যৌবন কাল মানুষের জীবনে এক
রোমাঞ্চকর অধ্যায়। যৌবন জীবনের সেরা ও দুর্লভ সময়। যখন বয়স ১২ তখন যৌবন এলো। যৌবনের
সূচনা টিনএজে। এই বয়সে তারা কোন কিছুতেই স্হির থাকতে পারে না, টিনএজার-দেরদেহমনে উদ্দাম গতিবেগ
সৃষ্টি হয়। নানা মন্ত্রনা-তাড়নার চিত্তে প্রবেশ করে তাকে অস্তির করে তোলে, যৌবনের স্পর্শে হয়ে ওঠে পাগল।
যৌবনের তাড়নায় সংগ্রামী সৈনিক মাঠে নামে যৌবন তৃপ্তির আসায় রুখে দ্বাড়ায়
কুমারীর সামনে। তাকে কাছে পেতে চায় তার সাথে সম্পর্ক করতে চায় যৌবনের স্বাদ পরক
করতে চায়। টিনএজার-যে দুর্বার পথে প্রান্তে ছড়ায় বহু তুফান, যৌবনের তাড়নায় উচ্ছৃঙ্খল হয়ে
পড়ে ভুল করে আবার ভুলের বুকে ফুল ফোটায়, এই বয়সে অফুরন্ত যৌবন শক্তি তাজা তাজা প্রানে অসহ্য যন্ত্রনা, যন্ত্রনা মেটানোর জন্য ব্যাকুল হয়ে
ওঠে দেহমন। চোখ বন্ধ করে ঝাপ দেয় পচা গর্থে, অভাস্ত হয়ে ওঠে বদ অভ্যাসে। তাড়নার কামনায় নেমে আসে ক্ষতি। যৌবন কখনও কাঁদে না, অন্যকে কাঁদায়।
আমাদের সকল কেই বয়সের সম্মুখিন হতে হয়। কেউ এই বয়স উপেক্ষা করে
পার হতে পারে না। এই বয়সে সঠিক ভাবে চলার জন্য আমার কিছু সাজেশন আছে। আশাকরি, মনোযোগ সহকারে পড়বেন ও পালন করার
চেষ্টা করবেন।
প্রথমত তোমাদেরকে বলছি
(টিনএজার-দের)
১. এই বয়সটা জ্ঞান অর্জন করার, পড়ায় প্রচুর সময় দাও।
২. পাশাপাশি আরও কিছু জানার চেষ্টা কর।
৩. পড়ার পাশাপাশি খেলার মাঠে সময় দিতে পারো।
৪. নিজের
যৌবন বা প্রেমের বিষয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা কর। কারন তোমাদের মনে হতে
পারে এটাই তোমাদের এই পথ, তোমাদের
এই পথেই যাওয়া উচিৎ। কিন্তু মনে রাখবা যৌবন খুবই সীমিত এই বয়সেই সব শেষ করে
ফেললে পরের জন্য আর কিছুই থাকবে না।
এবার অভিভাবকদের কে বলছি
আপনারা ছেলে মেয়ের প্রতি বেশি মনযোগী হবেন, তাদেরকে নজরে রাখার চেষ্টা করবেন, তাদেরকে চলার জন্য দিক নির্দেশনা
ঠিক করে দেবেন। এই বয়সের ছেলে বা মেয়েরা অনেক নতুন নতুন অনেক কিছু পায়। কিন্তু
তারা এই গুলোর সঠিক ব্যাবহার জানে না, সেটা শেখানোর দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। এই বয়সের ছেলে-মেয়েরা
নিজস্ব দুনিয়া তৈরি করতে চায়, তাদেরকে
সেই পরিবেশ তৈরি করে দেন, বন্ধুত্বের
মাধ্যমে তাদেরকে খারাপ জিনিষ গুলো বুঝিয়ে দেন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দিন। মনে
রাখবেন,
আপনার অভিভাবকরা যে ভুল
করেছিল সেই ভুল কিন্তু আপনারা করবেন না আশাকরি। এটাই সঠিক সময় নিজেকে সঠিক করে
চেনার। আসুন আমরা সকলে মিলে এই সময়টাকে সুন্দর করে তোলার চেষ্টা করি এবং চেষ্টা
করি কেউ যেন আর খারাপ পথে না যায়।


0 মন্তব্য: