ, মালাবদল করে দুই তরুণী, সানজিদা আর পূজা, ঘরও বেঁধেছেন গোপনে। এরপর এ নিয়ে হয়ে গেল কতো না নাটক--- থানা-পুলিশ, লোক জানাজানি!

পশ্চিমা সমাজে হলে খুব একটা অবাক হতো না কেউ। কেননা সেখানে নারী সমকামিতা বা লেসবিয়ান প্রেমের নজিরও ভুরি ভুরি। কিন্তু ব্যাপারটা যে ঘটেছে বাংলাদেশের মতো রক্ষণশীল সমাজে। সমাজের ট্যাবু ভাঙ্গা এই বিরলতম ঘটনাটি তাই ভুরু কপালে তুলে দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

পিরোজপুর জেলার দুই তরুণী শ্রাবন্তী রায় পূজা (১৬) ও  মোছাম্মৎ সানজিদা (২১)। টানা ক’বছর ধরে প্রেম করে গেছেন দু’জনে—নিভৃতে, গোপনে। তাদের পরিচয়টা হয়েছিল মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে। দিনে দিনে তাদের সখ্য রূপ নেয় প্রেমে। তারপর তারা সিদ্ধান্ত নেয় দূরে কোথাও পালিয়ে গিয়ে ঘর বাঁধবে। যেমন বলা তেমনই কাজ।

গত ১৪ জুলাই ঘর ছেড়ে পিরোজপুর থেকে ঢাকায় চলে আসেন দু’জন। রাজধানীতেই ‍তারা সুখের খোঁজে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন।

এদিকে, শ্রাবন্তী রায় পূজার বাবা কৃষ্ণকান্তি শীল মেয়েকে না পেয়ে গত ২০ জুলাই পিরোজপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিরোজপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদল কৃষ্ণ অপহরণকারীকে গ্রেফতারের জন্য সোর্স নিয়োগ করেন। তিনি জানতে পারেন পূজাকে ‘অপহরণকারী’ আর কেউ নন, তিনিও আরেকজন নারী। তার নাম মোছা. সানজিদা ।

তাদের মোবাইল ট্র্যাকিং করে তিনি জানতে পারেন তারা রাজধানীতে একটি বাসায় অবস্থান করছেন। পরে র‌্যাব-২ এর সহযোগিতায় সানজিদা ও পূজাকে মঙ্গলবার দুপুরে থেকে আটক করা হয়। উদ্ধারের পর তাদের প্রেমের বিষয়ে জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সানজিদা পিরোজপুর অনার্সের ছাত্রী। সানজিদা র‌্যাবকে জানান, তারা একে অপরকে দীর্ঘ দিন ধরে ভালোবেসে আসছিলেন। শেষমেষ ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে পিরোজপুর থেকে ঢাকায় পালিয়ে আসেন দু’জনে।

পূজাও র‌্যাব কর্মকর্তা লে. সাজ্জাদকে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে বলেছেন, ‘একটা ছেলে যদি একটি মেয়েকে ভালো বাসতে পারে, তবে একটা মেয়ে কেন আরেকটা  মেয়েকে ভালোবাসতে পারবে না?’

‘ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে আমরা ঢাকায় এসেছি। হিন্দুশাস্ত্র মতে সোমবার সন্ধ্যায় ওই বাসায় সিঁদুর পরিয়ে সানজিদা আমাকে বিয়ে করেছে।’

পূজা নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবার দায়ের করা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাদল কৃষ্ণ হতবাকই হয়েছেন শুধু। কারণ এমন অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড তিনি কস্মিনকালেও দেখেননি বা শোনেননি।

এসআই কৃষ্ণ বাংলানিউজকে তার বিস্ময় মেশানো প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, ‘প্রথমে আমি মনে করেছিলাম পূজাকে কোনো প্রেমিক এসে নিয়ে পালিয়ে গেছে। কিন্তু তদন্ত করে গিয়ে দেখি, এতো  আরেক নারী সানজিদা। আর সেই হলো কিনা পূজার প্রেমিক!’

তিনি বলেন, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আমরা যখন তাদের সন্ধান পাই তখন র‌্যাব-২ এর সহায়তায় তাদের আটক করি।

র‌্যাব-২ এর লে. সাজ্জাদ জানান, ‘তাদের উদ্ধার (আটক)  করার পর তাদের কথাবার্তা শুনে অবাক হয়েছি। কারণ একটি ছেলে একটি মেয়েকে ভালোবাসে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটি মেয়ে আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘর বেঁধেছে---এমনটা তো এদেশে স্বপ্নেও বিরল।’

উদ্ধারের পর দু’জনকে র‌্যাব-২ শিয়া মসজিদ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পূজার বাবার করা মামলার সূত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআইর বাদল কৃষ্ণের কাছে সোপর্দ করা হয়। বাদল তাদের নিয়ে পিরোজপুরের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন।
Read More»

thumbnail

ভালবাসার বাসর রাত

Posted by Unknown  | No comments

সেই ছুডু বেলার কথা, বিটিভি তে ১ টা বাংলা ছিনেমা দেখছিলাম। ছিনেমার নাম "পালাবি কোথায়"। অনেকেই হয়ত ছিনেমা টা দেখছেন! যাইহোক ছিনেমা দেইখাই আমার মাথায় বিলাই ঢুকছে, বিলাই টা বড়ই বজ্জাত, খালি বইয়া বইয়া মিউ মিউ করে।
তবে এমুন মিউ মিউ করার কারন ১ টা অবশ্য আছে।
ঐ ছিনেমার একটা গান আছে, লাইনগুলো এরকম " ও তোমরা যে যাই কর ভাই... বাসর রাইতে বিলাই মারা চাই"।
গানের দৃশ্যে বস্তির মধ্যে বিয়ে হচ্ছে আর সেখানে চম্পা এবং আলিরাজ ব্যাপুক নাচাকুদার মধ্যে দিয়া বলেই যাচ্ছে বিলাই মারা চাই বিলাই মারা চাই। আলিরাজের দেহ মাশাল্লাহ বিশাল ছিল এই লোক বিলাই রে তুইলা এক আছাড় দিলেই বিলাই মইরা ভ্যাটকাইয়া যাইব, এই বিষয়ে কোন সন্দেহ ছিল না।
সে যাই হোক, এই গান শুনার পর থেকেই মাথায় বিলাই ঢুকছে, সারাদিন খালি মিউ মিউ করে। মাথার ভিতরে বইসা বইসা বিলাই টা চিন্তা করে বাসর রাইতে আবার ক্যাম্নে বিলাই মারে!!

কত রাইতের ঘুম হারাম করছি বিলাই মারার এই কাহিনী খুঁজতে গিয়া, তার ইয়ত্তা নাই।
খালি কি এই এক প্রশ্ন? পৃথিবীতে এতো সব জন্তু জানোয়ার থাকতে বাসর রাইতে বিলাই কেন মারতে হইবে? এইটা চিন্তা করতে করতেও মাথা আউলাইয়া গেছিলো।
যেহেতু বাসররাত হয় রাতের বেলায় তাই বউ জামাই দুইজনে মিল্লা বিলাই না মাইরা মশা মারলেও কামে দিবো, রাতের বাকি অংশ শান্তিতে ঘুমাইতে পারব, এই কথা মাথায় আসেনা কেনু কারো?
আরেকটা কথা, বিলাই যদি মারতেই হয় তাইলে এতো মারামারির কি দরকার? কইষ্যা ১ টা লাত্থি মারলেই তো হয়! রাস্তা ঘাটে কুত্তা দেখেলেই লাত্থি মারতে মঞ্চায় আমার, তাই ভাবছিলাম আমি বাসর রাইতে কুত্তা মারমু। মারতে যদি নাও পারি তাইলে ১ টা লাত্থি অন্তত মারমুই।
মাথার ভিতরের বিলাইয়ের তাড়নায় তাড়িত হয়ে বাসর রাতে বিলাই মারার উপায় বাহির করিতে ব্যাপুক গবেষণা করার পর বেশ কিছু সিদ্ধান্তে উপনীত হইলাম।
আমরা চাইলে একা একা বিলাই মারিতে পারি আবার দুজনে মিলেও বিলাই মারা সম্ভব।
এজন্য আপনাকে বাসর ঘরে প্রবেশ করেই দরজা বন্ধ করে দিতে হবে যেন বিলাই পালিয়ে যেতে না পারে। মনে রাখবেন বাসর রাত কিন্তু বার বার আসে না, বিলাই যে করেই হোক মারতেই হবে। বিলাই কে পালাইতে দেয়া যাবেনা।
আরেকটা কথা যেহেতু মারামারির বিষয়, তাই বিলাই আপনি প্রোটেকশন নিয়েও মারতে পারেন আবার প্রোটেকশন ছাড়াও মারতে পারে, সেটা নির্ভর করে আপনি বিলাই মারা থেকে কতটা আনন্দ পেতে চান তার উপরে। যেহেতু বাসর রাতে প্রথম বার মারবেন তাই প্রটেকশন সহ মারাই ভালো।
বিলাই মারিবার পূর্বে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে নিতে হবে, এক্ষেত্রে আপনি বিদ্রোহী কবি নজরুল কে অনুসরণ করতে পারেন।নিজেকে বিলাই মারার জন্য উজ্জিবিত করতে আপনি...
আমি সেইদিন হব শান্ত,
বাসর রাতে বিলাই মারিয়া যেইদিন হব ক্লান্ত
আমি সেইদিন হব শান্ত...
এই কবিতা মনে মনে পড়তে পারেন।
আপনি চাইলে দেশি বিলাই মারতে পারেন আবার বিদেশি বিলাইও মারতে পারেন। সেটা নির্ভর করে আপনি কেমন বিলাই চান তার উপর।বিলাই মারার জন্য আপনাকে দৌড় ঝাঁপ করিতে হইতে পারে, তাই বিয়ের শেরওয়ানি পায়জামা টা খুলে নিয়ে লুঙ্গি পরে নেয়াটাই যুতসই হবে।
লুঙ্গি পড়েই সবার আগে যে কাজ টা করবেন সেটা হল কোমরে শক্ত করে গামছা বেঁধে নিবেন যেন দৌড় ঝাঁপের সময় লুঙ্গি খুলে না যায়। এবং এরপর রুমের ভিতরে বিলাইয়ের অবস্থান নিশ্চিত ও নির্নয় করে নিবেন তাতে কষ্ট কম হবে।
বিলাইয়ের অবস্থান দেখেই ঘরের লাইট বন্ধ করে দিবেন, কারন অন্ধকারে বিলাই মারলে আপনার প্রিয় মানুষের কাছে আপনি নিজেকে একজন চতুর বিলাই নিধনকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
শেষ কথায় ছোট্ট করে বলে দেই বিলাই কোথায় পাবেন, আপনি চাইলে রাস্তা ঘাটে অনেক বেওয়ারিশ বিলাই আছে ওইখান থেকে ১ টা বিলাই পছন্দ করে বাসর ঘরে খাটের পায়ার সাথে বেঁধে রাখতে পারেন, অথবা কাটাবনের বিড়ালের দোকান থেকে বিলাই টা কিনতে পারেন, যেহেতু প্রথমবার বিলাই মারবেন তাই কাটাবন থেকে বিদেশি(যদি উচ্চাবিলাসি হয়ে থাকেন)/ তবে দেশি বিলাই কেনাই ভালো!
এখন নিজের পছন্দ মতো বিলাই কিনুন এবং উপরের পদ্ধতি অনুসারে নিশ্চিন্তে বিলাই মারুন!
অবলা প্রানীটাকে না মেরে আদর করে রেখে দিলেই মনে হয় সবচেয়ে বেশি ভালো হয়। কি বলেন? কারন পোষা প্রানী হিসেবে অনেকেরই বিলাই অনেক পছন্দের।
-একটা কথা ই বলবো সবার উদ্দেশ্যে , অনুপ্রেরণা, উৎসাহ না থাকলে কোন কাজ করে ই আনন্দ নেই ! তাই সবাইকে বলছি যাদের আমাদের এই ওয়েব পেয়েজের পোস্ট ভাল লাগে,নিয়মিত Comment> করে আমাদের অনুপ্রেরণা দেবেন , তাহলে আমরা আপনাদের আরও ভাল কিছু উপহার দিতে উৎসাহ পাবো ! সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ !

Read More»

thumbnail

প্রথম চিঠি ভালবাসার

Posted by Unknown  | No comments

প্রথম চিঠি ভালবাসারকেনো জানি খুব কান্না পাচ্ছে! শূন্যতা, পূর্ণতা, নির্ভরতা নাকি নিঃসঙ্গতার জন্য, জানি না। শুধু বুঝতে পারছি বুকের ভিতরে কোথায় জেনো লুকানো জায়গা থেকে একদল অভিমান প্রচণ্ড কান্না হয়ে দু’চোখ ফেটে বেরুতে চাইছে। তুমি কাছে নেই বলে শূন্যতা তার ইচ্ছে মত দেখাচ্ছে তার নিষ্ঠুর খেলা। আমিতো তোমার বুকে মুখ লুকালেই বাঁচি এখন! কিন্তু তুমি যে কত দূরে! বলতো!
আজ শেষ বিকেলের পাহাড় ছুঁয়ে ছুটে আসা দমকা হাওয়ার জড়িয়ে দেয়া মেঘের মতো ছোট্ট একটি ঘটনা আমার সব দ্বিধাকে উড়িয়ে নিয়ে গেলো! বুঝলাম, মহাকাল যে হাস্যকর ক্ষুদ্র সময়কে “জীবন” বলে আমাকে দান করেছে। সেই জীবনে তুমি-ই আমার একমাত্র মানুষটি, যার পাঁচটি আঙ্গুলের শরণার্থী আমার পাঁচটি আঙ্গুল, যার বুকের পাঁজরে লেগে থাকা ঘামের গন্ধ আমার ঘ্রাণশক্তির একমাত্র গন্তব্য। যার এলোমেলো চুলে আমি-ই হারিয়ে যাবো। আর আমি হারিয়ে যাবো ভালবাসতে বাসতে!!!
যার দুটো অদ্ভুত সুন্দর মধুভরা ঠোঁটের উষ্ণতায় আর তাই জীবনটা আজ ঠিক সেই অদ্ভুত ফুলগুলোর মতই মতই সুন্দর, যা দেখে আমি চমকে উঠেছিলাম। আর তুমি আমায় পরম মততায় আলতো জড়িয়ে ধরে তোমার ঠোঁটের সেই খুব মিষ্টি ছোঁয়ায় ভরে দিয়েছিলে সেই পুরোটা পাহাড়ি বিকেল। আর তখন সেই দূর পাহাড়ের দুষ্ট বাতাস এসে আমাকে চুপি চুপি কানে কানে বলে দিলো, “তোমার পাঁজরের হারেই আমার এই দেহটি তৈরি, যাকে স্বামী বলে!”।
আজ প্রতিটি ক্ষণ হৃদয়ে যে পরম সত্য অনুভব করলাম- আমি শুধুই তোমার। সে শেষ ঠিকানা আমি পেলাম। কখনই তা মিথ্যা হতে দিওনা, কখনই ছেড়না আর। আজ আমার ভীষণ সুখী হাত দু’টো, আর দৃষ্টি ঘুরিও না ঐ অদ্ভুত সুন্দর চোখজোড়ার, সেখানে অপলক তাকিয়ে বৃষ্টির সাথে আমিও আনন্দ হয়ে ঝরেছিলাম!
তোমাকে ভালবাসি প্রচণ্ড- এরচেয়ে কোনও সত্য আপাতত আর জানিনা!!
ভালবাসি তোমায়! :)
Read More»

thumbnail

সুন্দরী মেয়ে দেখলে ছেলেদের মুখে লালা আসে

Posted by Unknown  | No comments


সুন্দরী মেয়েদের দেখলে ছেলেদের মুখে লালা আসে বলে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেছে আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। বিশ্বের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পেপার ডেইলি মেইল এই গবেষণার কথা জানিয়েছে।
ডেইলি মেইলের স্বাস্থ্য পাতায় দেওয়া সংবাদে দেখা যায়, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক কলেজ পড়ুয়া কিছু ছেলে ও মেয়ের মধ্যে এই গবেষণা চালায়। তারা কিছু সুন্দরী যুবতী মেয়ের সাথে কিছু যুবক ছেলের মুখোমুখি বসে পাঁচ মিনিট কথা বলতে দেয়। এ সময়ে পুরুষের মুখে লালা আসে।
গবেষণায় বলা হয়, কোন পুরুষ কোন সুন্দরী বা আকর্ষণীয় মেয়ের সংস্পর্শে আসলে ব্রেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ পাঠাতে থাকে পিটুইটারী গ্ল্যান্ডে, যার ফলে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরিত হতে থাকে বেশি মাত্রায় এবং এর ফলে মুখের স্যালিভা (লালা) বেড়ে যায়।
এ সময় ছেলেদের আচার আচরণেও ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যায় যা স্বাভাবিক আচার আচরণ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। গবেষণায় অংশ নেয়া মেয়েরা জানান যে, এসময় ছেলেরা নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে যেন, তারা খুব রোমান্টিক।
গবেষণায় নেতৃত্ব দেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইন্ড এন্ড বায়োলজি বিভাগরে প্রফেসার ড. জেমস রনি। তিনি বলেন, তাদের মধ্যে শুধু লালা ঝরে না, গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনও হয়।
Read More»

thumbnail

তোমার কাছে থেকে অনেক দুরে

Posted by Unknown  | No comments

যাকে আমি ভালোবাসি সে আমাকে শুধুই কষ্ট দেয়,
যার কথা ভেবে আমি প্রতি রাতে কাঁদি,
আমার কান্না শুনে সে হাসে।
যাকে না পাওয়ার কষ্টে আমি জ্বলে-পুড়ে ছাই হই,
সে আমার এই যন্ত্রণা দেখে শান্তি পায়।
যাকে আমি সব সময় কাছে পেতে চাই,
সে ততো বেশী দূরে সরে যায়।
আমার এই কষ্ট এই আর্তনাদ সে কখনও বোঝেনি,
বোঝার চেষ্টাও করেনি,
আমার ভালোবাসার কোন মূল্য আমি তার
কাছে পাইনি।
তবুও আমি পারিনি তাকে ঘৃণা করতে,
আমি এখনও সেই মানুষটিকেই ভালোবাসি,
ভালবাসতাম, ভালবেসে যাবো অনন্তকাল ...... :(

ভেবেছিলাম তোমার কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকবো
কিন্তু কষ্ট আমাকে বাঁচতে দিল না তাই চলে গেলাম :'(
তোমার কাছে থেকে অনেক দুরে ।
Read More»

thumbnail

ব্যর্থ প্রেমের গল্প

Posted by Unknown  | No comments


- আচ্ছা , আপনি হিমুর বইগুলো পড়েছেন ? অনেক সুন্দর না গল্পগুলো ? ইশ ! আমি তো হিমুর প্রেমে পড়েছি অনেক আগে । বাস্তবে হিমু থাকলে তাকেই আমি বিয়ে করতাম ।
- ও আচ্ছা ! তাই নাকি ? হিমুতো বন্ধনে জড়ায় না , জানো না ? বাস্তবে হিমু থাকলে তোমার দশা রূপার মতই হতো ।
- নাহ ! আমি ওকে আমার প্রেমের ফাঁদে ফেলতাম । সে আমাকে ছেড়ে যেতেই পারত না ।
- তাই ? তুমি ছেলেদের খুব ভালোভাবে পটাতে পারো মনে হচ্ছে !
এভাবেই তার সাথে আমার প্রথম কথা হয়েছিল । প্রথম দেখাও হয়েছিল সেদিন , এক বিয়ের অনুষ্ঠানে । আমি ছিলাম বরপক্ষ আর ও ছিল কনেপক্ষ । বিয়ের অনুষ্ঠান আমার কাছে খুব বিরক্তিকর লাগে , তবুও খাওয়াদাওয়ার লোভে না গিয়ে পারি না । তো সেদিন এমন একটা অস্বস্তিকর গরমের দিনে এক বন্ধুর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলাম এক অপরিচিত কমিউনিটি সেন্টারে । রাত আটটার বেশি বাজে , তবুও কেন খেতে ডাকছে না সে চিন্তা করতে করতে আমার প্রিয় এক্সপেরিয়াতে ফেসবুকে মেসেজ দেখছিলাম । তখনি পিছন থেকে একটি মেয়ের গলা শুনতে পেলাম ।
- আপনি কি বরের কিছু হন ?
পিছন ঘুরে তাকালাম । নীল শাড়ি পড়া এক নারী । প্রথম দেখাতেই ধাক্কামত খেলাম । মনে হল আকাশ থেকে কোন নীলপরী নেমে এসেছে ডানা লুকিয়ে । বাইরে থেকে সে ধাক্কাটা সামলে জবাব দিলাম , ‘হে । আমি বরের বন্ধু । আপনি ?’
- আমি কনের খালাতো বোন । তো , একা দাঁড়িয়ে আছেন যে ? সাথে কেউ নেই বুঝি ?
- আসলেই নেই । আর আমার এসব লোকারণ্য ভালো লাগেনা । তাই নীরব জায়গা খুঁজে নিয়ে একটু নিঃশ্বাস নিচ্ছি । আপনি একা কেন ?
- আমি ? আমিও একা থাকতে পছন্দ করি । দুইজন একা মানুষ এক হয়ে কথা বলছি , কেমন না ব্যাপারটা ? হা হা হা ।
এভাবেই কথা হচ্ছিল আগন্তুকের সঙ্গে । আগন্তুক ? না তো । তেমন তো লাগছে না , মনে হচ্ছে অনেক পুরনো বন্ধু আমরা । পরিচয় , নাম , সবই জানলাম । বয়সে তিন বছরের ছোট , নাম মৃদুলা । নাম শুনে মনে হল এ নামটা ওর সাথেই যায় । যাই হোক , সেদিন অনুষ্ঠান শেষে যখন ফিরছিলাম তখন কি যেন মনে করে তাকে আমার মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে আসলাম । সেও হাসিমুখে নিল , বলল , ‘আবার দেখা হবে ।‘ আমিও জানতাম আবার ওর সাথে আমার দেখা হবে , খুব শীঘ্রই ।
সেদিন রাতে বাড়ি ফেরার পর ক্লান্তি আমাকে ছাড়ল না । সটান হয়ে শুয়ে ঘুমে তলিয়ে গেলাম । স্বর্গের পরী মৃদুলার কথা মনে করার জন্য এক সেকেন্ড সময়ও পেলাম না ।
পরদিন সকালে মোবাইলে দেখলাম ৩টা মিসড কল , সবগুলোই একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে । পাত্তা দিলাম না , মনে করলাম দরকার হলে আবার ফোন করবে । একটা ওয়ার্কশপে যোগ দেয়ার কথা ছিল সেদিন , তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে পড়লাম ।
দুই ঘণ্টা পরঃ
বন্ধুদের সাথে কথা বলছিলাম , হঠাৎ নারীকণ্ঠ শুনতে পেলাম , ‘শুনছেন ?’
পিছন ফিরে তাকালাম । মৃদুলা । ভেবেছিলাম খুব শীঘ্রই দেখা হবে কিন্তু এতটাই কম সময়ের মধ্যে হবে চিন্তা করতে পারিনি । আমি হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলাম , ‘আপনি ? এখানে?’
- ওয়ার্কশপে এসেছি । আপনি ?
- আমিও । আমি আর আমার বন্ধুরা অনেক আগে থেকেই এমন একটা ওয়ার্কশপের জন্য অপেক্ষা করছিলাম ।
বাই দা ওয়ে , আজও কি আপনি একা ?
- না । আমার দুই বান্ধবী এসেছে । আমি আপনাকে দেখে আসলাম । ও হে , কাল রাতে আপনার নাম্বারে ফোন করেছিলাম কিন্তু পাইনি ।
- ওইটা আপনার নাম্বার ? আমি বুঝিনি । আসলে কাল রাতে খুব ক্লান্ত লাগছিল , তাই আগে আগে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম । দুঃখিত ।
- ঠিক আছে । আমার জন্য আপনি আপনার ঘুম মাটি করবেন নাকি ? আমি কি আপনার প্রেমিকা ? হা হা হা ।
এভাবে কিছুক্ষণ কথা বলার পর ও চলে গেল । যাবার পরপরই আমার বন্ধুরা আমার দিকে তাকিয়ে চোখ ঘুরোতে লাগল যেন আমি কতকিছু করে ফেলেছি । বন্ধুদের এই একটা সমস্যা , কোনকিছুই স্বাভাবিক করে নিতে পারে না । সবসময় মনে করে ‘ডাল মে কুচ কালা হে ।’
থাক ওদের কথা । মৃদুলার সাথে দেখা হবার পর থেকে মনে কেমন যেন একটা চঞ্চলতা অনুভব করছিলাম । কেন জানি না , একটা আলাদা শান্তি পাচ্ছিলাম । মনের মাঝে একরকম সাম্রাজ্যবাদ ভর করছিল বারবার । নাহ , আজ রাতে আমিই ওকে ফোন করব । যখন বাড়ি ফিরছিলাম , হেডফোনে গান বাজছিলঃ
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে ,
দেখতে আমি পাইনি তোমায় , দেখতে আমি পাইনি ।
এত সহজে কেউ আমাকে দুর্বল করে ফেলবে , চিন্তা করিনি । মেয়েরা বোধহয় এমনি , খুব সহজে মায়ায় জড়িয়ে ফেলতে পারে । সেই মায়ায় আটকা পড়ে সুখের স্বপ্ন দেখে আমার মত সুপ্ত প্রেমিকেরা ।
রাতে ফোন করলাম । প্রথমবার সাড়া পেলাম না । আবার করলাম , তখন রিসিভ করল , ‘হ্যালো ।’ আহা , কি মিষ্টি গলা মৃদুলা নামের নারীটির ! সারারাত কথা হল , কি কথা হল সেসব বলব না । এতকিছু না বলাই ভালো । এরপর থেকে মৃদুলা ছিল আমার প্রতিদিনের মানুষ । কথা , দেখা , সময় কাটানো , সবই হতো । ও কবিতা খুব পছন্দ করে আর আমি নিজেও মাঝে মাঝে কবিতা লিখি । ওকে স্বরচিত কবিতা পড়ে শোনাতাম , ও মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনত । ওকে নিয়ে লেখা কবিতাও ওকে শুনিয়েছি কিন্তু বলতে পারিনি সেগুলো ওকে নিয়ে লেখা । একসময় অনুমতি নিয়ে তুমি করে বলতে শুরু করলাম । এভাবে চলতে চলতে কখন যে ওকে নিজের করে নিয়েছি বলতে পারব না । ভালবেসে ফেলেছি ওকে । কিন্তু বলার মত যথেষ্ট সাহস আমার ছিল না , যদি চলে যায় এই ভয় ছিল সবসময় । একবার ওকে জিজ্ঞেস করলাম , ‘আচ্ছা , তুমি আমাকে তুমি করে বলতে পারো না ? আপনি শুনতে আমার ভালো লাগে না ।’ ও বলল , ‘নাহ । আপনার জন্য তুমি আসে না । আপনি তো বড় । আপনিই বলি ।’
- তুমি বিয়ে করলে তোমার হাসব্যান্ডকে কি আপনি করে বলবে ?
- হয়তো বলব । হা হা হা ।
আরকিছু বলতে পারলাম না । বলার সাহস হল না । সাম্রাজ্যবাদী মনটা কেমন যেন পতনের ধ্বনি শুনতে পেল । একটা জিনিস বুঝলাম , ‘ভালবাসার রাজ্যে গণতন্ত্রের কোন স্থান নেই ।’
এরপর থেকে মৃদুলা কেমন যেন হেঁয়ালি হয়ে গেল । অর্ধেক কথা বলে , বেশি হাসে , ফাজলামোর প্রবণতা বেশি । আমার কাছে ও কেমন যেন অচেনা মানুষ হয়ে গেল । মনে হল এ আমার মৃদুলা নয় , অন্য আরেকজন । আমার মৃদুলার হয়ে এই মৃদুলা প্রক্সি দিচ্ছে ।
এরকম আর সহ্য করতে পারলাম না । ঠিক করলাম মনের কথা সব বলে ফেলব । রাতে ফোন করতে গেলাম , দেখলাম ওয়েটিং । দুই – তিনবার চেষ্টা করলাম । নাহ , ওয়েটিং ।
ঘুমিয়ে যাচ্ছিলাম , ও ফোন দিল । রিসিভ করলাম , ‘হ্যালো ।’
- আপনাকে একটা কথা বলব । কাল দেখা করতে পারবেন ?
- আমিও তোমাকে একটা কথা বলব । ঠিক আছে ।
- আচ্ছা । কাল সকাল ১১টায় …………….. আসবেন । রাখি ।
সাথে সাথেই ফোন রেখে দিল । আমাকে কিছু বলার সুযোগই দিল না । মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল ।
পরদিন একটু ভালো করে সেজেগুজে গেলাম , মনের কথা বলব তাই । ওর সাথে দেখা হল ।
- বল তোমার কথা ।
- আপনি না কি বলবেন বলছিলেন ?
- তোমারটা আগে বল , তারপর আমি বলব ।
মৃদুলা ব্যাগ থেকে একটা রঙিন খাম বের করল , ‘আমার বিয়ের কার্ড । আগামী সপ্তাহে বিয়ে । আপনি আসবেন কিন্তু ।’
মুহূর্তের জন্য অনুভূতিহীন হয়ে গেলাম । বাস্তবে ফিরতে একটু সময় লাগল কিন্তু ওর সামনে নিজেকে সামলে নিলাম । ওকে বললাম , ‘কংগ্রাচুলেশন ! তো পাত্র কি করে ?’
- কানাডায় থাকে । নিজেরা বিজনেস করেছে । অনেক ভালো ছেলে । প্রতিদিনই তো কথা বলি । ওকে কিন্তু আপনিই বলি । হা হা হা ।
- হুম । ভালো । শাদি মোবারক । আমার একটা কাজ আছে , আমি আসি ।
- আপনি না কি বলবেন বলছিলেন ?
- থাক । অন্য আরেকদিন বলব । আজ আসি ।
চলে আসলাম । পিছে পড়ে রইল মৃদুলা , ওর জন্য লেখা কবিতা আর আমার না বলা মনের কথা । বাসায় ফিরে কার্ডটা ছিঁড়ে ফেলে দিলাম , অন্য নামের পাশে ওর নাম দেখার ইচ্ছা বা সাহস আমার হলনা ।
ভালবাসায় ভদ্রতা বলে কিছু রাখতে নেই , হতে হয় সোজাসাপটা । নাহয় ভদ্রতাই সাড়া জীবনের দীর্ঘশ্বাস হয়ে যেতে পারে । আর গণতন্ত্রেরও স্থান নেই এখানে , দরকার সাম্রাজ্যবাদী মন । সাম্রাজ্যবাদই তোমাকে ভালোবাসার জয় এনে দিতে পারবে ।
সেদিনের পর আর কোনদিন মৃদুলার সাথে যোগাযোগ করিনি । মৃদুলাও করেনি । স্বামীর সাথে সুখের সংসার করছে , আমাকে কেন মনে রাখবে ? আর মনে রাখলেও কয়েকদিনের বন্ধুই ভেবেছে , এর বেশিকিছু নয় । এরপর আর ভালবাসতে পারিনি , একাই আছি । এখন আমি একামনেই সম্রাট , একনায়ক । আমার মন জুড়ে এখন সাম্রাজ্যবাদ । কিন্তু সবশেষে আমি একটি ব্যর্থ প্রেমের কাহিনীর একজন ব্যর্থ প্রেমিক হয়েই থাকলাম ।
Read More»

thumbnail

মৃতদেহের সাথে যৌন সঙ্গম!

Posted by Unknown  | No comments

ভয়াবহ এক মানসিক ব্যাধির নাম নেকরোফিলিয়া । এ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি মৃতদেহের প্রতি প্রচন্ডভাবে যৌন আকর্ষন অনুভব করে। হতে পারে এটা ফ্যান্টাসি কিংবা বাস্তবে।নেকরোফিলিয়া রোগের ইতিহাস বেশ পুরোনো যদিও শব্দটি তত পুরোনো নয়। ইতিহাসের জনক হিরোডোটাসের ইতিবৃত্ত গ্রন্থে মৃতদেহের সাথে যৌন সঙ্গমের উল্লেখ রয়েছে। প্রাচীন মিশরে সুন্দরী কিংবা প্রখ্যাত মহিলা মারা গেলে তাদের মমি করার পূর্বে তিন/চার দিন রেখে দেওয়া হতো যাতে উক্ত মৃতদেহ যৌন সঙ্গমের উদ্দেশ্যে কেউ ব্যবহার করতে না পারে। তাছাড়া পেরুতে মনে করা হতো এর মাধ্যমে মৃতদেহের সাথে জীবিতের যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
নেকরোফিলিয়ায় আক্রান্ত রোগী যে শুধু মৃতের সাথে যৌন সহবাস করে তা নয় অনেক সময় সে সহবাসের উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে হত্যা করে। পরিসংখ্যানে দেখা যায় নেকরোফিলিয়ায় আক্রান্ত সবরোগীই পুরুষ যাদের বয়স ২০ বছর হতে ৫০ বছর পর্যন্ত। ডাঃ জোনাথন রসম্যান ও ডাঃ ফিলিপ রেসনিক তিন প্রকারের নেকরোফিলিয়া রোগীর উল্লেখ করেছেন :
ক. নেকরোফিলিয়া হোমিসাইড : যারা ভিকটিমের মৃতদেহের সাথে সহবাসের উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে হত্যা করে।
খ. রেগুলার নেকরোফিলিয়া : যারা যৌণ আনন্দের জন্য মৃতদেহকে ব্যবহার করে।
গ. নেকরোফিলিক ফ্যান্টাসি : যারা মৃতদেহের সাথে কল্পনায় সহবাস করে যৌণ আনন্দ লাভ করে কিন্তু বাস্তবে করে না।
পরিসংখ্যানে দেখা যায় ক এবং গ এর চেয়ে খ ক্যাটাগরির নেকরোফিলিয়া রোগীর সংখ্যাই অধিক। নেকরোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির ৫০%- ই মর্গে চাকুরী করত, কিছু সংখ্যক রোগী গোর খোদক কিংবা সমাধিক্ষেত্রের পহারাদার। বেশকিছু সংখ্যক ত কুখ্যাত সিরিয়াল কিলারও নেকরোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত ছিল।
কিং হ্যারড
নেকরোফিলিয়া আক্রান্ত ব্যাক্তির ইতিহাস বেশ পুরোনো। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৭ সালে রোমান সম্রাট কিং হ্যারড এ রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়। তিনি ছিলেন স্বেচ্ছাচারী ও নিষ্ঠুর প্রকৃতির শাসক। ঈর্ষাবশত যে কাউকে খুন করতে তিনি দ্বিধা করতেন না। তার স্ত্রী হ্যাসমোনিয়েনকে হত্যার পর বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার মৃতদেহ সংরক্ষণ করে সাত বছর ধরে তার সাথে যৌনক্রিয়া চালিয়ে যান।
আরেকজন কুখ্যাত নেকরোফিলিয়া রোগী স্যার প্রাইস। তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি দ্রুতই দ্বিতীয় বিয়ে করেন কিন্তু ১ম স্ত্রীকে মমি করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে সাথে নিয়ে একই বিছনায় ঘুমাতেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর পরও তাকে একইভাবে মমি করে বিছনায় রেখে দেন। তৃতীয় স্ত্রী দুটো মৃতদেহ নিয়ে একই বিছনায় ঘুমাতে অস্বীকার করলে এ নিয়ে বিরোধ বাঁধে। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার এ অস্বাভাবিক আচরন অব্যাহত রাখেন।
যুক্তরাষ্ট্রে হ্যারি ব্যালট নামে এক গোর খাদককে গ্রেপ্তার করা হয় অসংখ্য মৃতদেহের সাথে সহবাস করার কারনে। গ্রেপ্তারেরর পর তার সহজ স্বীকারোক্তি - ” আমার পক্ষে জীবিত কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক করা সম্ভব নয় তাই আমি মৃতদেহের সাথে সহবাস করি। এতে কারো কোন ক্ষতি হয়না কিন্তু আমি পুলক লাভ করি”।
নেকরোফিলিয়ার আর এক আলোচিত ব্যাক্তি হলেন ডাঃ কার্ল ভ্যান ক্যাসল। ১৯৩০ সালে ফ্লোরিডায় তিনি ডাক্তারী পেশায় থাকাবস্থায় মারিয়া এলেনা উজ নামীয় এক সুন্দরী টিবি রোগীর চিকিৎসা করেন। চিকিৎসা করতে করতে গভীরভাবে ঐ মেয়ের প্রেমে পড়ে যান ডাঃ ক্যাসল। ডাঃ ক্যাসল মেয়েটিকে বাচাঁনোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন কিন্তু ব্যর্থ হন। মারিয়ার মৃত্যুর পর তাকে জাকজমকপূর্ণভাবে সমাহিত করা হয়। মারিয়ার সমাধির পর তার দেহে যেন পচন না ধরে সেজন্য ডাঃ ক্যাসল তার সারা গায়ে মোম দিয়ে দেন এবং পারফিউম ছড়িয়ে দেন। প্রতিদিনই ডাঃ ক্যাসল মারিয়ার সমাধিতে যেতেন এবং সমাধির উপরের অংশ সরিয়ে মৃত মারিয়ার সাথে মিলিত হতেন। এভাবে প্রতিদিন ডাঃ ক্যাসলের মারিয়ার সমাধি পাশে যাওয়া নিয়ে প্রতিবেশীরা সমালোচনা শুরু করলে ডাঃ ক্যাসল একদিন সবার অলক্ষ্যে মারিয়াকে নিজ গৃহে নিয়ে আসেন।
মারিয়ার দেহে মোম ও পারফিউম দিয়ে নববধুর গাউন পরিয়ে মৃত মারিয়ার সাথে নিয়মিত মিলিত হতে থাকেন ডাঃ ক্যাসল। প্রকৃতপক্ষে মারিয়ার শরীরে তখন মাংস অবশিষ্ট ছিল না কেবল হাঁড় ছাড়া। ডাঃ ক্যাসল মারিয়ার শরীরের বিশেষ অঙ্গে একটি টিউব বসিয়ে নিয়মিত যৌন কার্য করতেন। প্রতিনিয়ত মোম ও পারফিউম দেয়ার পরও মারিয়ার পচন এবং দুর্গন্ধ ঠেকানো যাচ্ছিল না। প্রতিবেশীরা এ নিয়ে আপত্তি জানায় এবং পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ এসে ডাঃ ক্যাসলের রুম থেকে মারিয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং মারিয়ার পরিবারের আবেদন মতেরিয়াকে পুনরায় সমাধিস্থ করে। পরবর্তীতে ডাঃ ক্যাসল একটি পুতুলকে মারিয়ার মুখোশ পরিয়ে তার সাথে বসবাস করতে থাকেন। এভাবে আমৃত্যু মারিয়ার প্রতি তার ভালবাসা অব্যাহত ছিল। এরকম বৈসাদৃশ্য ও অস্বাভাবিক আচরণ করলেও ব্যাক্তি জীবনে ডাঃ ক্যাসল ছিলেন নিপাট ভদ্রলোক।
এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে একটি মুভিও নির্মিত হয়।
Read More»

thumbnail

সর্বপ্রথম তোমার সাথেই দেখা

Posted by Unknown  | No comments


কথা ছিলো পরীক্ষার পর কুমিল্লা গিয়ে সর্বপ্রথম তোমার সাথেই দেখা করবো , কিন্তু তুমি চেয়েছিলো পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই একবার কুমিল্লা আসি ।তুমিই বলো এটা কি সহজ কাজ ? ভার্সিটির মোটা মোটা বইগুলার পিছনেতো সময় দিতে হয় ! সময় না দিলেতো পরীক্ষা ভালো হবে না ,পরীক্ষা ভালো না হলে ভালো জব পাওয়া যাবে না আর ভালো জব না পেলে তোমায় নিয়ে সুখের ঘর বাধা যাবে না ।তুমি হয়তো আমার কথাগুলো শুনে অনিচ্ছা সত্ত্বেও মাথা ঢুলিয়ে ছিলে।কিন্তু কখনো মনের বেদনাগুলো প্রকাশ করোনি হয়তো আমার পরীক্ষা খারাপ হবে এই ভেবেই বলোনি ! তুমি কেন আমায় ভালোবাসতে ? আমি তোমায় কত কষ্ট দিতাম তবু কেন আমায় কষ্ট দিতে না ? আমি কি নিষ্ঠুর ছিলাম তাই না ? প্রতিবার তোমাকে মিথ্যা আশা দিয়ে রাখতাম আর তুমি অপেক্ষা থাকতে আমার জন্য ,কেন অপেক্ষায় থাকতে ?তুমি কি জানতে না আমি নিষ্ঠুর আমি মিথ্যাবাদী ?
সবসময় মিথ্যা বললেও এবার কিন্তু আমি মিথ্যা বলিনি,এবার একবারে পরীক্ষা দিয়ে কুমিল্লা এসে সবার আগে তোমার সামনে এসে দাড়ালাম ।তুমি হয়তো কবরে শুয়েই আমার দিকে তাকিয়ে হাসছো


Read More»

thumbnail

এ এক অন্যরকম ভালবাসা...

Posted by Munshi  | 1 comment


ক্লাস এ ঢুকেই মিথিলার মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলকারন তখনো কেউই এসে পৌঁছায়নি। শুধুমাত্র রাতুল পিছনের টেবিলটাতে একা বসে আছেএই ছেলেটাকে মিথিলা একদমই পছন্দ করে না। ক্লাসের সবচেয়ে অমনোযোগী, বাজে ছাত্র
হিসেবেই রাতুল পরিচিতআর দেখতেও কেমন জানি অগোছালোমাথার চুলগুলো উসকো-খুসকোপরনের কাপড় গুলোও অপরিষ্কার। মিথিলাকে দেখলেই ছেলেটা কেমন জানি হা করে তাকিয়ে থাকেএই কারনে ছেলেটাকে মিথিলার আরও বেশি অপছ...ন্দ। বিকেলবেলা মিথিলা তার বান্ধবী লগ্নের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে জানতে পারলো যে তাদের ক্লাসের রাতুল, সুজয়ের কাছে মার খেয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেলেছে। মিথিলা, সুজয়কে খুব ভাল করেই চেনে। আগে প্রায়ই রাস্তায় মিথিলাকে বিরক্ত করতো। বখাটে ছেলেরা তো মারামারি করবেই, এটাই তো স্বাভাবিকতাই , রাতুলের মাথা ফাটানোর ব্যাপারটা মিথিলার মনে একটুও ছেদ ফেলল না। মিথিলা মন খারাপ করে কলেজের বারান্দায় দাড়িয়ে আছেআজকে ওর পরীক্ষাটা খুবই খারাপ হয়েছেপাশ করতে পারবে বলে মনে হয় নাএত চিন্তার কারন ছিল না যদি এটা নির্বাচনী পরীক্ষা না হয়ে সাধারণ কোন পরীক্ষা হতোকিন্তুনির্বাচনী পরীক্ষায় পাশ না করতে পারলে তো সে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারবে না। পরের দিন কলেজে গিয়ে মিথিলা খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলকারন, গত রাতে নাকি শর্ট-সার্কিট এ আগুন লেগে ওদের পরীক্ষার খাতা পুড়ে গেছেতাই গতদিনের পরীক্ষাটা আবার অনুষ্ঠিত হবে। এইচ.এস.সি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুদিন পরেই মিথিলার ক্যান্সার ধরা পড়ল। ধীরে ধীরে রোগটা সারা দেহে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করলকিন্তু, অপারেশন করতে যে পরিমাণ টাকা দরকার তা জোগাড় করাটা মিথিলার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিলো নাশেষ পর্যন্ত ধার-দেনা করে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা সংগ্রহ করে অপারেশন করা হল। আল্লাহের রহমতে এবং সবার দোয়ায় মিথিলা সুস্থ হয়ে উঠলো

সুস্থ হওয়ার কিছুদিন পরে মিথিলার কাছে একটা চিঠি আসে

চিঠিটা ছিল এইরকম :
প্রিয় মিথিলা,
কলেজে যে দিন তোমাকে প্রথম দেখেছি সে দিন থেকেই তোমাকে অনেক ভালবেসে ফেলেছিকিন্তুএকটা বখাটে ছেলের
ভালবাসাকে তুমি কোনদিনই মেনে নেবে না। তাই, ভেবেছিলাম লুকিয়ে যতটাভালবাসা যায় ততটাই ভালবাসবো। সুজয় যে দিন লোক ভাড়া করে এনেছিল তোমাকে কিডন্যাপ করার জন্য, সে দিন ওদের সাথে মারামারি করেছিলাম শুধু তোমাকে বাঁচাবো বলে। 
লগ্নের কাছে জানতে পেরেছিলাম, তোমার নির্বাচনী পরীক্ষায় রসায়ন পরীক্ষাটা খুব খারাপ হয়েছিলতাই, সে দিন রাতেই কলেজের অফিসে তালা ভেঙ্গে ঢুকে খাতা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম শুধু তোমার মুখে একটু হাসি দেখব বলেকিন্তু,
দারোয়ানের কাছে ধরা পরে গিয়ে ছয় মাসের জেল হলকলেজেরই ছাত্র কাজটা করেছে বলে ব্যাপারটা শর্ট-সার্কিট এ আগুন লেগেছে বলে চালিয়ে দেয়া হলতাই আর এইচ.এস.সি পরীক্ষাটা দেয়া হল না। জেল থেকে বের হয়ে শুনলাম, তুমি ক্যান্সার এ আক্রান্তটাকার অভাবে তোমার অপারেশন হচ্ছেনা জেনে কোন উপায় না দেখে নিজের কিডনি বিক্রি করে টাকা সংগ্রহ করলাম শুধু তোমায় ভালবাসি বলে। আজ আমি জীবনের শেষ পর্যায় এ এসে উপস্থিত হয়েছিআমার অবশিষ্ট কিডনিটা অনেক আগে থেকেই নষ্ট ছিল। এখন অবস্থা দিনে দিনে আরও খারাপ হচ্ছে। ডাক্তার বলেছে, আর খুব বেশি দিন বাঁচবো না। তাই মারা যাওয়ার আগে ভাবলামসেই কথাটা বলে যাইযে কথাটা আজো তোমায় বলতে পারিনি। আমি তোমাকে ভালবাসি মিথিলাঅনেক ভালবাসি। ভাল থেকো
ইতি,
তোমাদের ক্লাসের সবচেয়ে বাজে ছেলে
রাতুল

মিথিলার চোখ দিয়ে পানি পড়তে পড়তে চিঠিটা ভিজে গেল
Read More»

    If you would like to receive our RSS updates via email, simply enter your email address below click subscribe.

Discussion

Blogger template. Proudly Powered by Blogger.
back to top